Author: Jakariya Shakil

  • Amazon Affiliate Niche Site Guideline – অ্যামাজন নিশ সাইট ডেভেলপমেন্ট গাইডলাইন এ টু জেড –আপডেট

    আচ্ছা এমন কি হয়েছে কখনো স্বপ্ন দেখেন?  আপনি সমুদ্র সৈকতে শুয়ে আছেন, কিন্তু আপনার একাউন্টে টাকা জমা হচ্ছে অর্থাৎ প্যাসিভ ইনকাম হচ্ছে।

    আপনি ভাবছেন আরে কি বলে এটা আবার হয় নাকি?  সত্যি বলতে অনেকেই এই প্যাসিভ ইনকাম টা করছে। আর আজ আমরা অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট পেসিভ ইনকাম নিয়েই কথা বলব। একটা প্রতিষ্ঠিত আমাজন এফিলিয়েট নিশ সাইট হতে আজীবন ইনকাম করা যায়।

    তার আগে জেনে নেই,  অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কি ?

    হ্যালো এই মুহূর্তে এই লেখাটি যারা পড়ছেন,  আমরা ধরে নিতে পারি যে আপনারা অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট নিস সাইট সম্পর্কে কিছুটা ধারণা আছে, সহজ কথায়, এটি এমন কোনও সাইট যা অ্যামাজন অ্যাসোসিয়েটস প্রোগ্রাম থেকে তাদের সাইটের জুড়ে অনুমোদিত লিঙ্ক / ব্যানারের মাধ্যমে উপার্জন করে।  আমি এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব না।

    এখানে বরং  অ্যামাজন নিশ সাইট ডেভেলপমেন্ট করার জন্য সম্পূর্ণ  গাইডলাইনটি  বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করব ইনশাআল্লাহ।

    সত্যি কথা বলতে বর্তমান সময়ে এসে অ্যামাজন নিশ সাইট দাঁড় করানো মোটেই সহজ বিষয় না,  দিনশেষে এটা একটা বিজনেস তাই প্রত্যেকটা বিষয় প্লেন অনুযায়ী কাজ করতে হবে; অনেক ক্ষেত্রে আমি নিজে কোন বিষয় আলোচনা না করে ভালো রিসোর্স এর লিংক দিয়ে দিতে পারি, সেক্ষেত্রে সেটা থেকেও উপকৃত হবেন।

    তার আগে একটা কথা বলে নেই,  এই প্ল্যান (অ্যামাজন নিশ সাইট ডেভেলপমেন্ট গাইডলাইন) আমি আমার নিজের অভিজ্ঞতা থেকে শেয়ার করছি অর্থাৎ ইউনিক কোন বিষয় না একেবারেই এজ ইউজুয়াল   অর্থাৎ এগুলো কমন।  নতুনদের জন্য আশা করি কাজে লাগবে।  এক্সপার্টদের জায়গা এখানে নেই 😀

    অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট এ ইনকাম করার জন্য আমরা কি করবো?

    আমরা আসলে  একটি নিশ (Amazon Affiliate Niche Site) সাইট বানাবো। এক্ষেত্রে আমরা নিস সাইট ডেভেলপমেন্ট করার জন্য সকল ধরনের পদক্ষেপ নিব,  ইনশাআল্লাহ।  তারপর এই নিস সাইটটিকে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO) করে গুগলের কাছে সাইটটির গুরুত্ব তুলে ধরবো। ফলে কেউ যখন আমাদের নির্ধারিত নিস কীওয়ার্ডে গুগলে সার্চ করবে তখন আমাদের সাইট প্রথমে আসবে।

    এতে আমরা  ওই নিস  রিলেটেড ভিজিটর অর্থাৎ কিছু বায়িং কাস্টমার পাবো । টার্গেটেড ভিজিটর যখন আমাদের   নিস সাইট থেকে অ্যাফিলিয়েট  হয়ে অ্যামাজন থেকে প্রোডাক্ট কিনবে তখন আমরা অ্যামাজন থেকে প্রোডাক্ট ক্যাটাগরি অনুযায়ী ভিন্ন ভিন্ন কমিশন  পাবো । আর এভাবেই আমাদের নিস সাইটের ইনকামের একটি পথ হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ । অ্যামাজন বিভিন্ন পণ্য ভেদে 2% থেকে ১০% এর মতো পর্যন্ত কমিশন দেয়।

    আমাজন প্রোডাক্ট বেস রেট তালিকা দেখার লিংক:

    কিছু সাধারণ বিষয়

    নিস সাইট কী? 

    এক কথায়, নিস সাইট হচ্ছে নির্দিষ্ট একটি বিষয় বা প্রোডাক্টের উপর ভিত্তি করে একটি ওয়েবসাইট বা ব্লগ। (A niche website for a particular interest, topic, product group, or theme that is common to a narrow group of audiences in a larger market.)

    অনেকেই ভাবে নিস সাইট অর্থাৎ ছোট সাইট  আসলে সেটা নয়,  এটা মার্কেট সেগমেন্ট বুঝায় উদাহরণ- kayakspoint.com (কায়াকিং/স্পোর্টিং নিশ সাইট), toptenreviews.com – মাল্টি নিশ সাইট।

    পুরা সাইটই সাধারনত প্যাসিভ থাকে, মানে একবার আর্টিকেলগুলো লেখা হয়ে গেলে আপনার আর কোনো কাজ নেই। সাইট নিজের গতিতে আগাবে।

    আমি টার্গেট করি মোটামোটি ৩০-৩৫ টা কন্টেন্ট দেবার। কন্টেন্ট দেবার পর ৫-৬ মাস অপেক্ষা করি। যদি দেখি সাইট থেকে ইনকাম আসা শুরু হয়েছে, তাহলে সেই ইনকামটাই আমি আবার রি-ইনভেস্ট করে কন্টেন্ট এর পেছনে। এভাবে একটা নিশ সাইটকে আস্তে আস্তে বড় করা যায়। এভাবে করলে রিস্ক ফ্যাক্টরটাও আমার মতে অনেক কমে আসে।

    অ্যামাজন নিশ সাইট বাজেট (কত খরচ হয়)

    এটা একটা সিলি কোশ্চেন।  একটা নিশ সাইট করতে কত টাকা লাগে তার ডিপেন্ড করে আসলে আপনি কি টাইপ নিশ সাইট করতে চাচ্ছেন সেটার উপর।  তবে যেহেতু এখানে সংক্ষেপে সবকিছুর উত্তর দিচ্ছি তাই নিচে একটা বেসিক অ্যামাজন নিশ সাইট করতে কেমন খরচ লাগে তার একটা ধারণা দিচ্ছি।

    বর্তমানে নিস সাইট রেংক করানো একটু বেশি-ই টাফ কাজ। নিস সিলেকশন, কীওয়ার্ড রিসার্চ, কনটেন্ট লেখানো, অনপেজ-অফপেজ ইত্যাদি মিলে একটা জটিল প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। তাই অনেকেই রেডিমেড সাইট কিনতে চান কিন্তু নিস সাইট ব্যাপারটা আমার কাছে এরকম মনে হয় যে, এটা একটা লেগে থাকার বিষয়। সব কিছু টাকা দিয়ে হয় না, শুধুমাত্র টাকা খরচ করে এই সেক্টরে বোধহয় সাকসেসের চিন্তা অলিক। নিজের স্কিল বাড়াতে হবে বা কম পক্ষে এক্সপারট কাউকে দিয়ে কাজটা শুরু থেকে শেষ পরযন্ত করাতে পারলে আপনি ভাগ্যবান।   যদি কেউ সার্ভিস/সাইট কিনে শুরু করতে চান, তাহলে ভালো সার্ভিসের জন্য মোটামুটি কী রকম বাজেট লাগবে একটা হিসাব দিলাম। এটা সম্পূর্ণ আমার নিজস্ব মতামত।

    ১. ডোমেইন হোস্টিংঃ ৩০ ডলার (এক্সনহোস্ট, নতুনদের জন্য রিকমেন্ডেড)

    ২. থিম এন্ড প্লাগিনঃ ৭০ ডলার

    ৩. নিশ ও অডিটঃ ১০০ ডলার

    ৪. কীওয়ার্ড রিসার্চ + প্ল্যানিংঃ ২০০ ডলার

    ৫. সাইট ডিজাইন + কনটেন্ট পাবলিশ: ২০০ ডলার

    ৬. কনটেন্ট মিনিমাম ৩০-কে ওয়ার্ডস: ৪০০ ডলার (নরমাল রাইটার)

    ৭. অনপেজ অপটিমাইজেশন + স্পীড বুস্টআপ: ৪০০ ডলার

    ——————————— মোট: ১৪০০ ডলার

    আর যদি কনটেন্ট ৫০-কে ওয়ার্ডস নেটিভ রাইটার দিয়ে চান তাহলে ১৮০০-২০০০ ডলার লাগবে। অর্থাৎ ৫০০ থেকে ৭০০ ডলার এক্সট্রা লাগবে।

    +

    কোয়ালিটি লিঙ্ক বিল্ডিং – অফপেজের জন্য খরচ করতে হবে ৫০০-৮০০ ডলার।

    আর যদি আমার এআই দিয়ে ওয়েবসাইট + মার্কেটিং চান; তাহলে আমার প্যাকেজ এ দাম কম আসবে। তখন মাত্র ৬৯৯ ডলারে পুরো প্যাকেজ পাবেন।

    মনে রাখবেন, অনলাইনে কিছু ইনকাম করতে হলে ইনভেস্টমেন্ট লাগে। একটা অ্যামাজন নিশ সাইট করতে কমবেশি ছয় থেকে বারো মাস সময় লাগবে।  এটা একটা কমন হিসেব।

    একটা সুনির্দিষ্ট প্ল্যান (অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট নিশ সাইট দাড় করাতে কত সময় লাগে ? )

    যেকোনো প্রজেক্টেই সুনির্দিষ্ট প্লেন থাকা জরুরি,  এতে আমাদের অভিষ্ঠ লক্ষ্যে খুব দ্রুত পৌঁছানো যায়। আপনি প্ল্যানিংটা যতো সুন্দরভাবে করতে পারবেন, আপনার কাজ আসলে ততো সহজ হয়ে যাবে। তো আজকে আমরা এই জরুরি কাজটা (সাইট ডেভেলপমেন্ট গাইডলাইন) করতে যাচ্ছি, ইনশাআল্লাহ।

    নিস সাইটে খুব দ্রুত সফলতার কোন চাবিকাঠি নেই। এখানে আপনাকে প্রতিটি কাজ  যথাযোগ্য, সঠিক ও ধীরেসুস্থে করতে হয়। এসব কথা চিন্তা করেই একটা নিস সাইটের প্ল্যানিংয়ে তাই কম-বেশি ৯-১২ মাসের একটা প্ল্যান করা হয়। এর কমে সাধারণত সম্ভব হয় না। তবে দেড় থেকে দুই বছরের প্ল্যান হলে সেটা আরো ভালো হয়। একটা আমাজন নিশ সাইট দাড় করাতে আমরা 6-12 মাস সময় লেগে যেতে পারে। স্টার্টিং এ ভাল করতে চাইলে প্রচুর সময় দিয়ে রিসার্চ চালিয়ে যেতে হবে ও পাশাপাশি কাজ করতে হবে।

    অ্যামাজন নিশ সাইট সাইট প্ল্যানে কি কি থাকবে?

    চলুন দেখা যাক মোটা দাগে আমরা কোন কোন বিষয় নিয়ে আজকে কাজ করব সেটা দেখি। আমরা   যে  মেইন পয়েন্টগুলো  আলোচনা করব তা নিচে পয়েন্ট আকারে দেওয়া হল।

    1. অন-পেজ এসইও
    •  নিস আইডিয়া জেনারেশন
    •  কীওয়ার্ড এবং কমপিটিটর রিসার্চ
    •  আর্টিক্যাল প্ল্যান, ইনস্ট্রাকশন রেডি
    •  আর্টিক্যাল পাবলিশ উইদ প্রোপার স্ট্রাকচার
    •  অনপেজের খুটিনাটি পারফেকশন
    1. ওয়েবসাইট ডিজাইন
    •  প্রোপার সিলো স্ট্রাকচার বিল্ডআপ
    •  রেগুলার কনটেন্ট আপড্টে এবং এড
    •  ওয়েবসাইট মেইটেন্যান্স
    1. অফ-পেজ এসইও (বেসিক লিংক বিল্ডিং গাইডলাইন এ টু জেড)
    •  সোশ্যাল প্রোফাইল
    •  ফোরাম প্রোফাইল
    •  অথোরিটি ওয়েবসাইট পোস্ট
    •  ওয়েব ২.০
    •  গেস্ট পোস্ট

    আমাদের মূল ব্যাপার হচ্ছে একটা প্ল্যান। একটা নির্দিষ্ট টাইমফ্রেমে বন্দি করা বা লিস্ট করা এক প্ল্যান, সাজানো-গোছানো।

    অন-পেজ এসইও এ টু জেড

    একটা নিস সাইটের সাকসেস সবচেয়ে বেশি নির্ভর করে অন-পেজ এসইও (On Page SEO) বেশিরভাগ ভাই ব্রাদার যে ভুলটা করেন সেটা হচ্ছে- নিস সাইটে আর্টিক্যাল দিয়ে ব্যাকলিংক শুরু করা। যতো বেশি ব্যাকলিংক র‌্যাংক (Google Rank) হওয়ার পরিমাণ ততো বেশি – এটাই মনে করেন অনেকে। আসলে এটা অনেক বড় ভুল, একটা নিস সাইটের অনপেজ ঠিক না করে অফপেজ তথা লিংক বিল্ডিং শুরু করা ।

    নিশ সিলেকশন

    অ্যামাজন এফিলিয়েট নিশ সাইট শুরু করার জন্য সবচেয়ে জরুরী একটা অধ্যায় হচ্ছে একটা আইডিয়া পাওয়া।  এখানে একটা ভুল সিদ্ধান্ত আপনার সাকসেস এর পরিমাণ ৫০ পার্সেন্ট ও কমিয়ে দিতে পারে।  আর এটার জন্য ব্রেইনস্টর্মিং গুরুত্বপূর্ণ । একটা অ্যামাজন নিশ সাইট সুন্দরভাবে করার জন্য প্রথমেই যেটা দরকার সেটা হচ্ছে- একটা সুন্দর নিস খোঁজে বের করা। এমন নিশ নিয়ে কাজ করা উচিৎ যেটা নিয়ে আপনার আগ্রহ ও আইডিয়া আছে। মানে যে বিষয়টার উপর আপনার এক্সপার্টিজ আছে, সে বিষয়ে নিশ সিলেক্ট করতে হবে। বিগেনার হিসেবে শুরুর দিকে আপনি কম কম্পিটিশন এমন ছোট একটা নিশ নিয়ে আগাতে পারেন।

    আমাদের প্রজেক্টকে সাক্সেসফুল করার জন্য রিসার্চ চালিয়ে যাব এবং কিওয়ার্ডসহ কয়েকটি নিশ টার্গেট করব। এরপর যেটা বেস্ট মনে হবে ঐ নিশটা নিয়ে কাজ করব/ প্রজেক্ট স্টার্ট করব।

    যে নিশ কাজ করার জন্য উপর্যুক্ত মনে হবে সেটার জন্য Total Keywords: ২০+ টা টার্গেট করবে।

    যাহোক, নিস সিলেকশন আসলে অনেক সময় সাপেক্ষ একটা কাজ। বিশেষ করে স্বল্প বা আন টাচ নিস খোঁজে বের করা আসলেই টাফ কাজ একটা। তাই এখানে আপনি একটা কাজ করতে পারেন- স্বল্প টাচ নিস নিয়েও কাজ করতে পারেন। তবে সেক্ষেত্রে কীওয়ার্ড রিসার্চে আপনাকে অনেক সময় দিতে হবে লো-কমপিটিটিভ কীওয়ার্ড খোঁজে বের করার জন্য।

    কিওয়ার্ড রিসার্চ ও কম্পিটিটর এনালাইসিসঃ 

    সবচেয়ে ক্রিটিক্যাল এবং পরিশ্রমের কাজ হচ্ছে কীওয়ার্ড এবং কমপিটিটর রিসার্চ। এখানে সামান্য ভুল হলে আপনার নিস সাইট সাকসেসের মুখ দেখবে বলে মনে হয় না। কি-ওয়ার্ড রিসার্চ ভুল মানে আপনার পুরো প্রজেক্ট ভুল। অর্থাৎ আপনি আমাজন যে নিশ সাইট তৈরি করবেন,সেটার পেছনে যে অর্থ ও শ্রম দিবেন সেটার পুরোটা জলাঞ্জলি দিতে হবে যদি আপনার কি-ওয়ার্ড রিসার্চ ভুল হয়।

    এক্ষেত্রে প্রয়োজনে ১-২ মাস সময় দেন, ভাল একটা নিশ সাইট/ কি-ওয়ার্ড খুজে বের করেন। তাহলে পরবর্তীতে কম পরিশ্রম করেও ভাল ফলাফল পাবেন।

    লো সার্চ ভলিউম গুলোকে অবহেলা না করে ভবিষ্যৎ এ ট্রেন্ডিং এ থাকতে পারে এমন কি-ওয়ার্ড নিয়েও আগানো যেতে পারে।  এজন্য কিওয়ার্ড রিসার্চ ও কম্পিটিটর এনালাইসিসে  যে টুলসগুলো আমরা সাধারণত ব্যবহার করি যেমনঃ-

    • গুগল কিওয়ার্ড প্লানার (https://adwords.google.com/ko/KeywordPlanner/Home?): ফ্রী  ।
    • সেমরাস (https://www.semrush.com/): পেইড ।
    • আহ্রেফ(https://ahrefs.com/) :পেইড ।
    • কিওয়ার্ড ফাইনডার (https://kwfinder.com/) :পেইড ।
    • স্পাইফু (https://www.spyfu.com/) :পেইড ।
    • গুগল ট্রেনড (https://trends.google.com/trends/) : ফ্রী ।
    • ম্যাজেসটিক (https://majestic.com/):পেইড।
    • লং টেল প্রো (https://longtailpro.com/):পেইড।
    • মার্কেট সামুরাই (http://www.marketsamurai.com/):পেইড।
    • কিওয়ার্ড এভরিহ্যায়ার (https://keywordseverywhere.com/): পেইড।

    কমপিটিটর এনালাইসিস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটা কাজ। মেইন কিওয়ার্ড এর রিলেটেড কিওয়ার্ড পেতে keywordtool.io বেশ ভালো কাজ দেয়।  মনে রাখবেন নিশ সিলেকশন ও কিওয়ার্ড রিসার্চ দুটি খুব গুরুত্বপূর্ণ পূর্ণ ধাপ এবং একে অন্যের সাথে জড়িত। সুতরাং এ কাজগুলো খুব ভালো ভাবে করতে হবে।

    পারসোনালি আমি লো সার্চ ভলিউম এবং লো কমপিটিটর কীওয়ার্ড নিয়ে কাজ করি।  যাইহোক ব্যক্তিগতভাবে কিওয়ার্ডে কয়েকটা গুণ না থাকলে সেটাকে আমি কিওয়ার্ড হিসেবে কাউন্ট করিনা, যেমন সার্চ  ভলিউম, অর্থবোধক, প্রশ্নবোধক ও প্রয়োজনীয় । এ বিষয়ে বিস্তারিত নিস সাইটের জন্য কিওয়ার্ড রিসার্চ – এখানে পাবেন। কীওয়ার্ড রিসার্চে , এখানে পুরো একটা মাস সময় দেবেন। এবং প্রতিদিন অন্তত দুই ঘণ্টা সময় ব্যয় করবেন। এভাবে যদি কীওয়ার্ড রিসার্চে একমাস সময় দেন, তাহলে অবশ্যই ভালো কিছু কীওয়ার্ড পাবেন। আমি পরামর্শ দেবো- প্রথমে মানি কীওয়ার্ড এবং পরে সেগুলোর প্রেক্ষিতে ইনফরমেটিভ কীওয়ার্ড খুঁজবেন।

    অনপেজ এসইও ফ্যাক্টরগুলো

    চলুন শুরু করি,  অনপেজ এসইও ফ্যাক্টরগুলো হচ্ছে,

    কীওয়ার্ডঃ অনপেজের প্রধান বিষয় হচ্ছে কীওয়ার্ড। একটা সময় ছিলো যখন একটা আর্টিক্যালে কীওয়ার্ড যতো বেশি ব্যবহার করা হবে, ততই ভালো ছিলো র‌্যাংক করার জন্য। কিন্তু গুগল নতুন আপডেট আসার পর এই রেশিও সিস্টেমও “রহিত” হয়ে গেলো। দেখা গেলো, গুগল এখন আর ফোকাস কীওয়ার্ড টার্গেট করে একটা আর্টিক্যালকে র‌্যাংক দেয় না। সম্পূর্ণটাই চলে গেছে অডিয়েন্সের চাহিদা/আগ্রহরে উপর।

    পারমালিংক/আর্টিক্যাল ইউআরএলঃ আর্টিক্যালটার পারমালিংক বা ইউআরএলটা অবশ্যই এসইও-ফ্রেন্ডলি হতে হবে।

     মেটা ডেসক্রিপশনঃ যেই কিওয়ার্ডের উপর পুরো আর্টিকেল অপটিমাইজ তা ভেরি ফার্স্ট বাক্যে ব্যবহার করা ভালো।  রিডেবল রাখতে হবে। কিওয়ার্ড স্টাফিং করবেন না। কাস্টোমার মনের মধ্যে দুইটা প্রশ্ন নিয়ে আমাদের পেইজে ক্লিক করবে- এই পেইজ কি অফার করে এবং কেন আমার ভিজিট করা উচিত? আপনি এই দুইটা প্রশ্নের উত্তর মেটা ডেস্ক্রিপশনে দিয়ে দিন।

     ইউআরএলের দৈর্ঘ্যঃ যতো শর্ট হবে এটা, ততোই এসইও-ফ্রেন্ডলি হয় । অভিজ্ঞতা বলে এখানে কীওয়ার্ডটাকে রাখলে ভালো। আপনার কীওয়ার্ড যদি হয় “বেস্ট মডেল বাংলাদেশ” তাহলে ফুল ইউআরএল হতে পারে এরকম: https://yourdomain.com/বেস্ট-মডেল-বাংলাদেশ/।

     এইচ-ট্যাগের ব্যবহারঃ এইচ ট্যাগের ব্যবহারটা ক্লিয়ার হতে আমরা একটা উদাহরণ দিতে পারি। ধরুন, আপনি বিড়াল নিয়ে একটা আর্টিক্যাল লিখবেন। আর্টিক্যালের টাইটেল হতে পারে: বাংলাদেশের বিড়ালদের যে জন্য আমি ভালোবাসি।

    এই টাইটেলটা অটোমেটিক ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে বানানো সাইটে H1 ট্যাগে নিয়ে নেয়।

    অর্থাৎ আর্টিক্যালের ভেতরে আমরা H2 ট্যাগ দিয়ে কাজ শুরু করি।

    তাহলে আর্টিক্যালের কোথায় কোন ট্যাগ বসবে সেটা দেখা যাক।

    তো, বিড়ালের যদি আপনি ক্যাটাগরাইজড করেন, তাহলে কীভাবে করবেন?

    — সাদা বিড়াল (সাব-টাইটেল: সাদা বিড়ালের প্রতি ভালোবাসা)

    — কালো বিড়াল (সাব-টাইটেল: কালো বিড়ালের প্রতি হিংসা)

    এই দুইটা অবশ্যই হবে H2 ট্যাগ।

    যদি এরকম সাব-টাইটেল ইউজ করেন: টপ টেন ভালোবাসাময় সাদা বিড়াল, তাহলে এটাও H2 হবে।

    এখন যদি এভাবে সাব-টাইটের দেন: ঢাকা জেলার সাদা বিড়া্লের প্রতি ভালোবাসা, এটা হয়ে যাবে H3 ট্যাগে।

    যদি দেন সাব-টাইটেল: ধানমণ্ডি এলাকার সাদা বিড়াল কেমন? – এটাকে H4 ইউজ করতে পারেন।

    ব্যাপারাটাকে আপনাদের বোধগম্য করাতে পেরেছি? অর্থাৎ মূল টপিক থেকে যতো ভেতরে/গভীরে যেতে থাকবেন H-এর পাওয়ার দুর্বল হবে।

     এক্সটার্নাল লিংকঃ এক্সটার্নাল লিংকের জন্য উইকিপিডিয়া, গুগল স্কলার কিংবা ইউএস রিসার্চ সেন্টার রিলেটেড কোনো সাইট যেন হয়।

    এমন কোনো সাইটকে এক্সটার্নাল লিংক না দেয়াই বেটার যারা আমাজন এফিলিয়েট প্রোগ্রাম ইউজ করে তাদের সাইটে। এবং অবশ্যই এই এক্সটার্নাল অথোরিটি লিংকটা ডুফলো রাখবেন।

     ইন্টারনাল লিংক (Enternal Link ) সিলোঃ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয় ইন্টারলিংক। একটা সাইটের সিমিলার আর্টিক্যালগুলো পরস্পরের সাথে লিংক করে এটা করা হয়। যদি নির্দিষ্ট ক্যাটাগরি ফলো করে নির্দিষ্ট নিয়মে ইন্টারলিংক করা হয় তাহলে সেটা একটা আলাদা অর্থ হয়- সিলো বলা হয় একে। ইন্টারলিংক করার জন্য দু’টো পদ্ধতি অবলম্বন করি। ১। ইনফো আর্টিক্যাল থেকে বায়িং গাইডকে লিংক দেই আবার  ২। ইনফো এবং বায়িং গাইড পরস্পরকে লিংকআপ করি।

    যা-ই করেন না কেন, একটা বিষয় দুই ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। সেটা হচ্ছে- ইন্টারলিংক করার ক্ষেত্রেও অ্যাংকর টেক্সট ভেরিয়েশন রাখতে হয়। এক্সাক্ট ম্যাচ কীওয়ার্ডকে অ্যাংকর টেক্সট হিসেবে ইউজ না করাই ভালো। কারণ গুগল এই বিষয়টা পছন্দ করে না। ইন্টারলিংকের অ্যাংকর টেক্সট তাই অবশ্যই চিন্তা-ভাবনা করে দিতে হবে।

     ইমেজ অল্টার ট্যাগঃ অনপেজে অনেকেই এই ভুলটা করে থাকেন। সাইটে ইমেজ ব্যবহার করেন কিন্তু সেটাতে অল্টার ট্যাগ ইউজ করেন না। অল্টার ট্যাগ ইউজ করা অত্যন্ত জরুরি। ছোট্ট এই কাজটা না করলে সার্চ ইঞ্জিন এখানে বড় ধরণের এরর শো করে।

     স্পীড অপটিমাইজেশনঃ একটা গুরুত্বপূর্ণ এসইও ফ্যাক্টর হচ্ছে সাইটের স্পীড। সাইটের স্পীড ভালো না হলে সেটা র‌্যাংকিংয়ে প্রভাব পড়ে। এজন্য অবশ্যই ভালো মানের হোস্টিং নিস সাইটের জন্য দরকার। তবে এ কথা অবশ্যই মনে রাখতে হবে যে, সাইটের স্পীড শুধুমাত্র হোস্টিংয়ের উপর নির্ভর করে না। আরও অনেক কিছুর উপর নির্ভর করে।

     এস এস এলঃ এটা একটা এসইও ফ্যাক্টর। সুতরাং অব্যশই আপনার ডোমেইনে এসএসএল একটিভ করা থাকতে হবে। উল্লেখ্য, এসএসএল বিষয়টা হোস্টিং রিলেটেড। এখন বেশিরভাগ হোস্টিং কোম্পানীই এসএসএল ফ্রি অফার করে। সুতরাং হোস্টিং কেনার সময় এই বিষয়টা অবশ্যই চেক করবেন।

     রিডিং ফ্রেন্ডলি আর্টিক্যালঃ আর্টিক্যালটা কতটা গ্রামার এরর ফ্রি সেটার চেয়ে আর্টিক্যালটা পড়তে কেমন লাগছে, অডিয়েন্স আর্টিক্যালটা পড়ে বুঝতে পারছেন কিনা, সহজবোধ্য কিনা সেটাই প্রধান বিবেচ্য বিষয়।

     টেবিল অব কনটেন্টঃ আমি সবসময়েই আমার আর্টিক্যালের জন্য কনটেন্ট টেবিল ম্যানুয়ালি ক্রিয়েট করি। অনেক হিসেব নিকেশ করে। অনেক সময় দিয়ে। কোনো প্লাগিন ইউজ করি না।

    আর্টিকেল প্ল্যান, ইনস্ট্রাকশন রেডি এবং অর্ডার

    যদি কীওয়ার্ড ফাইনাল হয়ে যায়, তাহলে এবার আর্টিক্যাল প্ল্যানটা করে ফেলবেন। প্ল্যানে থাকবে কোন কীওয়ার্ড কীভাবে ইউজ করবেন, কতগুলো আর্টিক্যাল সাইটে দেবেন, কীভাবে সিলো স্ট্রাকচার করবেন ইত্যাদি। ইনস্ট্রাকশন রেডি করার জন্য অবশ্যই আপনাকে প্রচুর সময় ব্যয় করতে হবে। যে টপিকে লিখতে দেবেন রাইটারকে সেই টপিক নিয়ে আপনাকে প্রচুর রিসার্চ করতে হবে, পড়তে হবে। তাহলে আপনি সহজেই ধরতে পারবেন আপনার কমপিটিটরের সাইটে কী নাই আর আপনার সাইটে কী দিতে হবে এক্সট্রা। এটা খুবই জরুরী /গুরুত্বপূর্ণ। আমি সব সময় প্রেফার করি ১:৩ অনুপাতে মানি এবং ইনফো আর্টিকেল সাইটে দেওয়ার জন্য।   অর্থাৎ একটা মানে আর্টিকেল সাইটে দিলে তিনটা ইনফো আর্টিকেল দিতে হবে। মানি আর্টিকেল এর জন্য আমাজনের প্রোডাক্ট সিলেকশন আরেকটা জরুরি। মিনিমাম তিনটা এবং ম্যাক্সিমাম ১০টা প্রোডাক্ট আমাজন থেকে চুজ করে নেয়া ভালো। সেগুলোও ইনস্ট্রাকশনে আপনাকে এড করে দিতে হবে।   আরো কয়েকটি জিনিস আছে যেমন- ইমেজ, অডিও, ভিডিও  ইত্যাদি।  একটা বড় অধ্যায় হচ্ছে ইমেজ  ভালো হয় যদি পেট ইমেজ ইউজ করতে পারেন।  সেজন্য শাটারস্টক এবং ডিপোজিটফটোজ হচ্ছে বেস্ট অপশন। যেহেতু এই লেখা টি একটি গাইডলাইন (নিশ সাইট ডেভেলপমেন্ট গাইডলাইন) তাই এখানে আর্টিকেল  কিংবা কনটেন্ট নিয়ে বিস্তারিত বলা যাবে না।  এ বিষয়ে কনটেন্ট এর আদ্যোপান্ত এখানে বিস্তারিত থাকবে ইনশাআল্লাহ।

    নিস সাইট ডিজাইন

    অ্যামাজন নিশ সাইট ডিজাইন নিয়ে বেশি মাথা ঘামানোর আদৌ দরকার নেই। সাইট যতো হালকা-পাতলা হবে ততই ভালো। সিম্পল ইজ দা বেস্ট সলিউশন তাই সবসময় সিম্পল ডিজাইন রাখেন। ডিজাইনের চেয়ে কনটেন্ট গুরুত্বপূর্ণ। আর ভুলে গেলে চলবে না, নিস সাইট সবসময় নিট এন্ড ক্লিন রাখবেন। অবশ্যই লাইটওয়েট। সেটার জন্য অবশ্য ধীরে ধীরে কাজ করতে হবে। সাইটে মোটামুটি ৭০% আর্টিক্যাল দেয়া হয়ে গেলে সাইট ডিজাইনের দ্বিতীয় ধাপে বসবেন। তখন সাইটের খুটিনাটি বিষয়, স্পীড, রেসপনসিভ, এইচটিএমএল এরর ফিক্সিং… ইত্যাদি বিষয়গুলো দেখবেন। শুরুতে ডিজাইন, পেইড থিম, পেইড প্লাগিন ইউজ না করে ফ্রি থিম ও প্লাগিন ইউজ করুন। সময় ও অর্থ দুটোই বাঁচবে।

    নিশ সাইটের জন্য আমার পছন্দের প্লাগিন ও থিম গুলো

    থিম এবং প্লাগিন এর ব্যাপারে কিছু নেট চালু আছে,  যেমন   পেইড থিম এবং প্লাগিন না হলে সাইটের র‍্যাংকে প্রভাব পড়ে।  একটি ভুল ধারণা,  আমি অনেককেই জানি যারা নিশ সাইটে ফ্রী থিম ইউজ করে মাসে 3000 ডলার প্লাস ইনকাম করেন। থিম নিয়ে অযথা ক্যাচালের কিছু নেই। আপনি ইচ্ছা করলে ফ্রি থিম দিয়েও কাজ করতে পারবেন।

    ফোকাসব্লগ – থ্রাইভ থিমসের এই থিমটি একই সাথে লাইটওয়েট, এসইও ফ্রেন্ডলি এবং দৃষ্টিনন্দন। অতিমাত্রায় নান্দনিকতা নেই, তাই বেশ সিম্পল হলেও এটা আমার পছন্দের থিম।

    জেনেসিস থিম – এই থিমটি প্রফেশনাল এফিলিয়েট সাইট বানানোর জন্য বেস্ট।  তবে আপনি চাইলে অন্য কেউ ইউজ করতে পারেন।

    হুরে থিম – থিমটি দেখতে সুন্দর। সাইটে প্রফেশনাল লুক দিতে চাইলে এই থিমটি দারুণ হেল্প করবে। এসইও ফ্রেন্ডলি ফিচারগুলো আমার পছন্দ।

    জেনারেটপ্রেস (generatepress) – জেনারেটপ্রেস এর দু’টো ভার্সন, একটা সাধারণ কিছু ফিচার নিয়ে ফ্রি আর আরও বেশি ফিচার নিয়ে প্রিমিয়াম।

    নতুন যারা শুরু করবেন তারা জেনারেটপ্রেস এর ফ্রি ভার্সনটি ব্যবহার করেই অনায়াসে কাজ চালিয়ে নিতে পারবেন।

    এছাড়া ও Contentberg, Astra theme, Divi, Rehub, Heruld, Focusblog, Studiopress ইত্যাদি এ থিম গুলো থেকে পছন্দের যেকোনো ১টা ব্যবহার করা যেতে পারে।

    ওয়েবসাইট  এর প্রয়োজন অনুসারে কাস্টমাইজেশন সহ অন্যান্য সকল প্রয়োজনে ওয়েবসাইট এ কিছু প্লাগিন ব্যবহার করতে হয়।

    thrive architect:  এই প্লাগিন দিয়ে খুব সহজেই সাইট ডিজাইন, বিভিন্ন ফর্ম, টেবিল তৈরি করা যায়।

    Outbound Link Manager (আউটবাউন্ড লিঙ্ক ম্যানেজার): আপনার ওয়েবসাইট থেকে বাহিরে যে লিঙ্কগুলো যাবে সেগুলোকে বাছাই করে নোফলো করে দেয়ার জন্যে । শুধু অ্যামাজন আর অ্যামাজন এর ইউ আর এল শর্টেরনার এর লিঙ্ক এখানে দিয়ে নোফলো করে দিলেই হবে। বাকি আউটবাউন্ড লিঙ্কগুলো ডুফলো রাখতে পারেন। যেহেতু একই পেইজে অনেকগুলো অ্যামাজন এর অ্যাফিলিয়েট লিঙ্ক ব্যবহার করার প্রয়োজন পড়বে তাই এর সবগুলো ডুফলো থাকলে সমস্যা হয়ে দাঁড়াবে। তাই নোফলো করে দেয়া প্রয়োজন।

    Schema – All In One Schema Rich Snippets (অল ইন ওয়ান স্কিমা রিচ স্নিপেটস): আপনার ওয়েব সাইটের পোস্টের মধ্যে স্কিমা মার্কআপ ব্যবহার করতে চাইলে বেশ সহজেই এই প্লাগইন দিয়ে সেটি করা যাবে। খুব বেশি কাস্টোমাইজেশন করার সুযোগ নেই, কিন্তু বেসিক যা আছে, তা দিয়েও কাজ চালানো যাবে

    Updraftplus: এ প্লাগিন দিয়ে wordpress সাইটকে ড্রাইভে বা dropbox এ backup নেওয়া যায়।

    WPBakery Page Builder:  এটি দ্বারা আমি সাইট ডিজাইন করি, আমার ১টা ফেভারিট প্লাগিন।

    Yoast SEO (ইয়োস্ট এসইও): অন পেইজ এসইওর বেসিক সবগুলো বিষয় খুব সহজেই মেইনটেইন করতে চাইলে ইয়োস্ট এসইও সবচেয়ে দারুণ একটি টুল। এটি সম্পর্কে বিশেষ কিছু বলার নেই। এটি যেকোনো ওয়েবসাইটের জন্যে লাগবেই এমনই একটি প্লাগইন।

    TablePress (টেবিল প্রেস): সুন্দর ও কার্যকরী প্রোডাক্ট কম্পারিজন টেবিল তৈরি করার জন্য খুব ভালো একটি  প্লাগইন। এছাড়া Shortcodes Ultimate প্লাগিন এর সাহায্যে কিছু শর্ট কোড ইউজ করে আর্টিকেলটা সাজিয়ে নিতে পারি।

    ডোমেইন ও হোস্টিং নির্বাচন

    ডোমেইন ও হোস্টিং এর ব্যাপারটা ইচ্ছে করেই অনেক পরে দিলাম।  কারন আমার কাছে মনে হয়,  ডোমেইন-হোষ্টিং নিয়ে এখানে না লেখে সময় পেলে পরে বিস্তারিত লাগবে ইনশাআল্লাহ।

    যারা জানেন না  ডোমেইন ও হোস্টিং কি জিনিস, খায় না মাথায় দেয়; তাদের জন্যে, নিশ সাইটের – ডোমেইন হোস্টিং ..

    তবে ডোমেইন হোস্টিং নিয়ে কয়েকটি কথা না বললেই নয়।  যেমন – আমি সবসময়েই ফ্রেশ ডোমেইন নিয়ে কাজ পছন্দের  করি। আমি নতুনদের অবশ্যই অবশ্যই ফ্রেশ ডোমেইন নিয়ে কাজ করার জন্যে উৎসাহিত করবো। https://www.achieve.org এই সাইট থেকে চেক করে শিউর হয়ে নেব যে সিলেক্ট করা ডোমেইনটা expire domain কিনা expire domain না কেনাই বেটার যদি রিস্ক/এত এক্সপার্টলি রিসার্চ ঝামেলায় না যেতে চান। আর ডোমেইন সিলেকশনের সময় অবশ্যই ব্র্যান্ডেবল ডোমেইন নেয়ার বিষয়টা মাথায় রাখবেন।

    নিস সাইট বিজনেসে ওয়েব হোস্টিং একটা বড় ইস্যু। যদি আপনার সাইট ডাউন থাকে যদি সার্চ ইঞ্জিন আপনার সাইট ভিজিট এ ব্যর্থ হয়, আপনার র‍্যংকিং তখন ক্ষতিগ্রস্থ হয়।  বর্তমান সময়ে এই ইস্যুটা আরও বড় আকারে দেখা দিয়েছে যখন থেকে সাইটের স্পীডও র‌্যাংকিং ফ্যাক্টর হিসেবে যুক্ত করা হয়েছে।

    আর্টিকেল পাবলিশ উইথ প্রোপার স্ট্রাকচার

    আর্টিক্যালের কথা আসলেই প্রথমে যে কথাটা আসে, সেটা হচ্ছে- কনটেন্ট ইজ কিং। তাই অনেকে নেটিভ নেটিভ করে চিল্লান। বিষয়টা নেটিভ রিলেটেড না। আর্টিক্যাল কোয়ালিটি বলতে এখানে বলা হচ্ছে না যে, লেখাটা নেটিভ রাইটার দ্বারা লেখাতে হবে। নাহ, বিষয়টা এমন না। কোয়ালিটি আর্টিক্যাল বলতে বুঝানো হয়েছে- লেখাটা সুখপাঠ্য হতে হবে। লেখাটা হবে সহজবোধ্য এবং রিডারফ্রেন্ডলি। এটাকেই বলবো কোয়ালিটি আর্টিক্যাল। কোয়ালিটি মানে হচ্ছে বঙ্কিমচন্দ্রের ব্যাখ্যা দেয়ার মতো। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় লিখেছেন- “যাহা পড়িবামাত্রই বুঝতে পারা যায় তাহাই উৎকৃষ্ট রচনা”।  শুধু কঠিন-কঠিন শব্দ দিয়ে নির্ভুল বাক্য রচনা করে গেলেই হয় না। তো এই বিষয়টা মাথায় রাখতে পারলে আপনার সাইট পজেটিভ দিকে মুভ নিতে দেরি হবে না। আর কনভার্সন রেটও হবে খুব ভালো।

    আমাকে এক বড় ভাই বলছিলো, “একজন মোটামুটি মানের লেখক/রাইটারকে ভালোভাবে ইনস্ট্রাকশন দিয়েও ভালো মানের আর্টিক্যাল পাওয়া সম্ভব।”

    সাইটে আর্টিক্যাল পাবলিশ করা অনেক সময়সাপেক্ষ ব্যাপার তাই ধৈর্য্য নিয়ে আস্তে আস্তে করতে হয়। আর্টিক্যাল হাতে পাওয়ার পর প্রথমে একটু পড়বেন। যদি দেখেন সুখপাঠ্য তাহলে পুরো আর্টিক্যালটা এক নজর দেখে নিয়ে smallseotools, Grammarly ও কপিস্কেপ প্রিমিয়াম দিয়ে চেক করে নেবেন। এখন তো আবার এআই দিয়ে ও কন্টেন্ট বা আর্টিক্যাল লেখা যায় তবে সেটা মানুষের মতো হয় না তাই এক্সপার্ট দিয়ে লেখাতে পারেন আমাদের টিম মেম্বারদের দিয়ে।

    একটা আর্টিক্যালের শুরুতে একটা ইন্ট্রু থাকে। যেটা ১২০ ওয়ার্ডের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার চেষ্টা করা ভালো। এই ১২০ ওয়ার্ড লেখা দিয়ে অডিয়েন্স প্রয়োজনীয় ইমেজ দেবেন আর্টিক্যালে। বড় প্যারাগ্রাফগুলো ভেঙে ছোট করে দেবেন। কে অবশ্যই আর্টিক্যালের ভেতরে নিয়ে যেতে বাধ্য করতে হবে।

    আর্টিক্যালের দৈর্ঘ্যঃ আর্টিক্যালের দৈর্ঘ্যটা সবসময় গুরুত্বপূর্ণ হয় না। এটা সম্পূর্ণই নির্ভর করে আপনার সিলেক্টেড কীওয়ার্ডের উপর। ধরুন, আপনার যে কীওয়ার্ড, সেটাতে ঐরকম তথ্যই নাই। তো অযথা সেই কীওয়ার্ড দিয়ে পাঁচ হাজার ওয়ার্ড লেখার তো কিছু নাই। ঘুরেফিরে একই কথা চলে আসবে।

    প্রোপার সাইলো স্ট্রাকচার বিল্ড আপ

    প্রাইমারি আর্টিক্যাল পাবলিশ হয়ে গেলে ক্যাটাগরিওয়াইজড একটা সিলো স্ট্রাকচার বিল্ডআপ করে ফেলবেন। সহজ বাংলায় – সিমিলার ক্যাটাগরির আর্টিক্যালগুলোকে ইন্টারলিংকিংয়ের মাধ্যমে একটা বন্ধন তৈরি করা। এটা একেকজন একেকভাবে করে থাকেন। এখানে মানি আর্টিক্যাল এবং ইনফো আর্টিক্যালের রেশিও দেখানো হয়েছে ২৫% :: ৭৫%।

    তো যে বিষয়টা খেয়াল করবেন সেটা হচ্ছে- ইন্টারলিংক করবেন ইনফো আর্টিক্যাল থেকে মানি আর্টিক্যালে। তাহলে মানি আর্টিক্যালের স্ট্রেংথ বাড়বে। পাওয়ার বেশি হবে। কিন্তু পারতপক্ষে মানি আর্টিক্যাল থেকে ইনফো আর্টিক্যালে ইন্টারলিংক করবেন না। যদি করতেই হয়, তাহলে সর্বোচ্চ একটা করবেন এবং সর্বোচ্চ রিলিভেন্সি বজায় রেখে।

    রেগুলার কনটেন্ট আপডেট এবং এড

    অনগোয়িং প্রসেস। সো এটাকে নির্দিষ্ট কোনো ধাপ বলা যাবে না। অর্থাৎ, এই ধাপের মানে হচ্ছে আপনার কাজ মোটামুটি কমপ্লিট। এখন সাইটের কন্টিনিউটি ধরে রাখার জন্য সাইটে রেগুলার কনটেন্ট দিতে হবে কিংবা পুরনো কনটেন্টগুলো আপডেট করতে হবে। কিংবা দু’টোই করতে পারেন।

    নিশ ওয়েবসাইট মেইটেন্যান্স

    এটাও অনগোয়িং প্রসেস। গুগলের রেগুলার আপডেট পড়া, সেই অনুযায়ী সাইটে পরিবর্তন, পরিমার্জন, পরিবর্ধন… ইত্যাদি ঠিকভাবে করা এই ধাপের প্রধানতম কাজ। এছাড়াও হোস্টিংয়ের প্রবলেম আছে কিনা, রেগুলার আপটাইম চেক করা, প্রোডাক্টগুলো আমাজনে এভেইলবেল কিনা… এগুলোও সাইট মেইনটেন্যান্সের অন্তর্ভুক্ত।

    অফ-পেজ – লিংক বিল্ডিং গাইডলাইন এ টু জেড

    মূলত একটা সাইটের জন্য ব্যাকলিংক করাই হচ্ছে অফ  পেজ এসইও।  অফ পেজ এসইও কিভাবে করা হয়-  ব্ল্যাক হ্যাট এসইও, গ্রে হ্যাট এসইও এবং হোয়াইট গ্রে হ্যাট এসইও। আমরা কখনোই ব্ল্যাক হ্যাট এসইও করবো না। ধাপটা তখনই শুরু করবো যখন সাইটের অনপেজের কাজগুলো মোটামুটি কমপ্লিট। ডেসপারেটলি ব্যাকলিংক করে সাইট দ্রুত র‌্যাংক করতে চাইলে হীতে বিপরীত হয়- সাইট পেনাল্টি খায়। তাই এখন অফপেজের কাজগুলো করতে হয় ধীরে-সুস্থ্যে। তো চলুন জেনে নেয়া যাক বেসিক লিংক বিল্ডিং লিস্টে আমি কি কি অন্তর্ভু্ক্ত করেছি।

    • সোশ্যাল প্রোফাইল
    • সোশ্যাল শেয়ার
    • ব্লগ কমেন্ট
    • ফোরাম প্রোফাইল
    • অথরিটি প্রোফাইল
    • অথোরিটি ওয়েবসাইট পোস্ট
    • ওয়েব ২.০

    তাহলে চলুন দেরি না করে এগুলো সম্পর্কে সংক্ষেপে জেনে নেয়া যাক।

    ০১. সোশ্যাল প্রোফাইল

    অ্যামাজন নিশ সাইট এর জন্য এটা কাজ দিবে ব্র্যান্ডিং এর জন্য। সোশ্যাল প্রোফাইল হচ্ছে- সোশ্যাল সাইটগুলোতে একাউন্ট ক্রিয়েট করা।

    যেমন ট্যুইটারে একটা একাউন্ট ওপেন করলে ওখানে আপনার সাইটের জন্য একটা লিংক পাবেন। তেমনি ফেসবুকের পেজ, ইনস্টাগ্রাম, বিহ্যান্স, পিনটারেস্ট… এরকম অনেক সোশ্যাল সাইট আছে।

    এসবের প্রত্যেকটা সাইট থেকেই একটা করে ব্যাকলিংক পাওয়া যায় একাউন্ট ওপেন করলেই। এগুলোকেই আমি বলছি সোশ্যাল প্রোফাইল। এগুলো খুব পাওয়ারফুল নয়, আগেই বলে রাখছি। তবে অ্যাংকর ভেরিয়েশনে দরকার হয়।

    আপনি মোটামুটি ১০-২৫টা সাইটে সোশ্যাল প্রোফাইল ক্রিয়েট করলেই এনাফ। গড়পড়তায় আমি আমার একটা সাইটের জন্য যে ১০-১২টা সোশ্যাল প্রোফাইল ক্রিয়েট করি সেগুলো হচ্ছে:-

    1. facebook.com (মূলত ফ্যানপেজ বানাই)
    2. twitter.com
    3. instagram.com
    4. behance.net
    5. pinterest.com
    6. Academia.edu
    7. Flickr.com
    8. reddit.com
    9. diigo.com
    10. linkedin.com
    11. টিকটক

    ০২. সোশ্যাল শেয়ার

    উপরে যেসব সোশ্যাল প্রোফাইল ক্রিয়েট করেছেন সেগুলোতে অবশ্যই আপনার সাইটের আর্টিক্যালগুলো শেয়ার করবেন। এটাও তেমন গুরুত্বপূর্ণ কিছু নয়, জাস্ট ভেরিয়েশন।

    হয়তো খেয়াল করলে দেখবেন বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এসব সোশ্যাল শেয়ার ইনডেক্স হয় না। তবে করে রাখলে আস্তে আস্তে ইনডেক্স হয়, তখুনি এর ভ্যালুটা এড হয়।

    আমি গুরুত্ব দিই পিনটারেস্ট, ট্যুইটার, ইনস্টাগ্রাম এবং ফেসবুক পেজকে। এই কয়েকটার মধ্যে ভালো করে হ্যাশট্যাগসহ শেয়ার দিলেই যথেষ্ট মনে করি।

    ০৩. ব্লগ কমেন্ট

    আমার মনে হয় এটা একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তবে একই সঙ্গে ব্লগ কমেন্ট বেশ গুরুত্বপূর্ণ আবার ক্ষতিকরও।

    অবশ্য ক্ষতিকর ব্যাপারটা যে অর্থে বলছি সেটা ব্যাকলিংকের সবক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। ব্যাখ্যা করে বলছি, আশা করি বুঝতে পারবেন।

    ফাইভার বা বিভিন্ন গ্রুপে খুঁজলেই দেখবেন পাঁচ ডলারে ১০০/৫০০ ডুফলো কমেন্ট পাওয়া যায়। অর্থাৎ এগুলোই হচ্ছে সাইটের ক্ষতির কারণ।

    ০৪. ফোরাম প্রোফাইল

    ফোরাম প্রোফাইল ক্রিয়েট করার ক্ষেত্রে একেবারে নিস রিলেটেড না পেলে না করার পরামর্শ দেবো।

    আর ফোরামে প্রোফাইল করেই বসে থাকবেন না। অবশ্যই সেখানে কিছু না কিছু একটিভিটিজ করবেন। নয়তো সিগনেচারে আপনার সাইট এড করতে পারবেন না।

    দ্বিতীয় কথা হলো, একটিভিটিজ না থাকলে আপনার একাউন্ট সাসপেন্ড হতে পারে, ডিজেবল করে দেয়া হতে পারে। তাই কিছু একটিভিটিজ অবশ্যই করবেন।

    একটিভিটিজ বলতে, ফোরামের পোস্ট পড়বেন। কমেন্ট করবেন ইত্যাদি।

    আর যদি থ্রেড ক্রিয়েট করার পারমিশন পান তাহলে তো সেটা অনেক ভালো। বড় আর্টিক্যাল লিখে অথোরিটি টাইপ ব্যাকলিংক ক্রিয়েট করতে পারবেন সেখানে।

    ০৫. অথোরিটি প্রোফাইল

    অনেকটা সোশ্যাল প্রোফাইলের মতোই। এখানেও প্রোফাইল ক্রিয়েট করলে একটা ব্যাকলিংক পাওয়া/নেয়া যায়।

    একটা ব্যাপার মাথায় রাখবেন- প্রোফাইল থেকে সবসময় আপনার সাইটের হোমপেজের জন্য ব্যাকলিংক নেবেন। নয়তো প্রোফাইল অটো ডিলিট হয়ে যাবে।

    নিম্নে অথোরিটি সাইটের একটা লিস্ট দেয়া হলো। সাধারণত আমি এই সাইটগুলোই ব্যবহার করি। এগুলো দ্রুত ইনডেক্স হয় এবং সহজে একসেসেবল।

    1. Quora.com
    2. dmca.com
    3. disqus.com
    4. about.me
    5. scoop.it
    6. wn.com
    7. medium.com
    8. buzzfeed.com
    9. gravatar.com
    10. paperblog.com
    11. bizcommunity.com
    12. wordpress.org

    ০৬. অথোরিটি ওয়েবসাইট পোস্ট

    অথোরিটি ওয়েবসাইটে প্রোফাইল ক্রিয়েট করার সাথে সাথে সেখানে আর্টিক্যালও পাবলিশ করা যায়। এবং অনেক সময় এখান থেকে ডুফলো ব্যাকলিংকও পাওয়া যায় সহজে।

    তবে বর্তমান সময়ে বেশিরভাগ-ই নো-ইনডেক্স টাইপ লিংক দেয়। সুতরাং এই বিষয়টা খেয়াল করে নিতে হবে।

    আরেকটা বিষয় হচ্ছে- অথোরিটি ওয়েবসাইটের পোস্ট থেকে সবসময় ইনফো আর্টিক্যালের জন্য ব্যাকলিংক নেবেন। কিংবা হোম পেজের।

    তবে যদি শিউর থাকেন যে সাইটটা ভালো, ইনডেক্সেবল, তাহলে মানি আর্টিক্যালের জন্যও নিতে পারেন।

    এখানে যে আর্টিক্যাল পাবলিশ করবেন, সেটা যেন স্পিন না হয়। চেষ্টা করবেন ভালো মানের আর্টিক্যাল দেয়ার জন্য। আর্টিক্যালের লেংথ কমপক্ষে ৫০০ শব্দের দেবেন। বেশি হলে আরও ভালো। অথোরিটি সাইট ভালো মানের আর্টিক্যাল পেলে সেটাকে ফিচার্ড করে দেয়।

    ০৭. ওয়েব ২.০

    অনেকেই মনে করেন বর্তমান সময়ে ওয়েব ২.০ থেকে নেয়া ব্যাকলিংক তেমন কাজের নয়। আমি শিউর নই এই বিষয়টাতে। সত্য হলেও হতে পারে। কিন্তু আমি এমনও ওয়েব ২.০ সাইট দেখেছি যেটা থেকে ব্যাকলিংক অনেকটা গেস্টপোস্টের মতো ভ্যালু/জুস দিয়েছে।

    তবে অ্যাংকর টেক্সট এবং লিংক ভেরিয়েশনের জন্য ওয়েব ২.০-এর বিকল্প নেই বলেই আমার মনে হয়। ভালো মানের ওয়েব ২.০ থেকে ভালো আর্টিক্যাল দিয়ে ব্যাকলিংক করা অনেক ভালো বলেই মনে করি।

    তবে সমস্যা হলো, বর্তমান সময়ে অনেক ওয়েব ২.০-ই সহজে ইনডেক্স হতে চায় না। আর গুগলে ইনডেক্স না হলে সেই ব্যাকলিংকের যে কোনো ভ্যালু নেই সেটা তো আমরা জানি।

    তাই ভালো করে ওয়েব ২.০ বানাতে হবে। কোথাও থেকে সার্ভিস নিতে হলেও খোঁজ-খবর নিয়ে নিতে হবে।

    উল্লেখযোগ্য ওয়েব ২.০ হচ্ছে:-

    1. wordpress.com
    2. tumblr.com
    3. blogspot.com
    4. yola.com
    5. quora.com
    6. soup.io
    7. sites.google.com
    8. weebly.com
    9. hubpages.com
    10. pen.io

    আমি মোটামুটি এই লিস্টটাই ফলো করি। এখানে ডেডিকেটেড করে লিস্ট দেয়ার মূল কারণই হচ্ছে- অনেকে ইনবক্স করে জানতে চান যে বর্তমানে কোন ওয়েব ২.০ সাইটগুলো কাজ করে? আসলে সেভাবে বলতে গেলে কোনোটাই কাজ করে না আবার সবই কাজ করে। অর্থাৎ আপনি কেমন করে ওয়েব ২.০ সাইটগুলো বানাচ্ছেন সেটার উপর অনেক কিছু নির্ভর করছে।

    না, ওয়েব ২.০ সাইট বানানোর জন্য আলাদা প্রক্সি বা আইপি ইউজ করার দরকার নেই। স্বাভাবিক ব্রাউজার ইউজ করে বানালেই চলবে। অনেকে আবার বলেন একটা গুগল/জিমেইল দিয়ে সবগুলো ওয়েব ২.০ সাইট বানালে গুগল ফুটনোট বুঝতে পারে। আমি বলবো এই কথার কোনো ভিত্তি নেই। তারপরও যদি আপনার মনে সন্দেহ থাকে তাহলে আপনি হটমেইল কিংবা ইয়াহু মেইল ইউজ করে একাউন্ট ক্রিয়েশন করতে পারেন। কিন্তু আমি প্রয়োজন দেখি না।

    গেস্টপোস্ট এবং এডিট লিংকস

    গেস্ট পোস্ট হচ্ছে আপনার রিলেভেন্ট সাইট/ নিস থেকে আর্টিকেল দিয়ে লিংক নেয়া।  এডিট লিংকসটা হলো- এক্সিসটিং একটা পোস্ট থেকে লিংক নেয়। এই পদ্ধতি ফলো করার জন্য আপনি খোঁজে বের করবেন আপনার মানি আর্টিক্যালের রিলেটেড ইনফো আর্টিক্যাল। তারপর সাইট অউনারকে অফার করবেন আপনার আর্টিক্যালটি ঐ পোস্টে লিংক করার জন্য কারণ আপনারটা বেশি ইনফরমেটিভ এবং ভ্যালুয়েবল।

    নিস সাইট প্ল্যান: টাইমলাইন

    এতোক্ষণ প্ল্যানিংয়ের ধাপসমূহ নিয়ে কথা বলার চেষ্টা করেছি। অ্যামাজন নিশ সাইট এর জন্য এবার ধাপগুলো কাজে লাগিয়ে কিংবা ধাপগুলো সম্পাদন করার জন্য একটা টাইম ফ্রেম বেধে দেয়া হবে। এটাই হচ্ছে মূল প্ল্যানিং।

    • প্রথম মাস: নিস আইডিয়া সিলেক্ট + ডোমেইন ও হোস্টিং কেনা + কীওয়ার্ড রিসার্চ ও কম্পিটিটর এনালাইসিসে কম পক্ষে ১ মাস। সময় থাকলে ২ মাস ও সময় নেওয়া ভালো।
    • দ্বিতীয় মাস: আর্টিক্যাল ইনস্ট্রাকশন রেডি এবং অর্ডার প্লেসড + ওয়েবসাইট ডিজাইন + মিনিমাম ২-৬ টি মানি আর্টিক্যাল পাবলিশ।
    • তৃতীয় মাস: মিনিমাম ১০-১৫টি ইনফরমেটিভ আর্টিক্যাল পাবলিশ + ৫টি করে সোশ্যাল প্রোফাইল এবং অথোরিটি প্রোফাইল ক্রিয়েশন এবং হোমপেজ ব্যাকলিংক করা + গুগল ওয়েব মাস্টার সেটাপ + সাইটম্যাপ সাবমিট + গুগল এনালাইটিকস সেটাপ + কিছু সোশ্যাল শেয়ার + কিছু ব্লগ কমেন্ট।
    • চতুর্থ মাস: রেশিও ফলো করে আরও মানি আর্টিক্যাল এবং ইনফো আর্টিক্যাল পাবলিশ + ১০টি সোশ্যাল প্রোফাইল এবং ২০টি অথোরিটি প্রোফাইল ক্রিয়েশন এবং হোমপেজ ব্যাকলিংক করা + কিছু ব্লগ কমেন্ট।
    • পঞ্চম মাস: আর্টিক্যালগুলো আপডেট (আপডেটের কাজ প্রতিমাসে করা ভালো। বিশেষ করে মানি আর্টিক্যালগুলো) + সাইটের আর্টিক্যালগুলোর সোশ্যাল শেয়ার। উল্লেখ্য, সাইটে মোটামুটি আর্টিক্যাল দেয়া হয়ে গেলেই সোশ্যাল শেয়ার রেগুলার করতে হবে। একসাথে সবগুলো আর্টিক্যাল শেয়ার না দিয়ে নিয়ম করে অল্প অল্প শেয়ার করা ভালো ।
    • ষষ্ঠ মাস: বাছাইকৃত ১০টা ওয়েব ২.০ সাইটে ১০টা ওয়েব ২.০ ব্লগ বানান। প্রতিটা ব্লগকে টায়ার টু করতে পারেন। তারপর প্রতিটা ব্লগ থেকে আপনার সাইটকে লিংক দিন। অধিকতর নিরাপদ থাকার জন্য মানি আর্টিক্যাল, ইনফো আর্টিক্যাল এবং হোমপেজকে রেশিও ধরে লিংক দিন + মূল সাইটের আর্টিক্যাল সোশ্যাল শেয়ার করতে ভুলবেন না + ব্লগ কমেন্ট।
    • সপ্তম মাস: এই মাস থেকে গেস্টপোস্ট শুরু করতে হবে। গেস্ট পোস্ট করবেন খুবই ধীরে ধীরে। প্রতি মাসে হোম পেজের জন্য ম্যাক্সিমাম ২টা (যদি হোম পেজের জন্য গেস্ট পোস্ট করেন হবে) এবং মানি আর্টিকেল এর জন্য সর্বোচ্চ ২টা।
    • অষ্টম মাস: প্রথম ফলোআপ- প্রথমবারের মতো সাইটের ফলোআপ লক্ষ্য করুন। অর্থাৎ গুগল ওয়েব মাস্টার টুলস, গুগল এনালাইটিকস, এরেফস… ইত্যাদি টুলস দিয়ে সাইটের অবস্থান লক্ষ্য করুন। সার্ফফক্স বা এরকম টুলস দিয়ে কীওয়ার্ডগুলোর অবস্থান মনিটর করে দেখতে পারেন কী অবস্থা। এই মনিটরিংয়ের উপর নির্ভর করেই পরবর্তী প্রদক্ষেপ নিতে হবে। যেমন সাইটে আরও কী পরিমাণ আর্টিক্যাল দিতে হবে, কতগুলো গেস্টপোস্ট করতে হবে, বেসিক লিংক বিল্ডিং আর লাগবে কিনা, কীওয়ার্ড এবং আর্টিক্যালের অবস্থান কতটুকু পজিটিভ ইত্যাদি ইত্যাদি।
    • নবম মাস: গত মাসে ফলোআপ করে যে রেজাল্ট পেয়েছেন সেটার উপর ডিপেন্ড করে এই মাস থেকে কাজ শুরু করবেন। যেমন- সাইটে আর কী পরিমাণ আর্টিক্যাল লাগবে এবং গেস্টপোস্টের সংখ্যা। তবে আমার মতে, আর্টিক্যাল প্ল্যানিংয়েই আর্টিক্যাল সংখ্যাটা ঠিক করে নেয়া ভালো। সুতরাং এই মাসে সেভাবে রেশিও হিসেব করে আর্টিক্যাল পাবলিশ + ২টা গেস্টপোস্ট + এডিট লিংকস এবং সিক্রেট লিংকসের জন্য চেষ্টা করতে পারেন + সোশ্যাল শেয়ার + ব্লগ কমেন্ট।
    • দশম মাস: নতুন আর্টিক্যাল পাবলিশ + গেস্টপোস্ট + এডিট লিংকস এবং সিক্রেট লিংকসের জন্য চেষ্টা করতে পারেন + সোশ্যাল শেয়ার + প্রতিদিন ২/৩টা করে ব্লগ কমেন্ট। আপনার যদি এক্সিসটিং আমাজন এফিলিয়েট একাউন্ট থাকে তাহলে তৃতীয় মাসের শেষের দিকেই সাইটে এফিলিয়েট লিংক বসিয়ে দিতে পারেন। আর যদি আমাজন এফিলিয়েট একাউন্ট না থাকে তাহলে সাইটে অন্তত ৩০+ আর্টিক্যাল দিন এবং বেশিরভাগই ইনফো আর্টিক্যাল। আর তারপর সাইটে অন্তত মাসে ৫০০+ ট্রাফিক আসার জন্য অপেক্ষা করুন। তারপর আমাজন একাউন্টের জন্য আবেদন করবেন। ইনশাআল্লাহ একাউন্ট দ্রুত এপ্রুভাল পাবেন।
    • একাদশ মাস: নতুন আর্টিক্যাল পাবলিশ + গেস্টপোস্ট + এডিট লিংকসর জন্য চেষ্টা করতে পারেন + সোশ্যাল শেয়ার + প্রতিদিন ২/৩টা করে ব্লগ কমেন্ট। প্রোডাক্ট কোয়ালিটি ঐ সময়েই চেক করতে হবে। প্রয়োজনে প্রোডাক্ট রিপ্লেস করতে হবে।
    • দ্বাদশ মাস: আমার মনে হয়, উপরের সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে এই মাসে এসে আপনি মোটামুটি শিউর হয়ে যেতে পারবেন সাইটটা নেক্সট কতদিনের মধ্যে ফ্লিপ করতে পারবেন। তবে সাধারণত ১২ মাসের মাথায়ই সেটা শিউর হওয়া যায়।

    প্রশ্নঃ  আপনি কি অ্যামাজন নিশ সাইট ডেভেলপমেন্ট এর কোন কাজ  করেন?  আমরা কি নিশ সাইট ডেভেলপমেন্ট কোন সার্ভিস কিনতে পারব?

    উত্তরঃ   হ্যাঁ,  আমরা অ্যামাজন এ্যাফিলিয়েট নিশ ওয়েবসাইট ডেভেলপমেন্ট এর সকল কাজ করি।  আপনি সকল সার্ভিস কিনতে পারবেন ? –  এই প্রশ্নের জবাব সহজে বলা যায় না । আবার হ্যাঁ , শর্ত সাপেক্ষে  আপনি আমাদের সার্ভিস নিতে পারবেন।  আমি বারবার বলি,  শুধুমাত্র অর্থ দিয়ে  এই সেক্টরে সফলতা পাওয়া সম্ভব না।  সফল হতে হলে আপনাকে বিষয়টি সম্পর্কে অউন করতে হবে।  গণহারে অ্যামাজন নিশ সাইট এর সার্ভিস কিংবা সিল করি নাই আবার করার কোনো ইচ্ছে নেই।  তবে যদি প্রমাণ হয় আপনার আগ্রহ আছে,  সত্যিকার অর্থে কাজ করতে চান , কাজের ভ্যালু সম্পর্কে বুঝেন এই শর্তগুলো মানলে হয়তো আপনাকে আমরা সকল সার্ভিস দিব ইনশাআল্লাহ।  এ ব্যাপারে যদি আপনাদের কোন মতামত থাকে সেটা আমাদেরকে জানাতে পারেন।।

    ব্যক্তিগতভাবে আমি চাই, আপনারা সফলতা, অসফলতা, ব্যর্থতা, অর্থবিত্ত, প্রতিপত্তি… কোনটার পেছনেই না ঘুরেন। নিজের দক্ষতা বাড়ান যতোটা পারেন। ইনশাআল্লাহ অর্থ, সফলতা, ইনকাম, প্রতিপত্তি সবই আপনার দরজায় এসে ঠক-ঠক করে কড়া নাড়বে। তাই ইনকামও চিন্তা না করে,  আপনার নিজের,  টিমের দক্ষতা বাড়ান।  ভালো কিছু করতে হলে পরিশ্রম করে যান।  আল্লাহ  সুবহানাহু তায়ালা তাকে সাহায্য করেন যে নিজে নিজের সাহায্য করে।

    আজ এ পর্যন্তই,  সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। ভালো থাকুন, ভালো রাখুন। হ্যাপি এফিলিয়েট মার্কেটিং!

    আমার কাছে অনেকে জানতে চেয়েছেন, আমাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং কি? (What is Amazon affiliate marketing) এবং কিভাবে আমাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং করে টাকা আয় করবেন সেই ব্যাপারে নিচে কিছু FAQ আকারে আপনাদের প্রশ্নের জবাব দিচ্ছি।

    প্যাসিভ ইনকাম কী?

    প্যাসিভ ইনকাম হলো এমন একটি উপার্জন ব্যবস্থা যেখানে টাকা রোজগার করতে গেলে আমাদের সবসময় কাজ করতে হয় না বা যেটা করতে গেলে আপনাকে সবসময় এর সাথে লেগে থাকত হবে না। বাস্তবিক উদাহর হিসেবে বলা যায়, আপনি একটি বাড়ি বানালেন ভাড়া দেয়ার উদ্দেশ্যে। বাড়ি বানাতে আপনার সময়, শ্রম, ও অর্থ সবই দিতে হয়েছে। এবার মাসে মাসে আপনি ভাড়া পাচ্ছেন, কিন্তু আপনার ওই আয়ের জন্য আর কিছুই করতে হচ্ছে না। ​এটা অফলাইনে প্যাসিভ ইনকামের চমৎকার একটি উদাহরন। অনলাইনেও বিভিন্ন জনপ্রিয় প্যাসিভ ইনকামের মধ্যে জনপ্রিয় হচ্ছে এফিলিয়েট মার্কেটিং,এডসেন্স, অনলাইন কোর্স, ইবুক, স্টক ফটো, নিজস্ব ডিজিটাল প্রোডাক্ট ইত্যাদি। । প্যাসিভ ইনকাম করা যায় এমন ব্যবসাগুলির মধ্যে সবথেকে ভালো হলো এফিলিয়েট মার্কেটিং। পর্যাপ্ত রিসার্চ আর পরিশ্রম দিয়ে এফিলিয়েট মার্কেটিং হতে পারে একটি উন্নত প্যাসিভ ইঙ্কাম মাধ্যম। যখন আপনার একটি প্যাসিভ ইনকাম ব্যবস্থা থাকবে তখন আপনি থাকবেন স্বাধীন। ঝামেলা মুক্ত এক আনন্দময় জীবন আপনার জন্য। আপনি দীর্ঘ সমুদ্র ভ্রমণ করে আসতে পারেন।

    অ্যামাজন এফিলিয়েট কেন করবেন?


    আমাকে অনেকেই প্রশ্ন করেন অনলাইন থেকে কিভাবে প্যাসিভ ইনকাম জেনারেট করা যায়? তার আগে বলে নেই, কেন আপনার অ্যামাজন এফিলিয়েট করা উচিত কারণ অ্যামাজন এফিলিয়েট হলো প্যাসিভ ইনকাম। এই পদ্ধতি গুলোর মাধ্যমে আপনি যে কাজ করবেন। সেই কাজ গুলো আপনাকে প্রতিনিয়ত করতে হবেনা। বরং কোনো একটা সময় এই কাজগুলো সম্পন্ন করলে পরবর্তীতে আপনার অটোমেটিক ইনকাম জেনারেট হতে থাকবে। প্যাসিভ ইনকামে কাজের স্বাধীনতার সুবিধা ভোগ করতে পারবেন। আপনি অ্যামাজন এফিলিয়েট করার হিডেন ট্রিকস গুলো জানতে পারেন। তাহলে আপনাকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হবে না। তাই প্যাসিভ ইনকামের মাধ্যেমে আপনার জীবন গড়তে আপনি অবশ্যই আমাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং করা উচিত।

    অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং (What is Amazon Affiliate Marketing in Bangla) : ঘরে বসে আয় এটা কি সত্যি?

    অ্যামাজন বিশ্বের সবচেয়ে বিখ্যাত অনলাইন বিপণন প্ল্যাটফর্ম যা নিয়ে কোন সন্দেহ নেই। এখানে আমাজন এফিলিয়েট প্রোগ্রাম চালু রয়েছে। আপনি যদি একজন আমাজন এফিলিয়েট মার্কেটার হয়ে হাজার ডলার ইনকাম করতে চান,তাহলে অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং আপনার জন্য ভালো। পড়াশোনা বা চাকরির পাশাপাশি ঘরে বসে আয়ের একটি উৎস হতে পারে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। আপনি অনলাইনে কোনো পণ্য বিক্রি করতে চাইলে সে প্রতিষ্ঠান আপনাকে তাদের পণ্যের একটা লিংক দিবে। আপনার দেয়া লিংকের মাধ্যমে কোন গ্রাহক যদি তাদের ওয়েবসাইটে ঢুকে এবং পণ্য ক্রয় করে, তাহলে ওই প্রতিষ্ঠান আপনাকে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ কমিশন দেবে। এই কমিশনের মাধ্যমে অর্থ আয় করার মাধ্যকেই বলা হয় অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। অ্যামাজন এর মতো অনেক কোম্পানি অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম এর মাধ্যমে বিপণনকারীদের এবং অনলাইন মার্কেটারদের কাছে একটি আকর্ষণীয় ও বিশ্বাসযোগ্য প্ল্যাটফর্ম। বেশ কয়েকভাবে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ে কাজ শুরু করতে পারেন- সোশ্যাল সাইটে লিংকগুলো শেয়ারিংয়ের মাধ্যমে, ল্যান্ডিং পেইজ তৈরির মাধ্যমে, ব্লগ সাইট বা ওয়েবসাইট তৈরির মাধ্যমে। সবচেয়ে ভালো পদ্ধতি হলো ওয়েবসাইট তৈরি করে কাজ করা। তবে গতানুগতিক ওয়েবসাইট থেকে এ ওয়েবসাইটের ধরন একটু আলাদা হবে। এটাকে আমরা অ্যামাজন নিশ সাইট ডেভেলপমেন্ট বলি। অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে ঘরে বসে আয় করা যায় এটা সত্যি তবে সে জন্য আপনাকে ভালো গাইড লাইন ফলো করে নিশ সাইটের মাধ্যমে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করতে হবে।

    অ্যামাজন নিস সাইট তৈরি করতে কি প্রয়োজন হয়?


    ​একটি অ্যামাজন এফিলিয়টে নিশ সাইট তৈরি করতে শুরুতেই আপনাকে একটি নিশ সিলেক্ট করতে হবে, এছাড়া ও নিচের কাজ গুলো করে নিতে হয়। যেমনঃ
    ​সঠিক নিস রিসার্চ
    ​কীওয়ার্ড রিসার্চ করা
    প্রডাক্ট বাছাই করন
    ​ডোমেইন-হোস্টিং কেনা
    ​ওয়েবাসইট ডিজাইন করা (ওয়ার্ডপ্রেস ইনস্টল)
    অন পেইজ এসইও আর অফ পেইজ এসইও করা
    ​আর্টিকেল, রিভিউ/কনটেন্ট পাবলিশ করা
    ​ওয়েবসাইট র‌্যাংক করানোর জন্য SEO করা, ইত্যাদি।

    নিশ কত প্রকার ও কি কি? (what is Niche In Bangla)

    নিশ বলতে বুঝায়, কোন একটা টপিক বা ক্যাটাগরি অথবা টার্গেটেড কোনো কন্টেন্ট। আপনার ওয়েবসাইটটিতে কোন ক্যাটাগরির বা টপিকের কন্টেন্ট নিয়ে কাজ করতে চাচ্ছেন সেটাই নিশ। নির্বাচিত নিস সাইটে ভালো আর্টিকেল বা প্রোডাক্ট থাকতে হবে ও নিশের কন্টেন্ট গুলোর চাহিদা সারাবছর থাকতে হবে। নিশ সাধারনত ৩ প্রকার যথাঃ ব্রড নিশ (Broad Niche),মাইক্রো বা ন্যারো নিশ (Micro / Narrow Niche) ও স্পেসিফিক নিশ (যদি একটা সাইটে একটি টপিক নিয়ে কাজ করা হয় তাহলে সেই সাইটকে আমরা বলতে পারি স্পেসিফিক (Specific) নিশ সাইট। যেমনঃ doggy health) আবার যদি মাইক্রো বা ন্যারো (Micro / Narrow) নিশকে একাধিকবার ভেঙ্গে একটা ডোমেইন বা সাইটে একধিক ক্যাটেগরির টপিক নিয়ে কাজ করা হয় তখন সেই সাইটে বলা হয় মাল্টি নিশ সাইট। Niche কেন গুরুত্বপূর্ণ, নিশ কত প্রকার,নিস সাইট কি আশা করি এ প্রশ্নগুলো জবাব পেয়েছেন।

    সহজেই কিভাবে নিশ সিলেক্ট করবেন? (How to select Niche in Bangla)


    নিশ বলতে আমরা বুঝি কোন একটি টপিক বা ক্যাটাগরি। আপনি মূলত কি নিয়ে কাজ করতে চাচ্ছেন সেটাই হচ্ছে নিশ। নিশ সিলেকশনের বেশ কিছু টার্মস্ অ্যান্ড কন্ডিশন আছে যা মানলে খুব সহজেই ভালো একটি নিশ সিলেক্ট করা যায়। কিভাবে ভ্যালুয়েবল নিশ সিলেকশন করবেন? এজন্য দেখতে হবে, আপনি কোন বিষয়ে বেশি পারদর্শী বা কোন বিষয় ভাবতে পছন্দ করেন, টার্গেটেড নিশে অডিয়েন্স সিলেকশন করতে পারা, সার্চ ভ্যালু, অডিয়েন্স ভ্যালু,ইনকাম ভ্যালু এগুলো দেখে নিস সিলেক্ট করবেন। “নিস”- খুবই সেনসিটিভ একটি বিষয়। এ বিষয়ে বিস্তারিত আমাদের কিভাবে নিস সাইট থেকে ইনকাম করবেন এখানে পাবেন।

    আমাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং কিভাবে শুরু করবো?


    অন্যের পণ্যকে নিজের কোনো প্লাটফার্ম এর মাধ্যমে বিক্রিয় করে কিছু টাকা কমিশন এর মাধ্যমে ইনকাম করাকে বলা হয় অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। আপনি আপনার নিশ সাইট, বা অন্য কোন ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করে “Amazon Associates Program” এ জয়েন হলে Products এর প্রচার করার জন্য আপনাকে একটি বিশেষ referral link দেওয়া হবে। আপনাকে সেই বিশেষ referral link এর দ্বারা products বিক্রি করাতে হবে এবং তাহলেই সেই বিক্রির বিপরীতে কমিশন পাবেন। আর এভাবেই খুব সহজে নিস সাইট তৈরী করে আমাজন থেকে অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এই প্রক্রিয়া ব্যবহার করে আপনি প্রচুর টাকা ইনকাম করতে পারবেন। তাই বলা যায়, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করা তেমন কঠিন কিছু নয়। জাস্ট প্রোডাক্ট সিলেক্ট, সেলস ফানেল (নিশ সাইট বা অন্য কোন প্লাটফরম) ও ট্রাফিক জেনারেশান করে শুরু করে দিতে পারেন এফিলিয়েট মার্কেটিং।

    মানুষ প্রতিদিন আরো বেশি অনলাইন নির্ভর হয়ে পড়ছে সুতরাং অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর ভবিষ্যত যে উজ্জ্বল তা নিশ্চিতভাবেই বলা যায়। এফিলিয়েট মার্কেটিং ( Affiliate Marketing ) করে আয় করে মাস শেষে বড় একটা এমাউন্টের প্যাসিভ ইনকাম করা সম্ভব। আপনার অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং ( Affiliate Marketing ) এর পথচলা শুভ করতে আমরা আছি আপনার পাশে। আপনি যদি “অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং” এর বিষয়ে সিরিয়াস হয়ে থাকেন এবং এফিলিয়েট মার্কেটিং কো আপনার ক্যারিয়ার হিসেবে নেয়ার জন্য একটি সঠিক গাইডলাইন পেতে চান, তবে “অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং” নিয়ে আমার প্রজেক্ট এ ভর্তি হতে পারেন। এটা কোন শুধু কোর্স নয় বরং তার থেকেও বেশি কিছু, লাইভ প্রজেক্ট (অর্থাৎ এই সাইট টির ডোমেইন কেনা থেকে শুরুকরে হোস্টিং, ডিজাইন, আউটরিচ, এবং ইনকাম জেনারেটের প্রতিটি ধাপ দেখাবো। যাতে করে স্টুডেন্টরা অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কোর্সের পাশাপাশি এ ব্যাপারে প্রাকটিক্যাল ধারনা পায়।) । আমরা আপনাকে সাথে নিয়েই নিশ সাইট ডেভেলপমেন্ট করে ইঙ্কাম জেনেরেট করবো ইনশাআল্লাহ।

    লাইভ প্রজেক্ট এবং কোর্স ফি সম্পর্কে জানতে ক্লিক করুন

  • How to Advanced Keyword Research bangla Tutorials

    keyword research in bangla আজকে এটাই আমাদের মূল টপিক্স, আমাদের keyword research in bangla এই বিষয়ে যাওয়ার আগে আমাদের ফান্ডামেন্টাল কিছু বেসিক বিষয় জেনে নিতে হবে, যেমনঃ কীওয়ার্ড রিসার্চ কি? কিভাবে কীওয়ার্ড রিসার্চ করে? ইত্যাদি। তো শুরু করি, আচ্ছা আমরা জানি যে, Keyword Research হলো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। Keyword research এমন একটি প্রসেস (process) বা প্রক্রিয়া যার ব্যবহার করে আমরা Google search engine এ সব থেকে বেশি সার্চ হওয়া শব্দ, বাক্য (sentence) বা প্রশ্ন গুলি খোঁজার জন্য প্রয়াস বা গবেষণা (research) করতে পারি।

    আপনার ওয়েবসাইট কে Rank করানোর জন্য Keyword research এর কোনো বিকল্প নেই। এছাড়াও অন পেজ এসইও (on-page SEO Bangla) এর মূল কেন্দ্রবিন্দু হলো, কিওয়ার্ড রিসার্চ।

    কীওয়ার্ড রিসার্চ (Keyword Research) কে ইন্টারনেট জগতের হৃদপিন্ড বলা হয়। আপনি ব্লগিং, ইউটিউবিং, এসইও যাই করুন না কেন কীওয়ার্ড রিসার্চ ছাড়া আপনি সফল হতে পারবেন না। কীওয়ার্ড রিসার্চ করে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে পারলে ইন্টারনেট জগতে আপনার সফল হওয়ার সম্ভাবনা ১০০%।

    কিওয়ার্ড রিসার্চ কি ? কিওয়ার্ড রিসার্চ  কিভাবে করতে হয়?

    অনপেজ এসইও করার জন্য কীওয়ার্ড রিসার্চ টুল অতীব গুরুত্বপূর্ণ। কীওয়ার্ড রিসার্চ ব্যাতীত আপনি আপনার ব্লগ পোস্ট, ভিডিও বা ইন্টারনেটের মধ্যে নিহিত যেকোনো কিছু rank করাতে পারবেন না। এসইও এর অন্যতম শর্ত হলো কীওয়ার্ড রিসার্চ করা।

    Keyword research কি ? এই প্রশ্নের উত্তর জানার জন্য আপনার সবচে আগেই জেনে নিতে হবে যে “কীওয়ার্ড মানে কি“.

    সাধারনত মানুষ অনলাইন যা কিছু লিখে সার্চ করে। সেগুলো প্রত্যেকটি এক একটি কিওয়ার্ড। অর্থ্যাৎ, আমরা যখন গুগল বা ইউটিউবের সার্চ বক্সে কোনো কিছু লিখে Search করি। আমাদের লেখা সেই শব্দ গুলোকে বলা হয়, Keyword.

    Keyword মানে কি ? (What Is Keyword in Bangla)

    আমরা যখন গুগল সার্চে (Google search Engine) কিছু সমস্যা বা বিষয় নিয়ে সার্চ করি, তখন আমরা কি লিখি ? “ডিজিটাল মার্কেটিং কিভাবে শিখবো”, “কিওয়ার্ড রিসার্চ কেন এত গুরুত্বপূর্ণ”, “কীওয়ার্ড রিসার্চ মানে কি ? (What Is Keyword Research)”, “Keyword কাকে বলে” এবং এরকম কিছু শব্দ বা বাক্য লিখে গুগল সার্চ করি। গুগল সার্চে লিখা এই ধরণের “শব্দ” বা “বাক্য” গুলোকেই বলা হয় কীওয়ার্ড (Keyword)।

    যেকোনো কীওয়ার্ড একটি শব্দের হতে পারে বা একের অধিক বেশি শব্দের কোনো বাক্য ও হতে পারে।

    যেমন, “Keyword Research Tutorial in Bangla” অথবা “How to keyword research in bangla” এবং “Keyword কেন ব্যবহার করা হয়” দুটোই কিন্তু keywords. আরো সোজা ভাবে বললে, একটি কীওয়ার্ড মানে হলো “আপনি গুগল সার্চ ইঞ্জিনে, bing search বা yahoo search ইঞ্জিনে যা লিখে সার্চ করছেন” সেই শব্দ বা শব্দের সমষ্টি (বাক্যটি) হলো কীওয়ার্ড।


    যদি আপনারা আমার লিখা এই আর্টিকেলের (পোস্ট) কি কি কীওয়ার্ড ব্যবহার করেছি সে ব্যাপারে বলেন, তাহলে দেখুন আমি এখানে  “কীওয়ার্ড রিসার্চ কিভাবে করবো বা Keyword Research কি?”, “কীওয়ার্ড রিসার্চ কি”, “Keywords কি“, “কিওয়ার্ড রিসার্চ কেন এত গুরুত্বপূর্ণ“, “কীওয়ার্ড রিসার্চ ফ্রীতে কিভাবে করতে হয়”,“সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO)কী “, “কিওয়ার্ড রিসার্চ কিভাবে করতে হয়” এই কীওয়ার্ড গুলি টার্গেট করে আর্টিকেল লিখেছি। তাই, এই বিষয়ে জানতে আগ্রহী এমন কেউ যদি উপরের কোন  keywords গুলো দিয়ে গুগলে সার্চ করেন, তাহলে হয়ত আমার ব্লগ বা আর্টিকেল গুগল তার সার্চ রেজাল্টে দেখাবে।

    তাহলে এখন আপনারা বুঝতে পারছেন, কিওয়ার্ড একটি আর্টিকেলের এমন এক বা একাধিক শব্দ যা সম্পূর্ণ আর্টিকেলের বিষয়বস্তুকে প্রকাশ করতে পারে। যেমন, এই আর্টিকেলের জন্য keyword নির্বাচন করা হয়েছে “কিওয়ার্ড রিসার্চ কি ? কিওয়ার্ড রিসার্চ  কিভাবে করতে হয়?”। কিওয়ার্ড দেখেই বোঝা যাচ্ছে আর্টিকেলটিতে কোন বিষয়ে আলোচনা করা হবে বা কি কি থাকতে পারে। লক্ষ্য করলে দেখবেন আমরা যখন কোনো বিষয়ে ইন্টারনেটে (গুগল সার্চে (Google search Engine এ) খোঁজ করি, তখনও এই কিওয়ার্ডগুলো ধরেই সার্চ করা হয়। আর গুগল সার্চে আমরা আমাদের আগ্রহের বিষয়টা দেখি।

    উদাহরণস্বরূপ যদি বলি, আপনি যদি গুগলে ফ্রী কিওয়ার্ড রিসার্চ করার টুলস সম্পর্কে সার্চ করতেন তাহলে কি লিখে করতেন?

    1. ফ্রী কিওয়ার্ড রিসার্চ করার টুলস?
    2. কিওয়ার্ড রিসার্চ করার ফ্রি টুলস
    3. ফ্রীতে keyword রিসার্চ করার উপায়
    4. কিওয়ার্ড রিসার্চ করার সেরা টুলস? 
    5. বাংলা কিওয়ার্ড রিসার্চ করার টুলস- ফ্রি,  ইত্যাদি।

    একটু ভালো করে লক্ষ্য করলে দেখবেন প্রতিটি লাইনেই আমাদের কিওয়ার্ডটি রয়েছে। কিন্তু আপনি কিভাবে জানবেন, লোকজন কোনটি নিয়ে বেশি সার্চ করছে? কিংবা কোন কিওয়ার্ডটিকে মেইন কিওয়ার্ড হিসেবে বাছাই করলে Rank করা সম্ভব? এই জায়গাতেই কিওয়ার্ড রিসার্চ করার গুরুত্ব চলে আসে।

    যাই হোক আমাদের সকলের ধারণা এখন নিশ্চয় পরিস্কার যে, কিওয়ার্ড আসলে হল  এক বা একাধিক শব্দের সমষ্টি যেটা দিয়ে google, Yahoo, Bing,DuckDuckGo বা অন্য কোনো সার্চ ইঞ্জিনে এমন কি YouTube, Facebook এ কিছু search করলে আমাদের কাঙ্খিত search result টি আমাদের সামনে চলে আসে।

    কিওয়ার্ড কত প্রকার (types of keywords in Bangla)

    আপনি দেখে থাকবেন আমরা কিন্তু সব সময় এক ধরনের কিওয়ার্ড দিয়ে সার্চ করিনা। যেমন ধরুন – আপনি যদি google এ গিয়ে ” Facebook account login ” লেখেন আপনি প্রথমেই ফেসবুক এর ওয়েবসাইট দেখতে পাবেন কারন আপনি এই কীওয়ারড দিয়ে চাচ্ছেন ফেসবুকে লগ ইন করতে।

    আবার আপনি যদি লেখেন ” অ্যামাজন নিশ সাইট ডেভেলপমেন্ট গাইডলাইন এ টু জেড ” গুগল বোঝে আপনি “অ্যামাজন নিশ সাইট কিভাবে বানাবেন” এ বিষয়ে জানতে চাইছেন। তখন আপনাকে যেই সাইট এ বিষয়ে বিস্তারিত গাইডলাইন দিয়ে আরটিক্যাল লেখেছে তাদের কে Google SERPs এ দেখাবে। আপনিও “অ্যামাজন এফিলিয়েট সাইট কিভাবে বানাতে হয়” এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পেয়ে গেলেন।  সুতরাং আপনি নিজেই যেমন বিভিন্ন পরিস্থিতিতে বা সময়ে অনেক রকম উদ্দ্যেশে বিভিন্ন query সার্চ দেন সেরকমই বিভিন্ন জনের বিভিন্ন রকমের এর search query র উপর নির্ভর করে কিওয়ার্ডগুলোকে ভাগ করা হয় সুবিধার জন্য।

    কিওয়ার্ড কি এবং কিওয়ার্ড কত প্রকার এই প্রশ্নের বিস্তারিত সমধান নিয়েই আমাদের আজকের এই আর্টিকেল। কিওয়ার্ড কত প্রকার এই প্রশ্নের সঠিক কোন উত্তর নেই। উপরের উদাহরণ এর মাধ্যমে আমরা জানি বিভিন্ন বিষয়বস্তুর উপর ভিত্তি করে keyword এর অনেক ধরণের প্রকারভেদ হয়ে থাকে। 

     দৈর্ঘ্য বা legnth এর উপর নির্ভর করে কিওয়ার্ডগুলোকে ভাগ করা যায়। যথা:

    • শর্ট টেইল কীওয়ার্ড (যেমন: SEO)
    • মিড টেইল কীওয়ার্ড (Mid-tail keywords) (যেমন: on page SEO)
    • লং টেইল কীওয়ার্ড (যেমন: how to do on page seo in wordpress)

    শর্ট টেইল কীওয়ার্ড (Head terms Keyword)

    শর্ট টেইল কিওয়ার্ড হলো তিন বা তারচেয়ে কম শব্দের কিওয়ার্ড। ধরা যাক আপনি যদি গুগোল বা অন্য কোন সার্চ ইঞ্জিনে শুধু Coffee লিখে সার্চ করেন তাহলে সেটি হচ্ছে শর্ট টেইল কীওয়ার্ড বা Head terms Keyword। এখানে ‘Coffee’ হলো শর্ট টেইল কিওয়ার্ড, কারণ এতে মাত্র একটি শব্দ রয়েছে।

    শর্ট টেইল কিওয়ার্ডের সার্চ ভলিউম বেশি। পাশাপাশি কম্পিটিশনও অনেক বেশি হয়ে থাকে।

    মিড টেইল কীওয়ার্ড (Mid-tail keywords)

    এগুলো short-tail keyword এর থেকে একটু বড় হয়ে থাকে । এগুলো একটু কম competetive এবং কম search volume এর হয়ে থাকে। যেমন –  ” best wordpress theme ” হল mid-tail keyword এর উদাহরণ।

    লং টেইল কীওয়ার্ড (What are long-tail keywords?)

    যে কিওয়ার্ডগুলোতে তিনের বেশি শব্দ থাকে, সেগুলোকে বলা হয় লং টেইল কিওয়ার্ড। মানে, এগুলো আকারে অনেকটায় বেশি হয়ে থাকে এবং সার্চ ও কম্পিটিশন অনেকটায় কম হয়ে থাকে।এই ধরনের long-tail keywords ব্যবহার করে নতুন ওয়েবসাইটগুলো ভালো রাঙ্কে আস্তে পারে।

    যেমন, আপনি গুগলে ‘ফ্রিতে ৬ মাসে কিভাবে ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্স করবেন” অথবা ‘আমাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং এর সুবিধা’ লিখে সার্চ দিলেন। এখানে ‘ফ্রিতে ৬ মাসে কিভাবে ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্স করবেন’ অথবা ‘আমাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং এর সুবিধা’ দুটোই লং টেইল কিওয়ার্ডের উদাহরণ, কারণ এতে তিনের অধিক শব্দ রয়েছে।

    কিওয়ার্ড ইন্ট্যান্ট (অভিপ্রায়) ভিত্তিক (Based On Keyword Intent )

    সার্চ ইন্টেন্ট কি?

    সার্চ ইন্টেন্ট বা অনুসন্ধানের অভিপ্রায় হল ব্যবহারকারীর প্রশ্নের পিছনের উদ্দ্যেশ খোজা। সোজা কথায়, কি কারণে তারা একটি নির্দিষ্ট কীওয়ার্ড ব্যবহার করে অনুসন্ধান করছে তা জানা। তারা হয়তো তথ্য চাইচে, কোন পণ্য সম্পরকে, বা কোন বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চায়, অথবা এমনকি কোন সারভিস খুঁজছেন। যেমন কেউ যদি সারচ করে  “laptop” কিন্তু আরো বিস্তারিত ভালে “best laptops under $500 2021” এভাবে না খোজে তাহলে গুগলে সারস করার পিছনের উদ্দেশ্য নির্ধারণ করা আরও কঠিন। কেন? কারণ “laptop” দিয়ে অনেক কিছু জানতে চাইতে পারে। এর অর্থ হতে পারে যে ব্যবহারকারী একটি ল্যাপটপের ছবি খুঁজছেন অথবা ল্যাপ্টপ সম্পরকে জানতে চান।  কিন্তু “best laptops under $500 2021” -এর পিছনে কেবল একটি সম্ভাব্য ব্যাখ্যা রয়েছে – ব্যবহারকারী ২০২১ সালে ৫০০ ডলারের নিচে সেরা ল্যাপটপগুলো খুঁজছেন। 

    অনুসন্ধানের অভিপ্রায় সম্পর্কে এই সমস্ত তথ্যের সাথে, এই বিষয়ে বোঝার এবং গভীরভাবে অনুসন্ধান শুরু করার সর্বোত্তম উপায় হল এর বিভিন্ন ধরণের সার্চ ইন্টেন্ট সম্পর্কে জানা। কিওয়ার্ড ইন্ট্যান্ট বা অভিপ্রায়, ইচ্ছা এর উপর ভিত্তি করে নিচের মতো করে ভাগ করা যায় – 

    তথ্যগত অনুসন্ধান বেসড কিওয়ার্ড (Informational intent)

    ব্যবহারকারী একটি নির্দিষ্ট প্রশ্নের উত্তরের উপর তথ্য জানতে চায়। এই প্রশ্নগুলির মধ্যে “কিভাবে,” “কি,” “কোথায়,” “কেন করবেন” এবং অন্যান্য তথ্য থাকতে পারে। আবার দেখুন (ইমেজ) দুটি অনুসন্ধানে ‘কীভাবে’ বা ‘কী’ শব্দগুলি নেই, তবে গুগল বুঝতে পারে যে ব্যক্তি সেই বিষয়গুলিতে আরও শিখতে চায় তাই এগুলো ও তথ্যগত অনুসন্ধান কারণ তারা আরো তথ্য খুঁজছেন।

    লোকেশন বেসড কিওয়ার্ড (geo-targeting)

    যেসব কিওয়ার্ডগুলো বিভিন্ন লোকেশান এর উপর নির্ভর করে সার্চ করা হয় তাদের মুলত Geo-targeted keywords বা লোকেশন বেসড কিওয়ার্ড বলা হয়।

    উদাহরন – ” chinese restaurants dhaka ” ,” hosting in usa “,”digital marketer in bangladesh” কিওয়ার্ডগুলো সার্চ এর মাধ্যমে লোকজন বিভিন্ন লোকেশান যেমন Dhaka , USA, Bangladesh তে  বিভিন্ন বিষয়ে জানতে চাইছে সুতরাং এগুলো সবই geographical location নির্ভর keywords.

    Transactional বেসড কিওয়ার্ড:

    লেনদেনের অনুসন্ধানের উদ্দেশ্য হল কোন ব্যক্তি তার জন্য একটি সাইট খুঁজছেন যা তাদের অর্থের জন্য সর্বোত্তম মূল্য দিতে পারে। নাম থেকেই বোঝা যায়, এই  সারচ ইন্ট্যান্ট ব্যবসার লেনদেন এর সাথে যোগাযোগ আছে। ব্যবহারকারী একটি একশান (কনভারসান) সম্পন্ন করতে চায়। এটি কেবল কেনাকাটায় সীমাবদ্ধ নয়। এটি একটি ইমেল সাইনআপ, লিড জেনারেশন ফর্ম জমা, স্টোর ভিজিট বা একটি ফোন কল হতে পারে।  এগুলো তে কিছু অপারেটিভ শব্দ খুজে পাওয়া যায়, যেমনঃ ‘buy’, ‘deal’, ‘discount’, ‘purchase’, ‘order’, ‘cheap’, ‘price’, ‘book’, ‘download’, ‘sign up’, and ‘register’ ইত্যাদি।  

    উদাহরনঃ “buy macbook pro”

    ব্রান্ড বেসড কিওয়ার্ড (Navigational)

    Navigational ব্যবহারকারী একটি সুনির্দিষ্ট ওয়েব পেইজ বা সাইট খুঁজে পেতে চান । উদাহরন – “Twitter login” এই কিওয়ার্ড এর মাধ্যমে মূলত মানুষ Twitter এর সাইটে গিয়ে তার একাউন্ট লগিন করতে চান। এটা ব্রান্ড বেসড কিওয়ার্ড ও; একটি নেভিগেশনাল (Navigational) সার্চ প্রায় সবসময় ব্র্যান্ডেড  – মানে শব্দগুলো হবে একটি ব্যবসা বা পণ্যের নাম থাকতে পারে। যে কিওয়ার্ড সার্চ করেন উনি একটি নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে যেতে চায়, যা ইতিমধ্যেই জানে যে সেটি কোনটি। Brand based keywords গুলো মূলত কোনো নির্দিষ্ট কোম্পানি বা ব্রান্ড এর উপর হয়ে থাকে।আপনি যদি সার্চ করেন ” bluehost hosting plans ” , ” digitalocean hosting plans “এর মানে আপনি bluehost, digitalocean কোম্পানির hosting plan এর ব্যাপারে সার্চ করে জানতে চাইছেন।

    মার্কেটিং বেসড কিওয়ার্ড (Commercial intent):

    মার্কেটিং বেসড কীওয়ার্ডগুলি আপনার টারগেট ট্রাফিক নিয়ে আসতে পারে যা শেষ পর্যন্ত আরো বেশি বিক্রয় এবং বায়িং কাস্টমারে রূপান্তরিত হয়। Commercial/Buying Intent Keyword  হচ্ছে ওই ধরনের কিওয়ার্ড যে কিওয়ার্ড দিয়ে মানুষ কোনো কিছু বা কোনো প্রোডাক্ট কেনার উদ্দেশ্যে সার্চ করে থাকে।

    Example of Commercial/Buying Intent Keyword –

    Best + keyword = Best hosting, Best mobile under 300$

    keyword + review = Namecheap review, Samsung S9 review

    Keyword + price = Samsung S9 price

    keyword + time = Discover 125 price 2021, Namecheap review 2021

     এটা বলা যেতে পারে যে ” কমারশিয়াল ইন্ট্যান্ট কীওয়ার্ড = বেশি বিক্রয়”। উদাহরনঃ  “best protein powder”

    কম্পিটিশন বেসড কিওয়ার্ড(competitor)

    কম্পিটিশন বেসড কিওয়ার্ডগুলো মুলত সেই ধরনের কিওয়ার্ড যেগুলো একই প্রোডাক্টের এর উপর বিভিন্ন কোম্পানি কম্পিটিশন করে থাকে ।

    উদাহরণ – ” best phone under 15000 “এই কিওয়ার্ডটির মধ্যে বিভিন্ন কোম্পানি আসে কারন ১৫ হাজার দামে বিভিন্ন কোম্পানি ভালো ভালো ফোন বিক্রি করে থাকে।

    এলএসআই কীওয়ার্ড (LSI Keyword) কি?

    LSI কথাটির পুরো নাম Latent Semantic Indexing Keywords ।সাধারন ভাষায়, আপনার মূল কিওয়ার্ড এর সাথে সমন্বয় রেখে, যা দেখতে পাওয়া যায়। মূলত তাকে বলা হয়, LSI কিওয়ার্ড। গুগলে সার্চ করলে Search engine এ পাতার নীচের দিকে primary keyword এর সাথে সম্পর্কিত যে কিওয়ার্ড গুলো show করে তাদের Latent Semantic Indexing Keywords বলে।

    যেমন, কোনো একজন ব্যক্তি অনলাইনে সার্চ করলো, “Mobile”. এখানে Mobile হলো মূল কিওয়ার্ড।

    এবার মূল কিওয়ার্ডকে টার্গেট করে যদি LSI খুজতে যাই। তাহলে আপনার সামনে যে কিওয়ার্ড গুলো আসবে, সেগুলো হলো, Samsung Mobile, Nokia Mobile, Apple Mobile ইত্যাদি।

    কেন আপনি কিওয়ার্ড রিসার্চ করবেন?

    আপনার গ্রাহক বা ভিজিটরদের সমস্যা সমাধান দেয়ার ক্ষেত্রে এটা জানা প্রয়োজন যে তারা ঠিক কোন কোন কিওয়ার্ড লিখে বেশি সার্চ করছে সার্চ ইঞ্জিনে এবং তারা কোথায় থেকে কত জন কিওয়ার্ড লিখে সার্চ করছে এবং সেই সার্চের উপর ভিত্তি করেই আপনি আপনার ওয়েবসাইট তৈরি করবেন বা ব্লগিং করবেন যাতে তারা সহজে আপনার সাইটে আসতে পারে, এজন্য সহজ ভাবে সমাধান দেয়ার চেষ্টা করতে হয় যার কারনেই কিওয়ার্ড রিসার্চ করা অনেক বেশি জরুরী।

    কিওয়ার্ড কিভাবে কাজ করে? (How to work Keyword in Bangla)

    কিওয়ার্ড  কী, কিওয়ার্ড কত প্রকার, কিওয়ার্ড রিসার্চ কী, কেন আপনি কিওয়ার্ড রিসার্চ করবেন—আমরা তা ইতোমধ্যেই জেনে গেছি। এখন আমরা কীভাবে কাজ করে সে সম্পর্কে জানবো। এই বিষয়টি আমি উদাহরনের মাধ্যমে ক্লিয়ার করা চেষ্টা করছি। ধরুন-আপনি iphone 12 pro max review মোবাইল নিয়ে একটি পোস্ট লিখছেন। এ ক্ষেত্রে অবশ্যই আপনি ঐ মোবাইলটির যাবতীয় ফিচার্স সহ এটির ভালো খারাপ দিক তুলে ধরার পাশাপাশি এর দাম এবং আনুষাঙ্গিক বিষয় নিয়ে একটি বিস্তারিত পোস্ট শেয়ার করবেন। সেই পোস্টটির ক্ষেত্রে আপনার প্রধান বা টার্গেটেড কিওয়ার্ড হবে iphone 12 pro max review. সেই পোস্টে iphone 12 pro max এর যাবতীয় বিষয় ভালোভাবে তুলে ধরাই হবে আপনার প্রধান কাজ।  এ ক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি যখন গুগল বা অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিনে iphone 12 pro max  লিখে সার্চ করবে তখন সার্চ ইঞ্জিন প্রথমে তার তথ্য ভান্ডারে থাকা iphone 12 pro max বিষয়ে যত পোস্ট রয়েছে সেগুলো যাচাই করে সবচাইতে ভালো পোস্টগুলো সার্চ ইঞ্জিনের প্রথম পাতায় শো করবে। এভাবে মূলত কিওয়ার্ডের মাধ্যমে সার্চ ইঞ্জিন একটি পোস্টের র‌্যাংকিং নির্ধারণ করে। আর্টিক্যাল লেখার জন্য কিওয়ার্ড সবসময় অনেক বড়ো ভূমিকা পালন করে। উপরের আলোচনা থেকে বুঝতে পাছেন যে কি-ওয়ার্ড কতটা উপকারে আসে। একটি সুন্দর কি-ওয়ার্ড দিতে পারে একটি সুন্দর সাইট। তাই এখনি ঝটপট আপনার সাইট এর জন্য সুন্দর অধিক ভিজিটর সমৃদ্ধ কি-ওয়ার্ড নির্বাচন করুন।

    কিওয়ার্ড রিসার্চ কি ? (keyword research in bangla)

    কীওয়ার্ড রিসার্চ হলো এক ধরণের গবেষণা বা অনুসন্ধান যার মাধ্যমে আপনি আপনার টার্গেট অডিয়েন্স কে খুঁজে বের করবেন। অর্থাৎ, আপনার কনটেন্ট এর মার্কেটিং করার জন্য যখন আপনি অডিয়েন্স কে বিচার বিশ্লেষণ করে টার্গেট কীওয়ার্ড খুঁজে বের করেন তখন তাকে কীওয়ার্ড রিসার্চ বলে। এসইও এর প্রথম পদক্ষেপই হলো কীওয়ার্ড রিসার্চ।

    আসলে কিওয়ার্ড রিসার্চ হল এমন একটি উপায় যার মাধ্যমে জানা যায় মানুষ গুগুলে কি ধরনের কথা লিখে প্রতিনিয়ত সার্চ করছে। এছাড়া কীওয়ার্ড রিসার্চের মাধ্যমে সেই নির্দিষ্ট কিওয়ার্ডটি কোথা থেকে সার্চ হচ্ছে এবং কারা সার্চ হচ্ছে সেটাও জানা যায়। আর সঠিক তথ্যগুলো জানা থাকলে সেই তথ্য এবং উপাত্ত ব্যবহার করে নির্দিষ্ট কিওয়ার্ডের ক্ষেত্রে আপনার ওয়েবসাইটকে র‍্যাংক করানোও যায় খুব সহজে। আর তাই আপনার ওয়েবসাইটে কি ধরনের কন্টেন্ট লিখবেন অথবা কীভাবে লিখবেন ও রাখবেন সেটা জানার জন্য কিওয়ার্ড রিসার্চ খুবই জরুরী। 

    সহজ ভাষায় কিওয়ার্ড রিসার্চ কি? জানতে হলে আমাদের আগে বুঝতে হবে, কিওয়ার্ড কি। সহজ কথায়, কিওয়ার্ড হলো এমন কিছু শব্দ বা বাক্যাংশ যা আপনার ওয়েব পেজের বিষয়বস্তু সম্পর্কে দর্শক বা সার্চ ইঞ্জিন ক্রাউলারকে তাৎক্ষণিক ধারণা প্রদান করে। মানুষ সার্চ ইঞ্জিনগুলোতে যা লিখে সার্চ করে, সেগুলোই একেকটি কিওয়ার্ড। মনে করুন, আপনি “ওয়েব ডিজাইন এন্ড ডেভেলপমেন্ট গাইডলাইন” নিয়ে একটি আর্টিকেল লিখবেন। এক্ষেত্রে লেখার পূর্বেই আপনাকে জেনে নিতে হবে সাধারণ মানুষ ‘ওয়েব ডিজাইন এন্ড ডেভেলপমেন্ট গাইডলাইন’ সম্পর্কে জানতে সার্চ ইঞ্জিনে ঠিক কোন কোন শব্দ বা শব্দ গুচ্ছ লিখে সার্চ করে।

    একজন ব্যক্তি “ওয়েব ডেভেলপার হওয়ার কমপ্লিট গাইডলাইন”, “ওয়েব ডিজাইন এন্ড ডেভেলপমেন্ট”, “ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এর ভবিষ্যৎ”, “কিভাবে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট শিখব”, “ওয়েব ডিজাইন এন্ড ডেভেলপমেন্ট ক্যারিয়ার”, “ওয়েব ডিজাইন এন্ড ডেভেলপমেন্ট কোর্স”, “ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট টিউটোরিয়াল” ইত্যাদি আনুষাঙ্গিক বিষয় লিখেও অনলাইনে সার্চ করতে পারে। সুতরাং, পোস্ট লেখার পূর্বে বিভিন্ন কিওয়ার্ড টুলস ব্যবহার করে “ওয়েব ডিজাইন এন্ড ডেভেলপমেন্ট গাইডলাইন ” এর জন্য কোন কোন কিওয়ার্ড লিখে সার্চ করা হয় সেটা নিশ্চিত হতে হবে।

    আবার, সেই কিওয়ার্ডটি এক মাসে কি পরিমান সার্চ হয়ে থাকে, সেই কিওয়ার্ড নিয়ে লিখে আপনার পোস্টটি গুগলে র‌্যাংক করাতে পারবেন কিনা, র‌্যাংক করানোর জন্য কি কি করতে হবে এবং কোন কোন ব্লগ সেই পোস্টের প্রতিযোগী হতে পারে ইত্যাদি বিষয় সম্পর্কে জেনে নেওয়ার কাজই হচ্ছে কিওয়ার্ড রিসার্চ।

    কীওয়ার্ড রিসার্চ মানে কি ? (What Is Keyword Research in bangla)

    কীওয়ার্ড রিসার্চ হলো, seo (search engine optimization) এর একটি এমন গুরুত্বপূর্ণ এবং জরুরি ভাগ, যেখানে জনপ্রিয় এবং সার্চ ইঞ্জিন গুলিতে অধিক পরিমানে সার্চ হওয়া keywords এবং key phrase গুলি খুঁজে বের করা হয়। তাছাড়া, এই প্রক্রিয়ার দ্বারা আমরা ব্লগের আর্টিকেলের জন্য, লাভজনক এবং লোকেরা রুচি রাখা নতুন নতুন টপিক (topic) এবং key phrases খুঁজে পেতে পারি।

    যেকোনো আর্টিকেল “search engine” এর জন্য optimize করার সবচেয়ে প্রথম ধাপ (step) হলো keyword research. এতে, আপনি ভালো ভালো এবং গুগলে অধিক বেশি পরিমানে সার্চ হওয়া keywords খুঁজে পেতে পারবেন। এবং, রিসার্চ করে খুঁজে বের করা লাভজনক keywords target করে আর্টিকেল লিখে, গুগল এবং অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিন গুলির থেকে অধিক পরিমানে ভিসিটর্স পেয়ে যেতে পারবেন।

    কীওয়ার্ড রিসার্চ জরুরী কেন? (Importance of Keyword Research)

    কীওয়ার্ড রিসার্চ SEO (search engine optimization) এর একটি প্রধান এবং অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভাগ। আর্টিকেলের জন্য Targeted keyword এর research না করলে সঠিক ভাবে SEO করাটা কখনোই সম্ভব না। মূলত একটি ওয়েবসাইট বা ব্লগের জন্য কি ওয়ার্ড রিসার্চের প্রয়োজনীয়তা অনেক। ইতিমধ্যেই আপনারা হয়তো বুঝতে পেরেছেন যে ওয়েবসাইট বা ব্লগের জন্য কীওয়ার্ড এর গুরুত্ব কতটুকু।  যারা ওয়েবসাইট বা ব্লগের সাথে যুক্ত কিন্তু তাদের ওয়েবসাইট বা ব্লগ টি এখনো গুগলের রেংক পাচ্ছে না তারা কী ওয়ার্ড এর গুরুত্ব সম্পর্কে ইতিমধ্যে অপহৃত হয়েছেন। আবার ছাড়া সফলভাবে একটি ওয়েবসাইট পরিচালনা করছেন তারাও জানেন যে কিওয়ার্ডটি এই সফলতার পেছনে কাজ করছে।

    ভিজিটর নিয়ে আসার দুইটি জনপ্রিয় পদ্ধতি হলো

    • বিজ্ঞাপন এবং
    • অর্গানিক ট্রাফিক (By Organic SEO)

    প্রথমটির জন্য প্রয়োজন অর্থ, দ্বিতীয়টির জন্য এসইও অপটিমাইজেশন। কীওয়ার্ড রিসার্চ অর্গানিক ট্রাফিক নিয়ে আসার জন্য এসইও করার প্রথম এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। তাই আপনি যদি সঠিকভাবে কীওয়ার্ড রিসার্চ করে অপটিমাইজ করেন তাহলে আপনার পোস্ট বা ভিডিও বা প্রোডাক্ট সঠিক সার্চ ভলিয়্যুমের জন্য rank হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়।

    আমরা যদি এই আর্টিকেলটি ’best keyword research tool’-কে মেইন কিওয়ার্ড হিসেবে ফোকাস করে লিখতাম, তাহলে কি Rank করতো? খুবই কম সুযোগ ছিল, কারণ গুগল সার্চ রেজাল্টে বেশিরভাগ আসতো ইংলিশ কনটেন্ট থেকে। আর যদি বাংলাদেশের বাইরে থেকে সার্চ করা হতো, তবে Rank এ আসার নূন্যতমও সুযোগ নেই।

    রিসার্চ না করলে আরেকটি ঘটনা ঘটতে পারে। আমরা এমন একটি কিওয়ার্ড নিয়ে আর্টিকেল লিখলাম, যা কিনা প্রথম পজিশনে Rankও করলো, কিন্তু সার্চ ভলিয়্যুম শূন্য। অর্থাৎ এই কিওয়ার্ড লিখে কেউ সার্চ-ই করেনা, ফলাফল কি হবে? ভিজিটর পাবেন বলে মনে হয়! নিশ্চয়ই না।

    যদি ইন্টারনেট জগতে নিজের ভিত্তি শক্ত ও পাকাপোক্ত করতে চান তাহলে কীওয়ার্ড রিসার্চ এর কোনো বিকল্প নেই। অন্যথায় ইন্টারনেট দুনিয়ায় আপনার ওয়েব সাইট থেকেও লাভ হবে না।

    তাছাড়া, কিওয়ার্ড রিসার্চে যদি ভুল থাকে তাহলে আপনার সাইটটি গুগল সার্চে র‍্যাংক পাবে না। তাই সঠিকভাবে কিওয়ার্ড রিসার্চ করে সেই তথ্য কাজে লাগাতে পারলেই গুগল সার্চে পাওয়া যাবে সঠিক র‍্যাংক। গুগল, ইয়াহু বা অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিনের রয়েছে নিজেস্ব অ্যালগারিদম। সেই অ্যালগারিদমেও আসে পরিবর্তন। এই অ্যালগারিদমের সাথে মিল রাখলেই কেবল যে র‍্যাংক পাওয়া যাবে তা কিন্তু নয়। পাশাপাশি আপনার লেখা কনটেন্টটি কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। আবার বেশি বেশি সার্চ করা হচ্ছে এমন কিওয়ার্ড ব্যবহার করলেই যে আপনি সার্চ ইঞ্জিনের প্রথম দিকে জায়গা করে নিবেন সেটিও নয়। বেশি বেশি সার্চ হচ্ছে এমন কিওয়ার্ডের পাশাপাশি একই টপিকে কম সার্চ হচ্ছে এমন কিওয়ার্ডগুলোতেও যদি মনোযোগ দেওয়া হয়, তাহলে সার্চ-ইঞ্জিনগুলোতে তা একটা আলাদাভাবে প্রাধান্য পায়।

    আর এই বিষয়গুলো সুনিশ্চিত করতে প্রয়োজন কিওয়ার্ড রিসার্চের। সুতরাং, বুঝতেই পারছেন কেন কিওয়ার্ড রিসার্চ এত গুরুত্বপূর্ণ।

    কেন কিওয়ার্ড রিসার্চ করবেন?

    অন পেজ এসইও এর মূল কেন্দ্রবিন্দু হলো, কিওয়ার্ড রিসার্চ। অর্থ্যাৎ, আপনার ওয়েবসাইটে শত শত কন্টেন্ট পাবলিশ করার পরেও আশানুরূপ ফল পাবেন না। যদি আপনি সঠিকভাবে keyword research করতে না পারেন। তবে প্রশ্ন হলো, “কেন আমি কিওয়ার্ড রিসার্চ কে এতোটা গুরুত্ব দিচ্ছি”?

    দেখুন, কোনো একটি ওয়েবসাইট জনপ্রিয় করার আগে আপনাকে দুইটি দিক ভাবতে হবে। প্রথমত, আপনি কোন অডিয়্যান্সকে টার্গেট করছেন। এবং দ্বিতীয়ত, আপনার টার্গেটেড অডিয়্যান্স কোন তথ্য জানার জন্য অনলাইনে সার্চ করে।

    মনে রাখবেন, ওয়েবসাইটে প্রচুর পরিমাণে ভিজিটর নিয়ে আসতে চাইলে ৷ আপনাকে অবশ্যই এই ২ টি বিষয় খুব গুরুত্বের সাথে দেখতে হবে। যেমন, আপনার একটি টেকনোলজি রিলেটেড ওয়েবসাইট আছে। অর্থ্যাৎ যে মানুষ গুলো Tech Lover, সেই মানুষ গুলোই হলো আপনার টার্গেটেড অডিয়্যান্স। এখন আপনাকে Find Out করতে হবে, যে মানুষ গুলো টেকনোলজি ভালোবাসে। তারা মূলত অনলাইনে কি কি লিখে সার্চ করে, যখন আপনি তাদের সার্চ করা কিওয়ার্ড গুলোকে খুজে পাবেন। এরপর আপনাকে সেই কিওয়ার্ড গুলো নিয়ে রিসার্চ বা গবেষণা করতে হবে।

    তবে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে যে,” কেন আমরা কিওয়ার্ড রিসার্চ করবো “? ওকে, তো যদি আপনি কিওয়ার্ড রিসার্চ করেন। তাহলে কোনো একটি Keyword লং টেইল নাকি শর্ট টেইল, সেই কিওয়ার্ড এর সার্চ ভলিউম কত, এবং ডিফিকাল্টি কত ইত্যাদি বিষয় গুলো সম্পর্কে জানতে পারবেন। 

    কীওয়ার্ড রিসার্চ এর প্রধান লাভ গুলি কি ? (Benefits of keyword research)

    সবচে প্রথম এবং জরুরি কথা, “keyword এর research না করে সঠিক SEO সম্ভব নয়”. কারণ আপনি যদি একটি আর্টিকেল লিখছেন এবং তাতে Google search থেকে ফ্রি ট্রাফিক চান, তাহলে search term এ থাকা কেবল সেই keyword গুলি আপনার আর্টিকেল search engine এ rank করিয়ে আপনার ব্লগে ট্রাফিক দিতে পারবে।

    এছাড়া, কিছু গুরুত্বপূর্ণ লাভ কীওয়ার্ড রিসার্চের এগুলো –

    1. আপনি যদি সব আর্টিকেল বা ব্লগ পোস্ট লেখার আগেই আর্টিকেলের সাথে জড়িত কীওয়ার্ড এবং সার্চ টার্মস (search terms ও ইন্ট্যান্ট) ভালো ভাবে রিসার্চ করে তারপর ব্যবহার করেন, তাহলে search engine থেকে অধিক এবং targeted traffic (ভিজিটর) পাওয়া যাবে।
    2. যত বেশি keyword এর জন্য আপনার ব্লগের আর্টিকেল google এ rank করবে, আপনার ব্লগের Domain authority ও অনেক বেড়ে যাবে।
    3. Keyword research করলে আপনারা অনেক ধরণের নতুন নতুন এবং ভালো আর্টিকেল আইডিয়া (content idea) পেয়ে যাবেন।
    4. কোন keyword বা search term এ অনেক বেশি সার্চ হয় এবং সেই কীওয়ার্ড কোন জায়গায় কতটুকু সার্চ হয় সবটাই এর মাধ্যমে জানা সম্ভব।
    5. কীওয়ার্ড রিসার্চ এর দ্বারা আপনার ব্লগে অবশই সার্চ ইঞ্জিন থেকে ফ্রীতেই অনেক ট্রাফিক বা ভিজিটরস আসবে। আর তাতে সার্চ ইঞ্জিন থেকে আশা ট্রাফিক বা ভিসিটিরস দ্বারা গুগল এডসেন্স এবং affiliate marketing এ সবথেকে বেশি earning করতে পারবেন।
    6. Keyword রিসার্চ দ্বারা আপনারা ব্লগের আর্টিকেল গুলি কিছু লাভজনক search terms, শব্দ, বাক্য বা প্রশ্নোর জন্য টার্গেট অথবা optimize করতে পারবেন।
    7. আপনার ব্লগে Organic Visitor (গুগল সার্চের মাধ্যমে আসা ভিজিটর) এর সংখ্যা বাড়বে ।
    8.  আপনার লেখাগুলি যতবেশি Google এ rank করবে তত আপনার Domain Authority বাড়বে ।
    9. কীওয়ার্ড রিসার্চের মাধ্যমে আপনারা যেকোনো keyword এর competition কত সেটা জানতে পারবেন। এবং, high competition থাকা কীওয়ার্ড টার্গেট করে আর্টিকেল লিখে কোনো কাজ হবেনা। সেগুলিতে ট্রাফিক পাওয়া অনেক অনেক কঠিন।
    10. এর দ্বারা, highly searched (অধিক সার্চ হওয়া) এবং লো কম্পেটিশন (low competition) কীওয়ার্ড খুঁজে বের করা যাবে যেগুলি টার্গেট করে আর্টিকেল লিখলে অনেক ট্রাফিক পাওয়া যাবে সার্চ ইঞ্জিন থেকে।
    11. কীওয়ার্ড রিসার্চ করে আর্টিকেল লিখলে তা বেশি লোকের কাছে পৌঁছবে ।
    12. কম কষ্ট করে প্ল্যান করে কাজ করার ফলে আপনার ইনকাম বাড়বে অনেকগুন।

    সর্বোপরি এই সব কিছুর ফলে আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইট থেকে আয়ের সুযোগ বাড়বে ।

    কিওয়ার্ড রিসার্চের জন্য প্রয়োজনীয় কিছু টুলস 

    যথাযথ কিওয়ার্ড রিসার্চের জন্য আপনার অবশ্যই কিছু ভালো মানের টুলস এর প্রয়োজন। তাই এখানে আমি কয়েকটি টুলস সম্পর্কে আপনাকে বলব যেগুলো আপনি ফ্রিতে অথবা টাকা দিয়ে ব্যবহার করতে পারবেন। তবে যে টুলসগুলো পেইড সেগুলো আপনি ট্রায়েল ভার্সনে কিছুদিনের জন্য ফ্রিতে ব্যবহার করতে পারবেন। জনপ্রিয় কিছু কিওয়ার্ড রিসার্চ টুলস এর মধ্যে রয়েছে Google Keyword Planner, Semrush, Ahrefs, Longtailpro, Spyfu, Google Trends ইত্যাদি । তবে এখানে আমার ব্যাক্তিগত মত হলো টুলস জাস্ট আপনাকে হেল্প করবে, সময় বাচাবে কিন্তু মুল কাজ টা আপনাকেই করতে হবে, আপনার মাথা এখানে কাজে লাগাতে হবে, আপনার অভিজ্ঞতা আপনার পাথেয় হিসেবে কাজ করবে, তাই সব সময় টুলসের উপর নিরভর করা উচিত হবে না। 

    কিওয়ার্ড রিসার্চ টুলসের প্রকারভেদ (Kind of keyword research tools)

    অনলাইনের মাধ্যমে কিওয়ার্ড রিসার্চ করার জন্য আপনি ২ ধরনের Tools পাবেন। যথাঃ-

    • পেইড টুলস এবং 
    • ফ্রি টুলস 

    যখন আপনি Keyword research করার জন্য টাকা দিয়ে কোনো টুলস ব্যবহার করবেন। তখন সেই টুলসকে বলা হয়, Paid Tools. ঠিক একইভাবে যখন আপনি বিনামূল্যে কোনো টুলসকে ব্যবহার করতে পারবেন তখন সেই টুলসকে বলা হয়, Free Tools. এখন আপনার আসলে কিওয়ার্ড রিসার্চ করার জন্য কোন টুলস গুলো ব্যবহার করবেন। তা সম্পূর্ন আপনার উপর নির্ভর করবে। যদি আপনার কাছে ব্যয় করার মতো অর্থ থাকে ৷ তাহলে আপনি Paid Tools গুলো ব্যবহার করতে পারবেন। 

    তো এবার আমরা জানবো যে, অনলাইনে এমন কোন Tools আছে। যার মাধ্যমে ফ্রীতে কিওয়ার্ড রিসার্চ করা সম্ভব। 

    জনপ্রিয় কয়েকটি কিওয়ার্ড রিসার্চ টুলসঃ

    • ১. Google Keyword Planner
    • ২. Google Trends
    • ৩. KeywordTool.io
    • ৪. Soovle
    • ৫. Ahrefs Keywords Explorer
    • ৬. Keywords Everywhere
    • ৭. UberSuggest
    • ৮. SEMRush
    • ৯. LongTailPro

    কিভাবে কিওয়ার্ড রিসার্চ করবেন ? (keyword research bangla tutorials)

    আলহামদুলিল্লাহ  ধীরে ধীরে আমরা মূল পর্বে চলে এসেছি। তো আপনি দুইটি উপায়ে কিওয়ার্ড রিসার্চ করতে পারবেন। একটি, ম্যানুয়ালি এবং অন্যটি টুলসের মাধ্যমে। আমি বলবো ম্যানুয়ালি কিওয়ার্ড রিসার্চ করার সামথ্য আপনার থাকলে আপনি অনেক এগিয়ে থাকবেন– ভালো কিওয়ার্ড রিসার্চ এ।  

    তবে আপনার জেনে রাখা উচিত যে, যখন আপনি Manually কোনো কিওয়ার্ড রিসার্চ করবেন। তখন আপনার কয়েক ঘন্টা  এমনকি কয়েক দিন পর্যন্ত সময় লাগতে পারে ৷

    অপরদিকে যদি আপনি এই কাজটা মাত্র কয়েক ঘন্টা বা মিনিটের মধ্যেই টুলসের মাধ্যমে করতে পারবেন। সেজন্য আমরা জানবো, Tools এর মাধ্যমে কিভাবে keyword research করতে হয়

    তবে তার আগে আপনাকে জানতে হবে, অনলাইনে কিওয়ার্ড রিসার্চ করার জন্য যেসব Tools পাওয়া যায়। সেই বিষয়ে মোটামুটি একটা ধারনা নেয়ার চেস্টা করি। 

    কিওয়ার্ড রিসার্চের উদ্দেশ্য যেমন বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিভিন্ন সেরকমই খুঁজে নেওয়ার পর কাজে লাগানোর পদ্ধতিও একটু আলাদা। যেমন আগেই বলেছি – একজন ব্লগার কিওয়ার্ড খোঁজেন তার ওয়েবসাইটে ভালো আর্টিকেল লেখার উদ্দেশে। আবার একজন মার্কেটিং এর সাথে যুক্ত তার ই-কমারস সাইটের জন্য অন্য টাইপের কিওয়ার্ড খোঁজেন তাই ওই ব্যাক্তির কিওয়ার্ড কাজে লাগানোর পদ্ধতি ভিন্ন।

    Organic traffic-র জন্য কিওয়ার্ড রিসার্চ পদ্ধতি

    Niche related term বা নিশ সিলেক্ট করা – আপনার প্রথম কাজ হবে আপনি যে টপিক এর উপর কাজ করছেন সেই টপিক এর উপর কিছু ছোট টার্ম বা নিশ খুঁজে নেওয়া যেগুলো লোক সার্চ করে। যেমন ধরুন – boxing gloves, facebook marketing

    Short term search – এরপর একটি মানে আছে এরকম ছোট term বা key phrase তৈরি করে সার্চ করা যেমন – boxing gloves for women

    Long tail keyword -আপনি যদি অরগানিকভাবে কাজ করতে চান আপনাকে প্রথমে long -tail keyword টার্গেট করে এগোতে হবে। এখানে আমাদের মনে রাখতে হবে আমাদের নিশের সকল  long -tail keyword এর ডাটাবেজ আমাদের কালেক্ট করতে হবে যাতে কোন কিছু বাদ না যায়। এ জন্য আমাদের ম্যানুয়ালী সারচ ইঞ্জিনে  সীড কিওয়ার্ড (Seed Keywords) দিয়ে * পদ্ধতি ইউজ করে এবং LSI এর মাধ্যমে লং টেইল কিওয়ার্ড নিতে হবে। এজন্য টুল ইউজ করে সেটা আরো পূরন করা যেতে পারে।   যেমন- boxing gloves for women কে বাড়িয়ে boxing gloves for women with sweaty hands , best boxing gloves for women 2021 , how to wash boxing gloves for women গুলোকে টার্গেট করতে যেতে পারে।

    সার্চ ইন্ট্যান্ট Keyword intent – এটার উপর ভিত্তি করে সকল  লং টেইল কিওয়ার্ড থেকে আপনার সাথে যাচ্ছে এমন কিওয়ার্ড বাচাই করে নিতে হবে। এখানে ওয়েব ২.০, লো কেডি, সোসিয়াল সাইট, ওয়িক সাইট, Q/A সাইট ইত্যাদি দেখে সম্পনের কিওয়ার্ড এর খোজ করে আলাদা করে নিতে হবে।

    competition check – প্রত্যেক বারে সব  কিওয়ার্ডের competition চেক করতে হবে। low competition ও medium competition কিওয়ার্ডগুলোকে টার্গেট করতে হবে। long -tail keyword এর competition অনেক কম হয়

    Low Search Volume – আপনি যত long -tail keyword নিয়ে কাজ করবেন তার সার্চ অনেকটায় কম হয় শর্ট-টেল কিওয়ার্ড এর চেয়ে কিন্তু সেটি রাঙ্ক  করতে সুবিধা হয়। তাই নতুনদের ওই ধরনের এই ধরনের কিওয়ার্ড নিয়ে কাজ করতে বলা হয়।

    এছাড়াও আপনি যদি গুগল আডসেন্স এর জন্য কাজ করেন তো আপনাকে হাই ভলিউম ও CPC Check ব্যাপার টা দেখে নিতে হবে – দেখুন আপনি যে কিওয়ার্ড নিয়ে কাজ করবেন তার cpc জেনে নেওয়াটা খুব বেশি জরুরী। আপনি যে কিওয়ার্ড নিয়ে কাজ করবেন তার cpc যদি জিরো হয় তাহলে আপনার কাজ করে লাভ হবেনা।

    Paid traffic (PPC) -র জন্য পেইড রিসার্চ পদ্ধতি

    অনেক বড় বড় কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানের কাছে Paid traffic পাওয়াটা অনেক বেশি important কারন  organic পদ্ধতিতে অনেক বেশি সময় লেগে যায় ঠিকঠাক রেজাল্ট আসতে। এই জন্য তারা Facebook ad campaign, google ad service (PPC) ইত্যাদি ব্যবহার করে ad campaign run করে paid traffic visitor নিয়ে আসে। তখন আপনার কিওয়ার্ড রিসার্চ পদ্ধতি অবশ্যই ভিন্ন হবে এটা সবাভাবিক সে জন্য তখন নিচের পদ্ধতি ইউজ করা হয়। 

    তখন ব্যবসা বা প্রোডাক্ট নিয়ে রিসার্চ করে নিশ টা বাচাই করে নিতে হয়। এবং এজন্য Google Keyword Planner ব্যবহার করে লো CPC এর কিওয়ার্ড গুলো নিতে হয়। যদিও এ ক্ষেত্রে ক্যাম্পাইন এর উদ্দ্যেশ এর উপর ভিত্তি করে স্টাটেজি চেঞ্জ হয়। আর এ জন্যই অভিজ্ঞতার প্রয়োজন।

    ১. Competitor analysis for same product – এক্ষেত্রে আপনাকে আপনার ফিল্ডের সাথে সম্পর্কিত আপনার প্রতিদ্ধন্দির প্রোডাক্টটি দেখতে হবে এবং একই প্রোডাক্ট এর জন্য কম্পিটিশন ভালোভাবে analysis করতে হবে । নির্দিষ্ট প্রোডাক্টটির উপর লোক কি কি সার্চ করছে খুঁজে বের করাটা বেশি জরুরী।

    ২. More requirement for cpc bead – এই ক্ষেত্রে যেহেতু paid service বা আপনাকে টাকা দিতে হয় তাই নির্দিষ্ট কিওয়ার্ডটির উপর CPC বা cost per click bid কত তা জেনে নেওয়া তা খুবই বেশি দরকার কারন এতে করে আপনাকে কত টাকা দিত হবে জানতে পারবেন এবং আপনার ওই কিওয়ার্ডের উপর কত লোকের কাছে পৌঁছানো যাচ্ছে জানতে পারবেন। এখানে cost per click bid মানে প্রতি ক্লিকে আপনাকে কত টাকা দিতে হবে।

    কীওয়ার্ড রিসার্চ ফ্রীতে করবেন যেভাবে? (Free Keyword Research in Bangla)

      ওয়েবসাইট কিংবা ব্লগের আর্টিকেল লিখার জন্য profitable keyword ideas খোঁজার জন্য এখানে ৪ টি প্রক্রিয়া ব্যবহার করার কথা উল্লেখ করছি।  এখনকার সময়ে AI দিয়ে আপনি সহজেই Keyword Research করতে পারবেন ।

    1. Google keyword planner tool
    2. Ubersuggest tool
    3. Keyword tool
    4. অন্যান্য মাধ্যমে কীওয়ার্ড রিসার্চ

      এই ৪ টি কীওয়ার্ড রিসার্চ টুলস ও টেকনিক ব্যবহার করে ফ্রীতে কীওয়ার্ড রিসার্চ করে, আমারা এই সাইটের প্রত্যেক আর্টিকেলের জন্য লাভজনক কীওয়ার্ড, বিষয় বা আর্টিকেল টপিক খুঁজে বের করার চেষ্ঠা করি এবং কোন কীওয়ার্ড/বিষয় গুগল সার্চে কতটা জনপ্রিয় সেটাও জানার চেষ্ঠা করি। বলে রাখা ভাল যে, ওয়েবসাইটের SEO করার প্রথম এবং গরুত্বপূর্ণ প্রধান কাজ হলো কীওয়ার্ড রিসার্চ করে আর্টিকেল লিখা। তাই খুবই যত্নসহকারে এই প্রক্রিয়াগুলো সম্পন্ন করতে হবে।

    কীওয়ার্ড রিসার্চ ফ্রী টুলসূমুহঃ

    • Google Trends; (নিশ নিয়ে সামনে কাজ করা যাবে কিনা সেটা দেখা যায়)
    • Keyword Generator; (লং টেইল কীওয়ার্ড পাওয়া যায়)
    • Keyword Sheeter;
    • Answer the Public; (Question এর আইডিয়া পাওয়া যায়, যেটা দিয়ে FAQ হয়)
    • Keyword Surfer;
    • Keyworddit; (Raddit থেকে নিশের আইডিয়া পাওয়া যায়)
    • Google Search Console;
    • Questiondb; (Question এর আইডিয়া পাওয়া যায়, যেটা দিয়ে FAQ হয়)
    • Bulk Keyword Generator;
    • Google
    • Connect Ai Keyword Tools

    Google Auto Suggest [ ফ্রি ]

    সম্পূর্ন বিনামূল্যে কিওয়ার্ড রিসার্চ করার জন্য, সবচেয়ে বেস্ট হলো, Google Auto Suggest.

    এর মাধ্যমে মানুষ আসলে কোন টপিকের জন্য গুগলে কি কি লিখে সার্চ করে। সে সম্পর্কে একবারে সঠিক তথ্য পাওয়া যায়। মনে রাখবেন, গুগলে কোনো কিছু সার্চ করার সময়। গুগল যে Relevant Keyword গুলো কে শো করে। আপনি যদি আপনার ওয়েবসাইটে সেই কিওয়ার্ড গুলোকে টার্গেট করে কন্টেন্ট পাবলিশ করেন। তাহলে আপনার ওয়েবসাইটে প্রচুর পরিমানে ভিজিটর আসার সম্ভাবনা থাকবে। কারন, গুগল Auto Suggest এ সেই কিওয়ার্ড গুলো তখনি দেখাবে। যখন সেই টপিক গুলো লিখে মানুষ প্রচুর পরিমানে সার্চ করবে। এখন আপনি যদি এই Auto Suggest এ দেখানো কিওয়ার্ড গুলোকে ফোকাস কিওয়ার্ড হিসেবে ব্যবহার করেন। এবং সেই কিওয়ার্ডের উপর ভিওি করে আপনার ওয়েবসাইটে কন্টেন্ট পাবলিশ করেন ৷

    আপনি এতে প্রচুর পরিমানে ভিজিটর পাবেন। তাই কিওয়ার্ড রিসার্চ করার সময় Google Auto Suggest কে যথেষ্ট গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করবেন। 

    Google Keyword Planner [ ফ্রি ]

    Google Keyword Planner হলো গুগলের শক্তিশালী কীওয়ার্ড ডাটাবেজ। অন্যান্য কীওয়ার্ড টুলের থেকে Google Keyword Planner অনেক সুন্দর ও আকর্ষণীয়।

    এটা আপনি ব্যবহার করবেন কারণ- এর সকল ডাটা একদম সরাসরি গুগল থেকে আসে। এই টুলের মাধ্যমে জানা যায় একজন বিজ্ঞাপনদাতা একটি কীওয়ার্ড এর জন্যে কত করে বিড করছেন।

    Google Keyword Planner যেহেতু গুগলের পণ্য তাই এর এটি এসইও এর ক্ষেত্রেও বেশ ভূমিকা পালন করে। এসইও তে যেসব কীওয়ার্ড কাজে লাগে তা এই টুলের মাধ্যমে সহজেই জানতে পারবেন।

    Google Search Console [ ফ্রি ]

    Google Search Console হলো এই সময়ের অন্যতম একটি কীওয়ার্ড রিসার্চ টুল। আপনি কি জানেন এই টুলসের মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন, আসলে গুগল আপনাকে কোন কোন কিওয়ার্ডের উপর বেজ করে, আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিটর নিয়ে আসছে। এবং কোন কোন কিওয়ার্ডে আপনার ওয়েবসাইট ইম্প্রেশন পাচ্ছে। আপনার সার্চকৃত পৃষ্ঠাগুলির মধ্যে যেসব বেশি ক্লিক পেয়েছে এই টুল তা পানাদের সামনে উপস্থাপন করবে। এই টুল ব্যবহার করার জন্য আমাদের ‘Opportunity Keywords’ গুলো ব্যবহার করতে হবে। ‘Opportunity Keywords’ হলো যেসব কিওয়ার্ডস গুগলে ৮ থেকে ২০ পৃষ্ঠার মধ্যে অবস্থান করছে। সাথে কিছু অন পেজ এসইও করলেই আপনার ranking আরো বেড়ে যাবে।

    আপনি কি জানেন Google Search Console এবং Google Analytics একাউন্ট একত্রে করা যায়? হা এটা যায়। এবং এর মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই ‘Opportunity Keywords’ কীওয়ার্ডস রিসার্চ করতে পারবেন। Google Search Console হলো একটি underrated কীওয়ার্ড রিসার্চ টুল। একমাত্র এই টুল ব্যাতিত এমন কোনো টুল নেই যেটি আপনাকে ‘Opportunity Keyword’ সম্পর্কে সাহায্য করবে।

    Google Trends[ ফ্রি ]

    আমরা কোনো বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত জানার জন্য, যে শব্দ বা শব্দগুচ্ছ গুলো Keyword হিসেবে সার্চ করি সেগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি যে শব্দ গুলো সার্চ করা হয় সেগুলোই হচ্ছে গুগলের ট্রেন্ড।

    এই Google Trends গুগলের তৈরি এমন একটি ব্রাউজার অ্যাপ্লিকেশন, যার মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই জানতে পারবেন, নির্দিষ্ট সময়ে একটি দেশে কোন টপিক এর উপর সবচেয়ে বেশি সার্চ করা হচ্ছে এবং সাম্প্রতিক সময়ের ট্রেন্ডিং টপিকস কোনটি।

    অর্থাৎ, আপনি যদি এই মুহূর্তে জানতে চান ইণ্ডিয়াতে কোন বিষয়ের উপর সবচেয়ে বেশি সার্চ করা হচ্ছে এবং সেখানকার সাম্প্রতিক ভাইরাল টপিক গুলো কি কি, তাহলে আপনাকে Google Trends ব্যবহার করতে হবে। আপনি যদি নতুন নতুন কীওয়ার্ড সার্চ করতে চান তাহলে আপনাকে Google Trends টুলটি ব্যবহার করতে হবে। শুধুমাত্র নতুন নতুন কীওয়ার্ডই নয় বরং কীওয়ার্ড সার্চ করার প্রবণতা কেমন সেটাও এই টুলটি আপনাকে জানিয়ে দিবে।

    এই টুলটি আপনি দুই ভাবে ব্যবহার করতে পারবেন। প্রথমত, আপনি কোনো নিদৃষ্ট কীওয়ার্ড সার্চ করবেন তাহলে এই টুলটি এর সাথে সম্পর্কিত সকল কীওয়ার্ড আপনার সামনে প্রদর্শন করবে।

    দ্বিতীয়ত, কীওয়ার্ড সার্চ করার পর আপনি এই কীওয়ার্ড টি কেমন জনপ্রিয়, এর জনপ্রিয়তার হার কেমন বা প্রবণতা কেমন তা গ্রাফ আকারে দেখতে পাবেন। যা এই কীওয়ার্ড সম্পর্কে আপনাকে চমৎকার আইডিয়া দিবে। এই টুলটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ কারণ- এর মাধ্যমে আপনি দুটি কীওয়ার্ড এর তুলনামূলক রেজাল্ট গ্রাফ আকারে দেখতে পারবেন। যেমন: আমি যদি সার্চ করি ‘Content Marketing’ এবং ‘Inbound Marketing’ এই দুইটি কীওয়ার্ড দিয়ে তাহলে দেখা যাবে ‘Content Marketing’ এর গ্রাফ সবার উপরে এবং এর জনপ্রিয়তার প্রবণতা বা সার্চ করার প্রবণতা বেশি। তাই বলে যে, ‘Inbound Marketing’ কীওয়ার্ডটি খারাপ তা না বরং এর তুলনায় আগেরটির প্রবণতা বেশি।

    বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম সার্চ ইঞ্জিন ইউটিউব এর ক্ষেত্রেও আপনি এই Google Trends এর ব্যবহার পাবেন যা সত্যিই অনেক চমৎকার।

    যদি আপনি অনেক বেশি কনটেন্ট লিখেন তাহলে অবশ্যই আপনার এই টুল টি ব্যবহার করা উচিত। কারণ-এই টুলের মাধ্যমে যে কীওয়ার্ড দিয়ে আপনি কনটেন্ট লিখবেন তা থেকে দীর্ঘসময় ধরে ট্রাফিক 

    পেতে থাকবেন।

    Answer The Public

    সম্পূর্ন ফ্রীতে কিওয়ার্ড রিসার্চ করার জন্য আরও একটি জনপ্রিয় টুলস হলো,  Answer the public. যার মাধ্যমে আপনি আনলিমিটেড কিওয়ার্ড রিসার্চ করতে পারবেন একদম বিনামূল্যে। 

    তো এখন প্রশ্ন হলো যে, “কিভাবে আপনি এই ওয়েবসাইট থেকে ফ্রীতে কিওয়ার্ড রিসার্চ করবেন? “

    ফ্রীতে কিওয়ার্ড রিসার্চ করার জন্য সর্বপ্রথম আপনাকে এই ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে ৷ এবং প্রবেশ করার সাথে সাথে আপনি দেখতে পারবেন ৷ একটি মানুষ নড়াচড়া করছে এবং আপনার দিকে তাকিয়ে আছে।

    এবং আপনার সার্চ করা কিওয়ার্ড সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন। Answer the public নামের এই টুলসটি ব্যবহার করলে আপনি বেশ কিছু বেনিফিট পাবেন।

    যেমন আপনার Keyword Related আরও যে LSI Keyword গুলো থাকবে। আপনি সেগুলোকে খুব সহজেই খুজে নিতে পারবেন এই টুলসের মাধ্যমে।

    Soovle

    এই কীওয়ার্ড রিসার্চ টুলটি বিভিন্ন জায়গা থেকে সবচেয়ে ভালো কীওয়ার্ড গুলো আপনার জন্য বেছে বেছে প্রদর্শন করবে। যেমন: গুগল, ইউটিউব, বিং, আমাজন, ইয়াহু থেকে ভালো ভালো কীওয়ার্ড গুলো বাছাই করে প্রদর্শন করে এই কীওয়ার্ড রিসার্চ টুলটি।

    এই কীওয়ার্ড টুল থেকে আপনি আপনার পছন্দের কীওয়ার্ড গুলো ড্র্যাগ-ড্রপ এর মাধ্যমে বাছাই করে সেভ করে রাখতে পারবেন। এরপর আপনার সেভকৃত কীওয়ার্ড গুলো CSV ফাইলে ডাউনলোড করতে পারবেন। Soovle হলো ফ্রি কীওয়ার্ড রিসার্চ টুলগুলোর মধ্যে অন্যতম।

    Keyworddit

    অন্যান্য টুলসের মতো ফ্রী ইউনিক টুলস হলো, Keyworddit. এই টুলসের মাধ্যমে আপনি নিশ রিলেটেড কিওয়ার্ডকে Find Out করতে পারবেন। 

    তবে বলে রাখা ভালো যে, এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আপনি সেইসব কিওয়ার্ডকে খুজে পাবেন। যেই কিওয়ার্ড গুলো Raddit এ সার্চ করা হয়ে থাকে।

    যদি আপনার ওয়েবসাইটের নিশ সম্পর্কে আপনার তেমন কোনো প্রকার ধারনা না থাকে। তাহলে আপনার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত টুলস হবে Keyworddit.

    যেমন ধরুন, আপনি একটি মোবাইল রিভিউ করার একটি নতুন ওয়েবসাইট তৈরি করলেন। কিন্তুু আপনি বুঝতে পারছেন না যে, মোবাইল রিভিউ রিলেটেড কোন কোন বিষয় গুলো নিয়ে মানুষ অনলাইনে সার্চ করে। তাহলে আপনি Keyworddit নামের এই টুলসটি ব্যবহার করতে পারবেন।

    যদি আপনি এই টুলসের মাধ্যমে কিওয়ার্ড রিসার্চ করেন। তাহলে আপনার কিওয়ার্ড রিলেটেড আরও অনেক Relevant Keyword খুজে পাবেন ৷ এছাড়াও Focus Keyword বাদেও এর সাথে যে প্রাসঙ্গিক কিওয়ার্ড গুলোকে খুজে পাবেন ৷ সেই কিওয়ার্ড গুলোর সার্চ ভলিউম সম্পর্কেও জানতে পারবেন।

    তো এই টুলসটি আমি আপনাকে রেকমেন্ড করছি, তার কিছু কারন আছে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু কারন হলো, যারা ব্লগিং সেক্টরে একেবারেই নতুন ৷ তাদের জন্য কিওয়ার্ড রিসার্চ করার সবচেয়ে Easy Tools হবে Keyworddit.

    Keyword Surfer

    কিওয়ার্ড রিসার্চ করার জন্য আরও একটি পপুলার টুলসের নাম হলো, Keyword Surfer.

    এই টুলসের মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই কোনো কিওয়ার্ড এর Search Volume কত,  Keyword Difficulty কত ইত্যাদি বিষয়গুলো সম্পর্কে খুব দ্রুত জানতে পারবেন। 

    তবে বলে রাখা ভালো, যাদের ডেক্সটপ বা ল্যাপটপ আছে ৷ তারা এই টুলসটি ব্যবহারে বিশেষ বেনিফিট পাবেন। কেননা, Keyword Surfer এ হলো একটি এক্সটেনশন। এবং এই এক্সটেনশ এর মাধ্যমে কিওয়ার্ড রিসার্চ করা হয়ে থাকে। তো আপনি যদি আপনি এই টুলসটি ব্যবহার করেন। তাহলে বেশ কিছু সুবিধা ভোগ করতে পারবেন। যেমন, আমরা যখন গুগলে কোনো কিছু সার্চ করি ৷

    তখন গুগল সার্চ বক্সের ঠিক নিচের দিকে সেই টপিক রিলেটেড আরও কিছু কিওয়ার্ড শো করে। 

    তো Keyword Surfer এর মাধ্যমে আপনি যে টপিকে লিখে সার্চ করবেন। সেই টপিকের সার্চ ভলিউম দেখানোর পাশাপাশি, সেই টপিক রিলেটেড আরও যে কিওয়ার্ড গুলো থাকবে।

    সেই সবগুলোর সার্চ ভলিউম সম্পর্কে জানতে পারবেন এই Keyword Surfer এর মাধ্যমে। 

    গুগল কিওয়ার্ড প্লানার দিয়ে কিভাবে ফ্রি কিওয়ার্ড রিসার্চ করা যায়  (How To Use Google Keyword Planner in Bangla)

    Google keyword planner tool আমরা সাধারণত গুগলের এই ফ্রি টুল ব্যবহার করে এই সাইটের প্রতিটি আর্টিকেলের জন্য ভালো ভালো এবং গুগল সার্চে অধিক বেশি পরিমাণ সার্চ হওয়া কীওয়ার্ড খুঁজে বের করি। এই টুলটি সবচেয়ে জনপ্রিয়। এর সম্পর্কে তেমন কিছু বলার নেই, কারণ সবাই আমরা কম বেশি এই টুলস সম্পর্কে জানি। গুগলের নিজস্ব Keyword রিসার্চ টুলস। ইন্টারনেট মার্কেটের সবচেয়ে জনপ্রিয় ফ্রি কিওয়ার্ড রিসার্চ টুলটি হলো, Google Keyword Planner। আপনি যদি একজন ব্লগার হিসেবে কিওয়ার্ড রিসার্চের ক্ষেত্রে নতুন হয়ে থাকেন; তবে এই Google Keyword Planner টুলটি আপনার জন্য প্রথম পছন্দের একটি অনলাইন এসইও টুলস হতে পারে। বিশেষ করে লো কম্পিটিশন কীওয়ার্ড রিসার্চ করার জন্য যথেষ্ট ভালো একটি টুলস।

    কারণ, গুগল কিওয়ার্ড প্ল্যানার টুলটি ব্যবহার করে আপনি কোনো ঝামেলা ছাড়াই অত্যন্ত নিখুঁতভাবে যে কোনো কিওয়ার্ড সম্পর্কে পরিষ্কার ধারনা পেতে পারেন। আবার, Google Keyword Planner ব্যবহার করে একজন অনলাইন মার্কেটার খুব সহজেই বুঝতে পারবেন- তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের যে পণ্যের প্রচার প্রয়োজন; সেই পণ্য সম্পর্কিত তথ্য সার্চ ইঞ্জিনের প্রথম পাতায় নিয়ে আসার জন্য কি ধরনের কীওয়ার্ড টার্গেট করে এসইও করা আবশ্যক।

    কীওয়ার্ড রিসার্চ এ Google Keyword Planner এর ব্যবহার

    এটি কীওয়ার্ড রিসার্চ করার সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম। এই টুলটি গুগলের হবার কারনে এর থেকে প্রাপ্ত ডাটা সবথেকে অথেনটিক। সবচেয়ে বড় কথা Google keyword planner সম্পূর্ণ ফ্রি। এখান থেকে আপনি যা যা পেতে পারেন-

    • এভারেজ মান্থলি সার্চ ভলিউম
    • কম্পিটিশন
    • বিড রেঞ্জ
    • কম্পিটিশন ইন্ডেক্স ভ্যালু

    আপনি কোন কীওয়ার্ড ব্যবহার করে লিখবেন তা জানার জন্য উপরের ৪টি জিনিসই খবই কাজে দিবে। এভারেজ মান্থলি সার্চ ভলিউম থেকে আপনি বুঝতে পারবেন ঐ কীওয়ার্ড মাসে কী পরিমাণ সার্চ হয়, বিড রেঞ্জ থেকে আপনি জানতে পারেন ঐ কীওয়ার্ড ব্যবহার করে যারা এ্যাড দিচ্ছে তারা কত ডলার খরচ করছে এবং কম্পিটিশন ইন্ডেক্স ভ্যালু থেকে আপনি জানতে পারবেন ঐ নির্দিষ্ট কীওয়ার্ড এ কেমন প্রতিদন্দিতা চলছে এ্যাড এ। আসলে এর বাইরে আর তেমন কিছু জানার নেই।

    ও হ্যা, আরেকটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ কাজ যা করতে পারবেন তা হল লোকেশন বুঝে কীওয়ার্ড এর সার্চ ভলিউম ও অন্যান্য রিসার্চ করতে পারবেন এখান থেকে। মানে, আপনার টার্গেট কাস্টোমার যদি শুধু বাংলাদেশের হয় তাহলে আপনি শুধু বাংলাদেশ লোকেশন ফিক্সড করে দিয়ে কীওয়ার্ড এনালাইসিস করতে পারবেন। এটাও খুবই কাজে দেয় বাংলা কীওয়ার্ড রিসার্চ এর ক্ষেত্রে। মূলত গুগলের মাধ্যমে বিজ্ঞাপন দাতাদেরকে বিজ্ঞাপন দেয়ার পূর্বে তাদের ওয়েবসাইটের কিওয়ার্ডস সম্পর্কে ধারনা দেয়ার জন্য এ টুলসটি চালু করে, কিন্তু এটিতে Keyword Research অপশন উন্মুক্ত থাকার কারনে Adwords Publishers এবং Webmaster উভয়ই এটি ব্যবহার করতে পারেন। যে কোন ধরনের কীওয়ার্ড সম্পর্কে পরিষ্কার ধারনা নেওয়ার জন্য এটি অত্যন্ত কার্যকরী একটি ফ্রি টুলস। Google Keyword Planner দিয়ে কিওয়ার্ড রিসার্চ করার জন্য প্রথমে আপনার জিমেইল আইডি ব্যবহার করে একটি গুগল AdWords একাউন্ট তৈরি করে নিতে হবে।

    কিভাবে Keywords রিসার্চ করবেন?

    • Google Adwords এর ড্যাশবোর্ডের ডানপাশের উপরে নিচের চিত্রের ন্যায় Tools অপশনটি দেখতে পাবেন।
    • উপরের চিত্র হতে Tools আইকনে ক্লিক করলে নিচের অপশনগুলো শো করবে।
    • উপরের চিত্রের Tools > Keyword Planner এ ক্লিক করলে কীওয়ার্ড রিসার্চ করার জন্য দুটি অপশন পেয়ে যাবেন
    • উপরের চিত্রে আপনি দুটি অপশন দেখতে পাচ্ছেন। এখানে আমরা প্রথম অংশটির Find new Keywords অংশটি ব্যবহার করব। যেহেতু আমাদের ব্লগ/ওয়েবসাইটের জন্য কীওয়ার্ড রিসার্চ করব সেহেতু আমরা শুধুমাত্র Find new Keywords অংশটি ব্যবহার করে কীওয়ার্ড সম্পর্কে বিস্তারিত ধারনা পেয়ে যাব। অপর অংশটি ব্যবহার করা আমাদের খুব একটা প্রয়োজন হবে না। তবে যারা গুগল এ বিজ্ঞাপন দিতে চান তাদের জন্য অপর অংশটির প্রয়োজন আছে।
    • কীওয়ার্ড রিসার্চ করার জন্য Find new Keywords অপশনে ক্লিক করা মাত্র নিচের অপশন দেখতে পাবেন।
    • আপনি যে কীওয়ার্ড রিসার্চ করতে চান সেগুলো উপরের সার্চ বক্সে লিখে দিতে হবে। নিচের চিত্রে দেখুন-
    • উপরের চিত্রে দেখুন আমি তিনটি কীওয়ার্ড লিখে দিয়েছি। একটি কীওয়ার্ড লিখার পর ক্ষমা দিয়ে পরের কীওয়ার্ডটি লিখতে হবে। তবে এখানে শুধুমাত্র একটি কীওয়ার্ড নিয়েও রিসার্চ করা যায়।
    • সবশেষে উপরের চিত্রের Get Started বাটনে ক্লিক করলে আপনার কাঙ্খিত কীওয়ার্ড সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য শো করবে।
    • উপরের চিত্রের ৩ নং অংশে দেখুন সার্চকৃত কীওয়ার্ডগুলো মাসে কি পরিমানে সার্চ হয় সেটি শো করছে। প্রত্যেকটা কীওয়ার্ড মাসে ১০ হাজার থেকে ১০০ হাজার পর্যন্ত সার্চ ইঞ্জিনে খোঁজা হয়ে থাকে। এই কীওয়ার্ড গুলোর প্রথমটির কম্পিটিশন Medium এবং বাকী ‍দুটি কীওয়ার্ড এর কম্পিটিশন Low রয়েছে। কাজেই এই কীওয়ার্ড নিয়ে পোস্ট করলে ভিজিটর বেশী পাওয়ার সম্ভবনা রয়েছে। 
    • চিত্রের ২ নং তীর দিয়ে মার্ক করা অংশে বলছে সার্চকৃত কীওয়ার্ড রিলেটেড আরো ২৬৬০ টি কীওয়ার্ড রয়েছে, যেগুলো সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য নিচে শো করছে। এ ভাবে আপনার প্রয়োজনীয় সকল কীওয়ার্ড সম্পর্ক Google Keyword Planner হতে সহজে ধারনা পেয়ে যাবেন।
    • চিত্রের ১ নং তীর চিহ্নিত অংশে হতে Location পরিবর্তন করে দিতে পারবেন। আমার এই কীওয়ার্ডগুলো শুধুমাত্র বাংলাদেশ হতে কি পরিমানে সার্চ করা হয় সেটি জানতে চাইলে Location বাংলাদেশ সিলেক্ট করে দিলে যাবতীয় তথ্য পেয়ে যাবেন।
    • এ ছাড়াও ডান পাশে কীওয়ার্ড গুলোর ভ্যালু ও বিজ্ঞাপন মূল্য কি পারিমান সেটি দেখাচ্ছে। এতেকরে আপনি কোন কোন কীওয়ার্ড নিয়ে কাজ করলে গুগল এ্যাডসেন্স হতে কি পরিমান আয় করতে পারবেন সেটি সম্পর্কে আনুমানিক ধারনা পেয়ে যাবেন। 

    কিভাবে Filter করে কীওয়ার্ড রিসার্চ করবেন?

    Google Keyword Planner এ কীওয়ার্ড Filter করে কীওয়ার্ড রিসার্চ করার অপশনটি অসাধারন একটি ফিচার্স। আমি সবসময় Keyword Research এর ক্ষেত্রে Filter অপশনটি ব্যবহার করে কীওয়ার্ড সম্পর্কে বিভিন্ন ধারনা নিয়ে থাকি। নিচে দেখুন কিভাবে Filter করে কীওয়ার্ড রিসার্চ করতে হয়?

    গুগল Keyword Planner ব্যবহার করে কিভাবে কীওয়ার্ড Bangla keyword Research করবেন?
    • আপনার সার্চকৃত Keyword সম্পর্কে Filter করে তথ্য জানার জন্য উপরের চিত্রের ন্যায় Add Filter অপশনে ক্লিক করা মাত্র নিচের চিত্রের ন্যায় Filter করার বিভিন্ন অপশন দেখতে পাবেন।
    গুগল Google Bangla Keyword Planner ব্যবহার করে কিভাবে কীওয়ার্ড Research করবেন?
    • উপরের চিত্রে দেখুন Filter করার অনেকগুলো অপশন শো করছে। এখান থেকে আপনার প্রয়োজনীয় অপশন সিলেক্ট করে কীওয়ার্ড সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য জানতে পারবেন।
    • উদাহরণ হিসেবে মনেকরুন, আপনি কীওয়ার্ড Competition সম্পর্কে জানতে চাইছেন। এ ক্ষেত্রে আপনাকে উপরের চিত্রের Competition অপশন ক্লিক করতে হবে। Competition এ ক্লিক করার পর নিচের চিত্রটি দেখতে পাবেন।
    • আপনি যদি কম Competitive কীওয়ার্ড নিয়ে কাজ করতে চান, তাহলে উপরের চিত্র হতে Low সিলেক্ট করে নিচের Apply অপশনে ক্লিক করলে Low Competitive কীওয়ার্ড সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পেয়ে যাবেন।

     আপনাকে আপনার সার্চ করা কীওয়ার্ড এর মাসের সার্চের সংখ্যা দেখানোর সাথে সাথে সেই কীওয়ার্ড টিতে “প্রতিযোগিতা (competition) কতটা কম বা বেশি, সেটাও দেখিয়ে দেয়া হয়। ইংরেজির সাথে সাথে বাংলা কীওয়ার্ড, হিন্দি কীওয়ার্ড এবং আরো অন্যান্য ভাষার কীওয়ার্ড আপনারা এই টুলের মাধ্যমে রিসার্চ করতে পারবেন। Location, language এর সাথে সাথে, কোন মাসে বা সময়ে keyword টির চাহিদা কতটুকু ছিল, সবটাই জেনে নেয়া সম্ভব এই টুলের ব্যবহার করে।তাছাড়া, এই টুলের আরো একটি গুন্ রয়েছে। আপনার সার্চ করা শব্দ বা বাক্যের সাথে জড়িত (related) আরো অন্যান্য keywords এবং গুগলে তাদের সার্চের পরিমান সবটাই দেখিয়ে দেয়।

    এতে, আপনি আপনার কন্টেন্টে টার্গেট করা কীওয়ার্ড এর সাথে জড়িত আরো লাভজনক keywords যোগ করতে পারবেন। আবার, ভবিষ্যতের নতুন নতুন আর্টিকেল লিখার জন্য লাভজনক keyword ideas ও পেতে থাকবেন।

    কিওয়ার্ড রিসার্চ করার জন্য পেইড টুলসঃ

    অনলাইনে টাকার বিনিময়ে কিওযার্ড রিসার্চ করার জন্য অনেক টুলস আছে ৷ তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু টুলস হলো, 

    • Ahrefs
    • SEMrush
    • WebCEO
    • Ubersuggest
    • Serpstat
    • Mangools KWFinder
    • Moz
    • Keyword Everywhere 
    • BuzzSumo
    • SpyFu

    তবে এগুলো ছাড়াও আরও অনেক টুলস আছে।

    Ahrefs Keywords Explorer

    Ahrefs Keywords Explorer একটি সম্পূর্ণ পেইড কিওয়ার্ড রিসার্চ টুলস। আপনার যদি বাজেটে সমস্যা না থাকে তাহলে এই Ahrefs Keywords Explorer টুলটি আপনার জন্য বেস্ট। সাধারন ব্লগার থেকে শুরু করে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং ব্লগারদের কাছে এটি তুমুল জনপ্রিয় একটি কিওয়ার্ড রিসার্চ টুল। Blogger, affiliate marketer, digital marketer প্রত্যেকেরই পছন্দের টুল ahrefs। এটি এই ফিল্ডের সবচেয়ে জনপ্রিয় keyword research tool যেটি থেকে নিঃসন্দেহে ভালো ভালো কিওয়ার্ড খুঁজে পাওয়া যায়। এটিও সম্পূর্ণ paid টুল।

    কিভাবে KWFinder দিয়ে কিওয়ার্ড রিসার্চ করবেন?

    এটি একটি শক্তিশালী Keyword Research Tool যা ব্যবহার করা খুবই সহজ। এই টুলের অনেক feature আছে সত্যি কিন্তু প্রতিটি ফীচার বুঝতে ও ব্যবহার করতে কোনো বেগ পেতে হয় না। যে কেউ খুব সহজেই এটি ব্যবহার করতে পারবে।

    আর এআই এর এই যুগে AI দিয়ে আপনি সহজেই Keyword Research করতে পারবেন বিভিন্ন এআই টুলসহ নিচের পদ্ধতির মাধ্যমে।

    এই টুলের একটি বড় সুবিধা হলো, প্রতিটি কীওয়ার্ড এর difficulty level জানার জন্যে বার বার কীওয়ার্ডটির উপর ক্লিক করতে হয় না বরং এই টুল প্রতিটি কীওয়ার্ড এর পাশেই এর ডিফিকাল্টি লেভেল প্রদর্শন করে।

    KWFinder একটি পেইড এসইও টুল হলেও এটিতে ফ্রি একাউন্ট করে প্রতিদিন ৩টি কিওয়ার্ড ফ্রিতে রিসার্চ করার সুযোগ পাবেন। এই টুলস দিয়ে কিওয়ার্ড রিসার্চ করার জন্য KWFinder লিংকটিতে ক্লিক করুন। তারপর আপনার ইমেইল আইডি ব্যবহার করে একটি একাউন্ট তৈরি করে নিন।

    উপরের চিত্রে দেখুন আমি KWFinder টুল এ “Keword Research” কিওয়ার্ডটি লিখে সার্চ করায় বাম পাশের অংশে রিলেটেড কিওয়ার্ড শো করছে। সেই সাথে রিলেটেড কিওয়ার্ডগুলো মাসে কি পরিমান সার্চ হয়, কিওয়ার্ড Defficulty কত, সিপিসি ও পিপিসি ইত্যাতি তথ্য শো করছে। ডানপাশের অংশে শো করছে এই কিওয়ার্ড নিয়ে কাজ করলে কোন কোন ব্লগ আপনার প্রতিদন্ধি হতে পারে। সেই সাথে তাদের কি পরিমান ব্যাকলিংক আছে ইত্যাদি ইত্যাদি তথ্য শো করছে। এই সব তথ্য থেকে আপনি চাইলে সহজে আপনার কাঙ্খিত কিওয়ার্ড সম্পর্কে ধারনা নিতে পারবেন।

    SEMrush

    ahrefs এর মতই এটিও একটি খুবই ভালো keyword research tool  এটিও paid service প্রদান করে। আমার মতে বাংলা কিওয়ার্ড রিসার্চের ক্ষেত্রে এটিকে ব্যবহার করা সবচেয়ে ভালো। পেইড কীওয়ার্ড রিসার্চ টুলস গুলোর মধ্যে SEMrush আরো একটি জনপ্রিয় টুলস। Ahrefs Keywords Explorer এর মতো SEMrush দিয়ে ও সাইট অডিট থেকে শুরু করে কম্পিটিটরেরে ব্যাকলিঙ্ক পর্যবেক্ষণ এর মতো অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পাদন করতে পারবেন। আপনার যদি বাজেটের সমস্যা না থাকে তাহলে SEMrush ব্যবহার করতে পারেন

    Keywords Everywhere

    Keywords Everywhere মূলত একটি ব্রাউজার এক্সটেনশন। গুগল ক্রোমের পাশাপাশি আপনি এটি মজিলা ফায়ার-ফক্সে ও Add-on হিসাবে ব্যবহার করতে পারবেন। এই এক্সটেনশন এর মাধ্যমে আপনি খুব সহজে গুগল সার্চ অপশনে যে কোন Keyword এর মান্থলি সার্চ ভলিউম সহ CPC ও কম্পিটিশন দেখতে পাবেন। অর্থাৎ আপনার এর জন্য অতিরিক্ত কোন প্রকার টুলস এর প্রয়োজন নেই। শুধু মাত্র গুগল সার্চ রিজাল্টেই আপনি আপনার কাঙ্ক্ষিত কীওয়ার্ড এর সম্পূর্ণ বিবরণ পেয়ে যাবেন।

    Keywords Everywhere ব্রাউজার এক্সটেনশন এর আরো একটি অন্যতম ফিচার হলো, এখানে আপনি Google সার্চ রিজাল্টের মত People Also Search For এর মত গুরুত্বপূর্ণ ফিচার পেয়ে যাবেন। যার মাধ্যমে আপনি একটি কীওয়ার্ড এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ অন্যান্য কীওয়ার্ড গুলো ও খুব সহজে পেয়ে যাবেন।

    SECockpit

    যারা প্রফেশনাল মানের SEO Expert তাদের জন্য একটি বেস্ট কীওয়ার্ড রিসার্চ টুল হলো SECockpit। এই টুলও আপনাকে অন্যান্য টুলগুলোর মতো কীওয়ার্ড রেজাল্ট প্রদর্শন করবে কিন্তু এর মাধ্যমে একদম গভীর ভাবে সার্চের প্রবণতা, organic competition এবং traffic estimates সম্পর্কে বিশদ জানতে পারবেন। এর মানে হলো, SECockpit Keyword Research Tool টি প্রফেশনাল মানের SEO Expert দের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। তবে নতুনরাও এর থেকে সুবিধা নিতে পারবে। তবে এটা সত্যি যে, যারা ধ্যানে, জ্ঞানে, ঘুমে ভিতর থেকে এসইও কে অনুভব করে তাদের জন্য এটি একটি বেস্ট কীওয়ার্ড রিসার্চ টুল। এর একটি অসাধারণ ফীচার হলো এর filtering ব্যবস্থা। এই টুল এ প্রায় ১০০ এর মতো ফিল্টার এর ব্যবস্থা আছে। যার সাহায্যে আপনি ইচ্ছামতো আপনার কাঙ্খিত কীওয়ার্ড গুলোকে সাজিয়ে নিতে পারবেন।

    যদি আপনি একজন এসইও এক্সপার্ট এর মতো কীওয়ার্ড রিসার্চ করতে চান কিংবা advanced সব ফীচার ব্যবহার করতে চান তাহলে আপনার জন্য বেস্ট অপশন হলো SECockpit Keyword Research Tool।

    SEMScoop

    ফ্রীতে কীওয়ার্ড রিসার্চ  এর জন্য SEMscoop একটা ভালো অপশন হতে পারে। এখানে মাসে কত ভিজিট হয় সেটা দেখার পাশাপাশি খুব ভালোভাবে কম্পিটিটরদের নিয়ে রিসার্চ করতে পারবেন। কত শব্দে লিখলে প্রথম পাতায় আসা সম্ভব সেটাও জানতে পারবেন।  সমস্যা হচ্ছে এরা দিনে তিনটা সার্চ করতে দেয়। আপনার যদি একাধিক একাউন্ট থাকে তাহলে প্রতিটি একাউন্টে দিনে তিনটা করে কিওয়ার্ড সার্চ করতে পারবেন। যেভাবে ব্যবহার করবেন-

    কিওয়ার্ড লিখে সার্চ দিন এবং কম্পিটিশন স্কোর দেখুন

    কিওয়ার্ড সাজেশন দেখুন

    কম্পিটিটরদের ওয়েব এড্রেস দেখুন

    কমপক্ষে কত শব্দে লিখেল র‍্যাংক করাতে পারবেন সেটি দেখুন এবং লিখে ফেলুন

    কিভাবে উবারসাজেস্ট (Ubersuggest) দিয়ে কিওয়ার্ড রিসার্চ করবেন?

    গুগলের কীওয়ার্ড প্ল্যানার টুল এর পর আমি পরামর্শ দিবো “Ubersuggest tool” ব্যবহার করার।

    কারণ, keyword planner এর মতোই, এই টুল সম্পূর্ণ ফ্রি এবং যেকোনো কীওয়ার্ড গুগলে মাসে কতবার সার্চ করা হয়, তার সঠিক তথ্য আমাদের দিয়ে দেয়।

    আপনারা ওপরে দেখতেই পারছেন, আমি “how to start a blog” লিখে সার্চ করার পর, টুলটি আমাকে দেখিয়ে দিলো যে মাসে ৬০,৫০০ বার এই কীওয়ার্ড গুগলে সার্চ করা হয়।

    তাছাড়া, SEO difficulty score এর মাধ্যমে, কীওয়ার্ডটি ব্যবহার করে ট্রাফিক পাওয়াটা কতটা সহজ সেটাও আপনারা জেনেনিতে পারবেন।

    মনে রাখবেন, SEO difficulty score যতটাই কম হবে (২০ থেকে কম হলে ভালো), সেই কীওয়ার্ড এর মাধ্যমে গুগলে আর্টিকেল রাংক (rank) করানোটা ততটাই সহজ হবে।

    Volume এর নিচে দেখতে পাচ্ছেন যে, কীওয়ার্ডটির প্রত্যেক মাস হিসেবে search volume দেয়া রয়েছে।

    মানে, বাক্যটি কোন মাসে গুগলে কতবার সার্চ হয়েছিল সেটাও আপনারা জেনেনিতে পারবেন।

    এভাবে, এই ফ্রি টুল ব্যবহার করে আপনারা, যেকোনো keyword, শব্দ বা বাক্য গুগল সার্চে কতবার সার্চ করা হচ্ছে, তার তথ্য পেয়ে যাবেন।

    এবং, তার সাথে সাথে যেকোনো keyword কত সহজে গুগলে রাংক (rank) করানো যেতে পারে সেটাও জেনেনিতে পারবেন SEO difficulty score এর মাধ্যমে।

    Moz Keyword Explorer

    যেসব keyword থেকে বেশি ট্রাফিক আসে এই কীওয়ার্ড রিসার্চ টুলটি সেইসব কীওয়ার্ড বেশি প্রদর্শন করে। এই টুলের মাধ্যমে ‘Lateral’ Keyword এর আইডিয়া পাওয়া যায়।

    যেমন: ধরুন আপনি ‘weight loss’ নিয়ে সার্চ করলেন তাহলে অন্যান্য কীওয়ার্ড টুল গুলো আপনাকে রিলেটেড কীওয়ার্ডগুলো দেখাবে কিন্তু মোজ এখানে একটু ভিন্ন। এই টুলটি তখন এমন কিছু কীওয়ার্ড সাজেস্ট করবে যা আপনি অন্য কোথাও খুঁজে পাবেন না।

    এর দুটি feature হলো-

    • Organic CTR এবং
    • Priority

    “Organic CTR” এর মাধ্যমে আপনার টার্গেটেড কীওয়ার্ড এ কত পরিমাণ ক্লিক হতে পারে তা এই ফীচার এর মাধ্যমে জানা যাবে। অন্যদিকে “Priority” এর মাধ্যমে কীওয়ার্ড এর CTR (Clickthrough rate), search volume এবং keyword difficulty সম্পর্কে জানতে পারবেন।

    এই টুলটি অসাধারণ একটি টুল। যদিও এর কোনো ফ্রি ভার্সন নেই। আপনাকে পে করে তারপর এই টুলটি ব্যবহার করতে হবে।

    LongTailPro

    সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশনের প্রয়োজনে যে কোন বিষয়কে সার্চে ইঞ্জিনের প্রথম পাতায় নিয়ে আসার জন্য ঐ বিষয়ের সাথে সম্পর্কযুক্ত লং টেইল কিওয়ার্ড নির্বাচন ও তা যথাযথভাবে প্রয়োগ করাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আর এখানেই LongTailPro এর প্রয়োজনটা অনুমান করা সম্ভব।

    LongTailPro সঠিকভাবে একটি নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর ভিত্তি করে নির্বাচন করা সম্ভব এমন কার্যকর লং টেইল কিওয়ার্ড রিসার্চ এর জন্য বিশেষভাবে তৈরি করা একটি কিওয়ার্ড রিসার্চ টুল। আর এ কারণেই পেইড কিওয়ার্ড রিসার্চ টুলসমূহের ভিড়ে সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন বা এসইও এক্সপার্টদের মধ্যে লং টেইল প্রো এর প্রচুর জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে।

     Keywordtool.io(কিওয়ার্ড টুল ডট আই ও)

    কম সময়ে গুগলের দেখানো সাজেশনগুলো বর্ণমালাভিত্তিক সাজানো অবস্থায় এখানে পাবেন। যেকোন কিছু লিখে সার্চ দিলে আরো যেসব সাজেশন দেখায় সেগুলো সব এই টুলের মাধ্যমে দেখা যাবে।  ইংরেজি এবং বাংলা কীওয়ার্ড গুলি নিয়ে রিসার্চ করার আরো একটি একটি টুল হলো “Keyword tool“.

    Keyword tool keyword research.

    ওয়েবসাইটটিতে গিয়ে প্রথম বাক্সে আপনি যেই কীওয়ার্ড নিয়ে তথ্য জেনেনিতে চাচ্ছেন সেটা টাইপ করতে হবে।

    তবে, দ্বিতীয় বাক্সে আপনারা কীওয়ার্ড এর ভাষা বেঁচে নিতে পারবেন।

    যদি ইংরেজি কীওয়ার্ড লিখছেন তাহলে ইংরেজি এবং যদি বাংলা কীওয়ার্ড নিয়ে রিসার্চ করছেন, তাহলে বাংলা ভাষা বেঁচে নিতে হবে।

    মনে রাখবেন, আপনার সার্চ করা keyword এর search volume, CPC এবং competition জানার জন্য আপনার টাকা দিতে হবে।

    তবে, এই টুল আপনার আসল কীওয়ার্ড এর সাথে জড়িত related keywords খোঁজার জন্য সেরা।

    আপনি, আপনার আসল টার্গেট করা কীওয়ার্ড এর সাথে রিলেটেড (related) অন্যান্য অনেক শব্দ বা বাক্য পেয়ে যাবেন, যেগুলি নিজের কন্টেন্টে ব্যবহার করতে পারবেন।

    ফলে, অনেক ধরণের key phrases বা বাক্যের জন্য আপনার আর্টিকেল গুগলে rank করবে।

    Keyword tool ব্যবহার করে খুঁজে বের করা সব ধরণের keyword ideas গুলি গুগল সার্চে মাসে কতবার সার্চ করা হচ্ছে, সেটা আপনারা google keyword planner বা ubersuggest tool ব্যবহার করে জেনেনিতে পারবেন।

    কোন কিওয়ার্ড (কীওয়ার্ড খুঁজে বের করা )গুলোকে নির্বাচন করবেন?

    আপনি এতোক্ষন ধরে জানলেন যে, “কিওয়ার্ড রিসার্চ কি” এবং “কিভাবে কিওয়ার্ড রিসার্চ করতে হয়”? এছাড়াও কিওয়ার্ড রিসার্চ করার জন্য কিছু Paid Tools এবং Free Tools সম্পর্কেও জানতে পেরেছেন।

    তো এবার মূল বিষয় হলো, যখন আপনি কিওয়ার্ড রিসার্চ করবেন ৷ তখন আপনি আসলে কোন ধরনের কিওয়ার্ড গুলোকে নির্বাচন করবেন। তো আপনাকে এমন কিওয়ার্ডকে Catch (নিতে হবে) করতে হবে। যে কিওয়ার্ডে যথেষ্ট সার্চ ভলিউম আছে। এবং এর পাশাপাশি সেই কিওয়ার্ডের Difficulty (KD) ও অনেক কম থাকবে। আপনাকে এমন কিওয়ার্ডকে খুজে নিতে হবে। যে কিওয়ার্ড গুলোর Search Volume যথেষ্ট থাকবে। এবং সেই কিওয়ার্ডের কম্পিটিশনও তুলনামূলক ভাবে কম থাকবে।

    প্রথম ধাপঃ নিশ (টপিক) সিলেক্ট করুন 

    এ জন্য প্রথমে আপনার ব্যবসা অডিট করে আপনার জন্য ভালো নিশ বা টপক সিলেক্ট করতে হবে। কারণ আপনি কি ধরনের আর্টিকেল লিখতে চাচ্ছেন এবং আপনার বিজনেসের জন্য কি ধরনের নিশ দরকার সেটা পাবার পর আপনি আপনার টপিকের উপর আপনার কি আর্টিকেল প্রয়োজন হবে তার একটা লিস্ট তৈরি করে রাখুন।  এই টপিকগুলোর উপরেই ভিত্তি করে এখন আপনাকে নির্দিষ্ট কিওয়ার্ড বের করতে হবে।  আপনি যদি নিয়মিত ব্লগিং অর্থাৎ আর্টিকেল আপডেট করে থাকেন তাহলে আপনি যে টপিকগুলো বেশ জনপ্রিয় অথবা যে টপিকগুলো থেকে আপনার অর্থ উপার্জন হচ্ছে সে টপিকগুলোর উপরেই বেশি কাজ করে যাওয়া আপাতত বুদ্ধিমানের কাজ হবে। যারা সার্চ দেয়, আপনি তাদের মত করে চিন্তা করুন। আপনার যে ওয়েবসাইটটি আছে সেই ওয়েবসাইটে একজন কাস্টোমার বা ভিজিটর হিসেবে আপনি কি চাইতেন? কি ধরনের কিওয়ার্ড দিয়ে আপনি সার্চ করতেন সেটা ভেবে দেখুন। ধরুন আপনার ওয়েবসাইটটি এসইও এর উপরেই তৈরি করেছেন। আবার আপনার যদি সেটা আমাজন বা অন্য কোন আফিলিয়েট সাইটের জন্য হয় তখন আবার আপনাকে লো কেডির উপর জোর দিতে হবে। 

    এখন এই টপিকগুলো দিয়েই কিওয়ার্ড রিসার্চ করতে হবে আপনাকে। দেখতে হবে প্রতি মাসে এই টপিকগুলোর মধ্যে কি কি ধরনের কিওয়ার্ড দিয়ে সার্চ করা হয় এবং কত মানুষ প্রতি মাসে সেই নির্দিষ্ট কিওয়ার্ডগুলো দিয়ে সার্চ করে। মূল টপিকের পাশাপাশি সেই টপিকের অন্তর্ভুক্ত আরো অন্যান্য সাব-টপিক নিয়েও আপনাকে একই ভাবে কিওয়ার্ড রিসার্চ করতে হবে কে এগুলো লিখে কতজন প্রতি মাসে সার্চ করছে। 

    দ্বিতীয় ধাপঃ সাব-টপিক খুঁজে বের করুন 

    আচ্ছা এখন আপনি ইতোমধ্যে যেহেতু আপনার বেশ কয়েকটি টপিক সিলেক্ট করা আছে, এখন আপনাকে সেই টপিকগুলোর আরো কিছু সাবটপিক খুঁজে বের করতে হবে। উদাহরণ স্বরূপ আপনার ওয়েবসাইটের অন্যতম একটি টপিক যেহেতু এসইও বা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন তাই এখন সেই টপিকের আরো কিছু সাবটপিক আপনাকে বের করে নিতে হবে। যেমনঃ 

    > অন পেজ অপটিমাইজেশন

    > অফ পেজ অপটিমাইজেশন 

    >>কিওয়ার্ড র‍্যাংকিং 

    >টেকনিক্যাল এসইও 

    >ব্যাকলিংক কীভাবে করব, ইত্যাদি। 

    একটা কথা মনে রাখবেন, সাব টপিক খুঁজে বের করার মানে কিন্তু এই নয় যে আপনি নির্দিষ্ট কিওয়ার্ড খুঁজে পেয়ে গেছেন। এর মানে হল এই যে, আপনি নিজের টপিক এবং সাবটপিক নিয়ে ভাবলেন এবং অনেক কিছু নতুন করে জানলেন। আর এভাবেই একটি টপিককে ভেঙ্গে ভেঙ্গে আপনাকে একদম ছোট একটি টপিক (নিশ) বের করতে হবে। উদাহরণ স্বরূপ বলা যেতে পারে, এখন অন পেজ অপটিমাইজেশনের মধ্যে কি কি আছে সেগুলো বের করতে হবে, যেমন, H1, H2 ট্যাগ এর ইউজ, মেটা ডেসক্রিপশন, ফোকাস কিওয়ার্ড রাখা, কিওয়ার্ড এর ঘনত্ব অর্থাৎ কতবার কিওয়ার্ডটি ব্যবহার করা যাবে ইত্যাদি।  মানুষ কোন কোন কিওয়ার্ড দিয়ে আপনার ওয়েবসাইটকে খুঁজে পাচ্ছে সেগুলো জানতে গুগল এনালাইটিক্স টুল ব্যবহার করুন। আপনার ওয়েবসাইট গুগল এনালাইটিক্সে এড করে এরপর ওয়েবসাইটের অরগানিক সার্চ রেজাল্ট থেকে খুব সহজেই বের করে ফেলতে পারবেন আপনার কাঙ্ক্ষিত কিওয়ার্ডগুলো। 

    আপনার ব্যবসার জন্য যতগুলো টপিক খুঁজে বের করেছিলেন সেগুলোর সবগুলো নিয়েই এমন সাব-টপিক বের করে নিন এবং এভাবেই আপনি একদম সুনির্দিষ্ট কিওয়ার্ডগুলো খুঁজে বের করতে সক্ষম হবেন। এই ধরনের ক্ষেত্রে সবসময় নিজেকে একজন কাস্টোমারের দিক থেকে তুলনা করবেন আর ভাববেন যে একজন কাস্টোমার ঠিক কি কি ধরনের শব্দ বা বাক্য লিখে গুগুলে সার্চ দিতে পারে। আর এভাবেই আপনি আপনার ব্যবসার সাথে যাচ্ছে এমন লং টেইল কিওয়ার্ডগুলো বাচাই করে নিতে পারবেন। এর পর সেখান থেকে কিওয়ার্ডগুলোর ইন্ট্যান্ট দেখে বাকি অন্য কিওয়ার্ডগুলো আলাদা করে ফেলতে হবে। 

    তৃতীয় ধাপঃ রিলেটেড কিওয়ার্ডের গুরুত্ব

    সঠিক কিওয়ার্ডটি খুঁজে পেতে এই রিলেটেড কিওয়ার্ড খুবই সহায়ক ভূমিকা পালন করে থাকে 

    কিওয়ার্ড রিসার্চের ক্ষেত্রে এই রিলেটেড কিওয়ার্ড বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কোন নির্দিষ্ট টপিক দিয়ে সার্চ দিলে সেই টপিকের সাথে আরো কি ধরনের শব্দ বা বাক্য লিখে মানুষ সার্চ দেয় সেগুলোও চলে আসবে।  অর্থাৎ আপনি যদি টপিকের পাশাপাশি সেই নির্দিষ্ট রিলেটেড কিওয়ার্ডগুলোও আপনার আর্টিকেলের মধ্যে রাখেন তাহলে গুগল খুব সহজেই বুঝে নিতে পারবেন আপনার আর্টিকেলটি আদতে ঠিক কি ধরনের এবং কি কি তথ্য আপনার আর্টিকেলের মধ্যে রয়েছে। উদাহরণ স্বরূপ বলা যেতে পারে, আপনি যদি “কীভাবে কিওয়ার্ড রিসার্চ শুরু করব” লিখে সার্চ দেন তাহলে বেশ কিছু রিলেটেড কিওয়ার্ডও গুগলের সার্চ পেজের নিচে চলে আসবে যেমনঃ কিওয়ার্ড রিসার্চ কিভাবে করতে হয়, কি ওয়ার্ড রিসার্চ, কিওয়ার্ড রিসার্চ কেন এত গুরুত্বপূর্ণ, কিওয়ার্ড কি, কিওয়ার্ড কত প্রকার, কিওয়ার্ড রিসার্চ কেন এত গুরুত্বপূর্ণ, বাংলা কিওয়ার্ড ইত্যাদি দেখতে পাবেন।

    রিলেটেড কিওয়ার্ড খুঁজে বের করে তা কনটেন্টে ব্যবহার করলে গুগল সার্চ রেজাল্টে র‍্যাংক করা সহজ হয়ে যায় । এভাবে আপনি আপনার নির্দিষ্ট টপিকের সাথে সম্পৃক্ত এমন আরো কিওয়ার্ড খুঁজে পাবেন। 

    এবার আপনার নির্দিষ্ট কিওয়ার্ড রেখে কোন লং টেইল কিওয়ার্ড বা বড় কিওয়ার্ড খুঁজে বের করুন। আপনার লং টেইল কিওয়ার্ডের মধ্যেও সুনির্দিষ্ট কিওয়ার্ডটি আছে কি না সে ব্যাপারে লক্ষ্য রাখুন। কেননা গুগলে র‍্যাংক করানোর জন্য লং টেইল কিওয়ার্ডের মধ্যে সুনির্দিষ্ট কিওয়ার্ড থাকাও বেশ গুরুত্বপূর্ণ।

    চতুর্থ ধাপঃ আপনার প্রতিযোগীদের নিয়ে গবেষণা করুন 

    এটা খুব ইম্পরট্যান্ট, সব বিষয়ে আপনি গুগল রাংকে আসতে পারবেন না, বা আসতে পারবেন কিনা সেটা জানার জন্য আপনাকে আপনার কম্পিটাটরদের নিয়ে  রিসার্চ করতে হবে । তবে প্রতিযোগীরা কিছু একটা করছে তার মানে এই নয় যে আপনাকেও সেটা করতে হবে। ঠিক একই রকম কথা কিওয়ার্ডের ক্ষেত্রেও কাজে দেয়। তবে সে যাই হোক, প্রতিযোগী নিয়ে আপনাকে গবেষণা করতে হবে আপনার ব্যবসাকে আরো বেশি এবং ভালোভাবে জানার জন্য ও বুঝার জন্য। কেননা আপনাদের কিওয়ার্ড আলাদা হতে পারে তবে কিওয়ার্ড র‍্যাংক করার উপায়গুলো কিন্তু একদমই এক রকম। তাই প্রতিযোগীদের উপর গবেষণা করে দেখুন যে তারা কীভাবে কোন একটি কিওয়ার্ড র‍্যাংক করাচ্ছে। 

    যদি প্রতিযোগীদের র‍্যাংক করা কিওয়ার্ডগুলোর মধ্যে আপনার কিওয়ার্ডও থেকে থাকে তাহলে আপনাকে বুঝতে হবে যে এই কিওয়ার্ডগুলো নিয়ে আপনাকে আরো বেশি কাজ করতে হবে। তা না হলে প্রতিযোগীদের টপকে আপনি র‍্যাংক করতে পারবেন না। আর তাই যে ধরনের কিওয়ার্ড র‍্যাংক করানো বেশি কষ্টকর সেগুলোর দিকে নজর না দিয়ে বরং যেগুলো খুব সহজেই আপনি র‍্যাংক করিয়ে ফেলতে পারবেন সেগুলোর দিকে প্রথমে নজর দিন এবং সেই কিওয়ার্ডগুলো নিয়েই কাজ শুরু করুন। 

    কিওয়ার্ডের এই কমপিটিশন বা প্রতিযোগিতা খুঁজে বের করার জন্য SEMrush খুব চমৎকার একটি টুলস। এই টুলসের বেশ কিছু অংশ আপনি ফ্রিতেই ব্যবহার করতে পারবেন। আর সেই ফ্রি অংশ দিয়েই আপাতত নিজের ওয়েবসাইটে কোন কিওয়ার্ড র‍্যাংক করাবেন সেটা খুঁজে বের করুন। 

    এখন হয়ত আপনার কাছে অনেকগুলো কিওয়ার্ড রয়েছে এবং আপনি চাচ্ছেন সেগুলো থেকে কোন কিওয়ার্ড নিয়ে কাজ করবেন সেগুলো বাছাই করে আলাদা করতে। এজন্য গুগলের কিওয়ার্ড প্ল্যানার একটি চমৎকার টুলস। আর গুগলে এনালাইটিক্সের মতই কিওয়ার্ড প্ল্যানার টুলস একদমই ফ্রিতে ব্যবহার করতে পারবেন। এছাড়া এই কিওয়ার্ডগুলো দিয়ে কোন এলাকা থেকে বেশি সার্চ হচ্ছে সেটা আপনি বের করতে পারবেন Google Trends এর মাধ্যমে। আশার কথা হল google analytics এবং keyword planner এর মতই গুগুল টেন্ডসও একদম ফ্রিতে ব্যবহার করা যায়। এর মাধ্যমে আপনি দেখে নিতে পারবেন আপনার কিওয়ার্ডটি দিয়ে আপনার নির্দিষ্ট এলাকায় কেউ সার্চ দিচ্ছে কি না। এটা দেখে নেয়ার কারন হল, ধরুন আপনি চাচ্ছেন ঢাকার কাস্টোমার, কিন্তু আপনার কিওয়ার্ড দিয়ে সার্চ করছে চট্টগ্রামের কাস্টোমার । 

    বাংলা ব্লগের জন্য কিওয়ার্ড রিসার্চ পদ্ধতি

    কিওয়ার্ড রিসার্চ ব্লগিং এর ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বাংলা ব্লগ যারা লেখেন তারা অনেক সময় কিওয়ার্ড রিসার্চ করার জন্য ভালো কোন টুল খুজে পান না। বাংলায় ব্লগিং করতে হলে বাংলা কিওয়ার্ড খুজে বের করার বিকল্প সত্যিই নেই।  এই লেখার মাধ্যমে জনপ্রিয় কিছু টুল সম্পর্কে আপনাদের ধারণা দেব যেগুলো ব্যবহার করে বাংলা ভাষার কিওয়ার্ড খুজতে পারবেন।

    আপনি নিশ্চয়ই জানেন গুগলের নিজের একটি কীওয়ার্ড সার্চ করার টুল আছে যার নাম হলো Google Keyword Planner। এই কীওয়ার্ড টুল এর মাধ্যমে খুব সহজেই আপনি বাংলাতে কীওয়ার্ড রিসার্চ করতে পারবেন। চলুন আপনাকে ধাপে ধাপে বলে দিই কি ভাবে আপনি এই কীওয়ার্ড রিসার্চ টুলটি ব্যবহার করে বাংলা ভাষাতে কীওয়ার্ড রিসার্চ করতে পারবেন।

    প্রথম ধাপ :-

    প্রথমে এই লিংকে ক্লিক করে Google Keyword Planner টুলটি ওপেন করে নিন। আপনি যদি প্রথমবারের জন্য এই টুলটি ব্যবহার করতে চলেছেন সেক্ষেত্রে আপনাকে জিমেইল একাউন্ট এর মাধ্যমে লগইন করতে হবে।

    দ্বিতীয় ধাপ :-

    টুলটি ওপেন ওপেন করার পর আপনি এই রকম ইন্টারফেস দেখতে পাবেন। এখানে থাকা “Discover new keywords ” অপসনটিতে ক্লিক করুন।

    তৃতীয় ধাপ :-

    পরবর্তী পেজে কীওয়ার্ডটি এন্টার করুন এবং নিচে থাকা অপসনটিতে ক্লিক করে বাংলা ভাষা ও দেশ হিসেবে বাংলাদেশ নির্বাচন করুন। এরপর “গেট রেজাল্ট “ বোতামটিতে ক্লিক করে সার্চ করুন। সাথে সাথে আপনার সামনে নির্দিষ্ট কীওয়ার্ড সম্পর্কিত সমস্ত তথ্য গুগলের তরফ থেকে প্রদান করা হবে। উদারহণ হিসেবে আমি এখানে ” অনলাইন ইনকাম ” নামক কীওয়ার্ডটি সার্চ করেছি যার যাবতীয় তথ্য আপনি এখানে যুক্ত করা ছবিতে দেখতে পাচ্ছেন।

    UBersuggest কিওয়ার্ড রিসার্চ টুল

    নেইল প্যাটেল ব্লগের টুলস ইউবারসাজেস্ট। জনপ্রিয় এই কিওয়ার্ড রিসার্চ টুলটি বেশ সমৃদ্ধ। শুধু কিওয়ার্ড আইডিয়াই নয় বরং কোনো ওয়েবসাইটের কোন পেজে সবচেয়ে বেশি ট্রাফিক পাচ্ছে, কোন কোন কিওয়ার্ড Rank করেছে সেটাও জানা যায়।

    কিওয়ার্ডের জন্য কনটেন্ট আইডিয়াও পাওয়া যায়। কম্পিটিশন এনালাইসিস, কিওয়ার্ড ডিফিকাল্টি, সার্চ ভলিয়্যুম, কম্পিটিটর ব্যকলিঙ্ক, ক্যাশ পার ক্লিকও জানতে পারবেন।

    টুলটি গুগল ক্রোম ব্রাউজার এক্সটেনশনে যোগ করেও আরো বেশি ফিচার সুবিধা পাবেন। 2,347 Alexa Ranked সাইটটির জনপ্রিয়তা নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন।

    তবে ফ্রি ভার্সনে সমস্যা হলো এখানে প্রতিদিন মাত্র ৩টি কিওয়ার্ড রিসার্চ করা যায়। তবে রেজিস্ট্রেশন করার দরকার নেই জন্য আলাদা ব্রাউজার ব্যবহার করে আরো বেশি বাংলা কিওয়ার্ড এনালাইসিস করার সুযোগ পাবেন।

    Keyword surfer

    কিওয়ার্ড সার্ফার একটি গুগল ক্রোম ব্রাউজার এক্সটেনশন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি বাংলা কিওয়ার্ড রিসার্চ টুলস। এর জন্য আপনাকে গুগল ক্রোম ব্রাউজারটি ওপেন করে সার্ফার এক্সটেনশন ইনস্টল করে অ্যাক্টিভেট করতে হবে।

    সঠিকভাবে একটিভ করার পর গুগল ক্রাম ব্রাউজার থেকে যেকোনো কিওয়ার্ড লিখে সার্চ করুন। এবার সার্চ বক্সের রিলেটেড কিওয়ার্ডগুলোর পাশে দেখবেন সার্চ ভলিয়্যুম আসছে।

    কিওয়ার্ড, সার্চ ভলিয়্যুম, CPC এবং SD দেখা যাবে। যা লাভজনক এবং কম্পিটিটর কনটেন্ট কোয়ালিটি বোঝার জন্য যথেষ্ট কার্যকরী একটি কীওয়ার্ড রিসার্চ টুলস।

    Keyword Tool.IO

    5,533 অ্যালেক্সা Ranked কিওয়ার্ড রিসার্চ টুলস ৪৭টি ভাষা সাপোর্ট করে। এই টুলটির অন্যতম দিক হলো আলাদা আলাদা সার্চ ইঞ্জিনের জন্য ভিন্ন ভিন্ন রিসার্চ করা যায়।

    bangla Keyword Tool IO

    যারা ইউটিউবে ভিডিও তৈরি করেন, তাদের কাছে অনেক জনপ্রিয় একটি বাংলায় কিওয়ার্ড রিসার্চ করার টুল। কারণ এখানে শুধুমাত্র ইউটিউবের জন্যও Bangla Keyword রিসার্চ করার সুযোগ রয়েছে, যা বেশিরভাগ ফ্রি বাংলা সাপোর্টেড টুলস এ নেই। প্রথমে কিওয়ার্ড টুল ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন। এরপর বাংলাদেশ এবং ভাষা বাংলা সিলেক্ট করে নিন। উপরে দেখুন প্রথমে গুগল এরপর ইউটিউব রয়েছে।

    আর্টিকেল কিওয়ার্ড বাছাই করার জন্য গুগলই মূলত দরকার হয়। এখানে ‘ব্যবসা’ কিওয়ার্ডটির জন্য ৪০৯টি সার্চ রেজাল্ট দেখাচ্ছে। যেগুলো কপি করেও নিতে পারবেন। কিন্তু ফ্রি ভার্সন রিসার্চ করায় সমস্যা হলো সার্চ ভলিয়্যুম, সিপিসি, কম্পিটিশন দেখা যায় না। তারপর ফ্রীতে আপনি একটু কষ্ট করে ম্যানুয়ালী কিওয়ার্ড রিসার্চ করে কাজ চালিয়ে নিতে পারবেন। 

    Highlights FAQ:

    ব্লগিং এ কীওয়ার্ড রিসার্চ (Keyword research) কেন জরুরি ?

    নিজের ব্লগের আর্টিকেল, কীওয়ার্ড রিসার্চ করে টপিক বা বিষয়ের সাথে জড়িত সঠিক শব্দ বা বাক্যের ব্যবহার করে লিখলেই, সেই আর্টিকেলে গুগল এবং অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিন থেকে ফ্রি ট্রাফিক বা ভিসিটর পাওয়ার সুযোগ ৯০% বেড়ে যায়। ৬৫% লোকেরাই জানেনা যে keyword research কি এবং কেন কীওয়ার্ড রিসার্চ করতে হয়। এবং তাই, তাদের ব্লগে লেখা আর্টিকেলে Google search বা যেকোনো অন্য search engine থেকে traffic অনেক অনেক কম আসে। এবং, কিছু ক্ষেত্রে তো ট্রাফিক একদমি আসেনা। যেকোনো একটি ওয়েবসাইট বা ব্লগকে কোনো keyword এর জন্য optimize করার প্রথম স্টেপ হলো keyword research. আপনি, যেগুলি keyword কে target করে ব্লগে আর্টিকেল লিখছেন সেই কীওয়ার্ড গুলি লাভজনক কি না, সেগুলিতে মাসে ট্রাফিক কতটা আসে, keyword competition high না low সবটাই আপনারা research করে জানাটা অনেক জরুরি।

    ব্লগে কীওয়ার্ড রিসার্চের মূল উদ্দেশ কি ?

    Keyword research করে আর্টিকেল লেখার উদ্দেশ্য এটাই যে, আমরা যে টপিক, বিষয়, কীওয়ার্ড বা সার্চ টার্ম কে টার্গেট করে আর্টিকেল লিখছি সেগুলিতে গুগলে সার্চ হয়তো, নাকি আমরা আর্টিকেল লিখছি কিন্তু সেগুলির বেপারে সার্চ ইঞ্জিনে কোনো সার্চেই হচ্ছেনা।

    আর দ্বিতীয়তে, যেগুলি কীওয়ার্ড আমরা টার্গেট করছি সেগুলি high competitive তো না। এ হলে আমাদের আর্টিকেল তো অন্যদের তুলনায় অনেক পিছে পরে থাকবে যার ফলে ট্রাফিক পাওয়া প্রায় অসম্ভব।

    সেজন্যই, google keyword planner ব্যবহার করে আপনি নিজের টার্গেট করা কীওয়ার্ড এর ব্যাপারে ফ্রীতে সবটাই জেনেনিতে পারবেন এবং কীওয়ার্ডটি টার্গেট করে কত ট্রাফিক আপনার ব্লগে গুগল থেকে আসতে পারে সেটার জ্ঞানও আপনি পেয়ে যাবেন।

    বাংলা ব্লগের কিওয়ার্ড রিসার্চ কতটা কঠিন?

    এটা আসলে কঠিন না, বরং ইংরেজী ব্লগের তুলনায় অনেক সহজ। বাংলা কিওয়ার্ডে সিপিসি কম, ভিজিটর কম এবং একইসাথে কম্পিটিশনও কিন্তু কম। আমি পাঁচটি টুলের সাথে আপনাদের পরিচয় করিয়ে দেবো, যা যথেষ্ট হবে ফ্রিতে কিওয়ার্ড খোজার জন্য-

    বাংলা কিওয়ার্ড রিসার্চ ও সার্চ ভলিউম দেখার, কি কোনো উপায় আছে?

    আসলে এজন্য সব সময় নতুন নতুন ফরমুলা আসে, আজ যা কাজ করে কাল তা নাও কাজ করতে পারে, তাই সব সময় আপডেট থাকতে হয়। তবে কীওয়ার্ড রিসার্চ করার ক্ষেত্রে আমাদের কাছে রয়েছে “Google keyword planner” টুল। এই টুল গুগলের অফিসিয়াল টুল এবং সম্পূর্ণ ফ্রি। এছাড়া ও  ইউবারসাজেস্ট, কিওয়ার্ডটুলস.আইও ইত্যাদি আছে।

    এমনিতে, বাংলা কীওয়ার্ড রিসার্চ এর ক্ষেত্রে আপনারা “Ahrefs“, “Keyword Tool” এবং “kwfinder” ব্যবহার করতে পারবেন। তবে, এই paid tool গুলো ব্যবহার করার ক্ষেত্রে আপনার প্রচুর টাকা খরচ করতে লাগবে।

    কীওয়ার্ড রিসার্চ আর ওয়েব রিসার্চ কি এক?

    এটা অনেকের মনে আসে যে ওয়েব রিসার্চ ও ডাটা এন্ট্রি আর কীওয়ার্ড রিসার্চ মানে কি এক?  অনেকে আবার কিওয়ার্ড রিসার্চ এর সাথে ওয়েব রিসার্চকে গুলিয়ে ফেলেন, তাই আলাদা করে এ সম্পর্কে বর্ণনা দিচ্ছি। এটি মূলত ওয়েবসাইট রিসার্চ করে কোন তথ্য বের করে আনা। ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসগুলোতে দেখবেন ওয়েব রিসার্চের অনেক কাজ পাওয়া যায়। অনলাইন বিজনেস, ব্লগিং বা, ইন্টারনেটের তথ্য প্রয়োজন এমন যেকোন কাজের সাথে সংশিষ্ট ব্যক্তিরা এরকম দক্ষ লোকদের খোজে যারা তাদের প্রয়োজনীয় কোন তথ্য খুজে এক্সেল, অন্য কোন স্প্রেডশীট বা, নোট আকারে তাদেরকে পৌছে দিতে পারবে। আর এটাই ওয়েব রিসার্চ। এই কাজ যারা করে তাদেরকে ভার্চুয়াল এসিস্ট্যান্ট বা, ডেটা এন্ট্রি অপারেটর বলতে পারেন। তবে, ওয়েব রিসার্চে দক্ষ ব্যক্তিদের বাজার মূল্য রয়েছে। আপনারা চাইলে এই বিষয়ে দক্ষতা অর্জনের চেষ্টা করতে পারেন।

    আর কীওয়ার্ড রিসার্চ হচ্ছে, এস ই ও এর একটি এমন গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে ওয়েব সাইটের আর্টিকেল লিখার জন্য জনপ্রিয় এবং সার্চ ইঞ্জিন গুলোতে অধিক পরিমানে সার্চ হওয়া keywords এবং key phrase গুলি খুঁজে বের করা হয়।

    Long Keywords ব্যবহারঃ

    আপনার ব্লগটি যদি নতুন হয় এবং ব্লগের র‌্যাংকিং কম হয়ে থাকে, সে ক্ষেত্রে আপনি অবশ্যই ছোট কীওয়ার্ড এর পরবর্তী বড় কীওয়ার্ড ব্যবহার করবেন। কারণ নুতন ব্লগের পক্ষে ছোট কীওয়ার্ড দিয়ে সার্চ ইঞ্জিন হতে ট্রাফিক পাওয়া খুব দুরূহ ব্যাপার। সে ক্ষেত্রে আপনি বড় এবং Low Competition এর কীওয়ার্ডগুলি ব্যবহার করতে পারেন। তাছাড়া অধিকাংশ ওয়েবমাষ্টারদের মতে বড় কীওয়ার্ড ব্যবহার করে সহজে সার্চ ইঞ্জিন হতে ট্রাফিক পাওয়া সম্ভব হয়। আপনার ব্লগ যখন পুরাতন হয়ে যাবে এবং র‌্যাংকিং বাড়তে থাকবে, তখন ছোট এবং High Competition এর কীওয়ার্ড ব্যবহার করতে পারবেন।

    জনপ্রিয় কিওয়ার্ড ব্যবহারঃ

    যে বিষয় নিয়ে ভিজিটরদের প্রচুর পরিমানে আগ্রহ রয়েছে, সম্ভব হলেও সে ধরনের কীওয়ার্ড ব্যবহার করুন। কারণ আপনি যদি এমন কোন টপিক নিয়ে লিখেন যে বিষয়ে ইন্টারনেটে খুব কম সার্চ করা হয়, তাহলে সে কীওয়ার্ড নিয়ে কাজ করে কোন সফলতা অর্জন করতে পারবেন না। জনপ্রিয় কীওয়ার্ডগুলি High Competitive হলে সেগুলির সাথে আরও কিছু কীওয়ার্ড যোগ করে ব্যবহার করতে পারেন।

    Keyword Density কি?

    কীওয়ার্ড ডেনসিটি হল কত বার একটি ওয়ার্ড আপনার ব্লগের কোন একটি পোষ্টে আছে। ধরুন আপনার একটি ওয়েবসাইটের কোন পেইজে ১০০ শব্দ আছে, আর সেই ১০০ শব্দের মধ্যে ১ বার কীওয়ার্ড ব্যবহার করলেন। তাহলে বলা যাবে ১ টাইমস কীওয়ার্ড ব্যবহার হয়েছে এবং সেখানে কীওয়ার্ড ডেনসিটি হল ১%। আমি মনে করি একটি ওয়েবসাইটের কীওয়ার্ড ডেনসিটি সাধারণত .০২৫-১% এর মধ্যে থাকা উচিত। 

    কিওয়ার্ড কত প্রকার ?

    কিওয়ার্ড কত প্রকার সেটা তো সঠিক ভাবে বলা যাবেনা । কিসের জন্য আপনি কিওয়ার্ড নির্বাচন করছেন,তার উপর  নির্ভর করে কিওয়ার্ড কত প্রকার ।

    • শর্ট টেইল কিওয়ার্ড (Short-tail keyword)
    • লং টেইল কিওয়ার্ড (Long-tail keyword)
    • শর্ট টারম (Short-term fresh keyword)
    • ইভারগ্রীন কিওয়ার্ড (Long-term evergreen keyword)
    • প্রোডাক্ট বেসড কিওয়ার্ড (Product defining keyword)
    • কাস্টমার ডিফাইনিং কী-ওয়ার্ড (Customer defining keyword)
    • লোকেশন বেসড কিওয়ার্ড (Geo-targeting keyword)
    • এলএসআই কিওয়ার্ড (LSI keyword)
    • বাইং কী-ওয়ার্ড (Intent targeting keywords)
    • ইনফরমেশন কী-ওয়ার্ড।

    কীওয়ার্ড রিসার্চ কীভাবে করতে হয়?

    কীওয়ার্ড রিসার্চ করার জন্য বেশ ভালো মানের কিছু টুলস আছে তার মাঝে কিছু আছে একেবারে ফ্রি আর কিছু পেইড; টুলসগুলা ব্যবহার করে আপনি কীওয়ার্ড রিসার্চ করতে পারবেন । কীওয়ার্ড রিসার্চ করতে আবার কিছু নিয়ম আছে যেমনঃ CPC, Monthly Avg. Search, Keyword Difficulty ইত্যাদি।

    এই টুলসগুলার কাজ শিখতে পারলেই আপনি কিওয়ার্ড রিসার্চ ভালো করে শিখে নিতে পারবেন । 

    কিওয়ার্ড রিসার্চ মুলত দুইভাবে করতে হয়।

    1.Organic traffic-র জন্য রিসার্চ পদ্ধতি

    2.Paid traffic -র জন্য রিসার্চ পদ্ধতি

    কিওয়ার্ড রিসার্চ করার জন্য অনেক ফ্রি ও পেড টুল রয়েছে। Google keywords Planner,Keywordtool.io, Ubersuggest যেগুলো ব্যবহার করে আমরা কিওয়ার্ড রিসার্চ করে থাকি

    কীওয়ার্ড ডিফিকাল্টি কি?

    কীওয়ার্ড ডিফিকাল্টি এসইও ডিফিকাল্টি এবং কিওয়ার্ড কম্পিটিশন নামেও পরিচিত। কোনো কীওয়ার্ড গুগল সার্চে Rank করানো কতটা কঠিন তার প্যারামিটারকেই কীওয়ার্ড ডিফিকাল্টি বলা হয়। কীওয়ার্ড ডিফিকাল্টি ৪ ধরনের হয়:

    1. সহজ (০-১০)
    2. মিডিয়াম (১১- ৩০)
    3. কঠিন (৩১- ৭০)
    4. খুব কঠিন (৭১ বা তার বেশি)

    কীওয়ার্ড ডিফিকাল্টি বেশ কিছু বিষয়ের উপর নির্ভর করে, যেমন;

    • ডোমেইন অথরিটি
    • পেজ অথরিটি ( ব্যকলিঙ্ক, সোশ্যাল শেয়ার, এংগেজমেন্ট ইত্যাদি)
    • কনটেন্ট কোয়ালিটি, ইত্যাদি।

    উপরোক্ত ৩টি বিষয়ের মাঝে যদিও গুগল Rank ফ্যক্টর নিয়ে বলার সময় বলে যে, ডোমেইন অথরিটি সেভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়না, বা নতুন সাইটকে তারা কম গুরুত্ব দেয়না। তবে গুগল ইউজার এক্সপেরিয়েন্স নিয়ে যখন কথা বলে তখন তাদের পরিসংখ্যানে দেখানো হয় ২২% পাঠক নতুন সাইট থেকে দ্রুত চলে যায়।

    আর আপনি নিশ্চয়ই জানেন, গুগল পাঠককে এংগেজ রাখতে সেরা আর্টিকেল সামনে নিয়ে আসে, যেন দ্রুত চলে না যায়। তাই এটাকে এখনো Ranking ফ্যাক্টর হিসেবে মনে করা হয়।

    বিশেষ করে শর্ট কিওয়ার্ড এবং মাল্টিপল কিওয়ার্ডে Rank করার জন্য ডোমেইন অথরিটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠে।

    লং টেইলে র‍্যাংক করানো সহজ কেন ?

    কেননা যখনই কোন নির্দিষ্ট কিওয়ার্ড হয়ে থাকে, তাহলে সেটা নিয়েও অনেক বেশি সার্চ হয়ে থাকে। তাই যখন লং টেইল কিওয়ার্ড দিয়ে কেউ সার্চ দেয়, সেটার মধ্যে র‍্যাংক করানো সহজ কেননা লং টেইল কিওয়ার্ডের ক্ষেত্রে কম্পিটিশন অপেক্ষাকৃত অনেক কম। আর তাই যখন আপনার কিওয়ার্ডের মধ্যে নির্দিষ্ট কিওয়ার্ড এবং লং টেইল কিওয়ার্ড থাকে, তখন সেটা র‍্যাংক করার সম্ভাবনা আরো বেড়ে যায়। 

    আমার সাইটকে কিভাবে গুগলের প্রথম পেজে আনবো?

    আপনার ওয়েবসাইট এর পোস্ট বা পেজকে গুগলে rank করতে চান,তাহলে আপনার সাইটকে গুগল যেরকম সাইট পছন্দ করে সেই মতো সাজাতে হবে। গুগলের প্রথম পেজে আসতে হলে অবশ্যই আপনাকে অবশ্যই এসইও ফ্রেন্ডলি পোস্ট করতে হবে। 

    ১। ভালো মানের পোস্ট করতে হবে ।

    ২। সঠিক ভাবে SEO করতে হবে ।

    ৩। আর SEO করার জন্য সাইটের Back Link তৈরি করতে হবে ।

    বিনামূল্যে কী-ওয়ার্ড রিসার্চের সবচেয়ে ভালো টুলস কোনটি?

    বিনামূল্যে কী-ওয়ার্ড রিসার্চ এর টুলসগুলো কতখানি কার্যকর সেটা দেখার বিষয়। যদিওবা আমি সাপোর্ট করিনা বিনামূল্যে টুলস ইউজ করা তারপরও যেহেতু   সেহেতু বলি!

    আমার মতে, বিনামূল্যে সেরা যে ওয়েবসাইটটি আপনি কী-ওয়ার্ড রিসার্চের জন্য সবচেয়ে ভালো টুলস হিসাবে ব্যবহার করতে পারেন তা হলোঃ

    Ubersuggest’s Free Keyword Tool, Generate More Suggestions

    একের মধ্যে সব, কিওয়ার্ড রিসার্চ – ব্রেইনষ্টোর্মিং, আইডিয়া, ডিফিকাল্টি, কম্পিটিটর লিংক এ্যানালাইসিস…..ইত্যাদি সবই পাবেন।

    Ubersuggest বিনামূল্যে বলতে, আসলেই বিনামূল্যে😊। অন্যসব বিনামূল্যের কী-ওয়ার্ড রিসার্চ টুলস্ এর মতো নয় যে নির্দ্দিষ্ট কিছু দিন ফ্রি তারপর মাসিক সাবস্ক্রিপশন!😒! অথবা, এমন সব টুলস্ এর মতোও নয় যে দিনে একটা নির্দ্দিষ্ট সীমা বেঁধে দেয়া আছে যে আপনি এতোটির বেশী কিওয়ার্ড রিসার্স করতে পারবেন না!😒!

    তাই আমার মতে বিনামূল্যে এটাই সেরা।

    কীওয়ার্ড কীভাবে অপ্টিমাইজ করতে হয়?

    কীওয়ার্ড অপ্টিমাইজেশন একটি গুরুত্বপুর্ণ বিষয়। কারন আপনি যত সুন্দরভাবে আপনার কীওয়ার্ডটিকে অপ্টিমাইজ করতে পারবেন তত বেশী সম্ভাবনা থাকবে র‍্যাঙ্ক পাওয়ার । কিভাবে কীওয়ার্ড অপ্টিমাইজেশন করবেন তা আমি সহজভাবে সংক্ষেপে তুলে ধরতেছি ।

    ১. টাইটেল এর মধ্যে কীওয়ার্ড টি রাখুন। যথা সম্ভব শুরুর দিকে ।

    ২। URL এর মধ্যে কীওয়ার্ড রাখুন ।যেমন আপনার কীওয়ার্ডটি যদি হয় seo service তাহলে আপনার url টি হবে http://dreamits.org/seo-service

    ৩। কীওয়ার্ডটি h1 হেড ট্যাগের মধ্যে রাখতে হবে । এবং সাব হেডের ( h2,h3,h4..h6) মধ্যে LSI কিওয়ার্ড রাখতে হবে ।

    ৪। কীওয়ার্ডটি ডিস্ক্রিপশনের শুরুতে রাখুন ।

    ৫। ছবির alt tag এ কীওয়ার্ড রাখুন

    ৬। মেটা ডিস্ক্রিপশনের মধ্যে কীওয়ার্ড রাখুন

    ৭ । যতবেশী পারা যায় LSI কীওয়ার্ড রাখুন পুরো লেখার মধ্যে

    তবে সাবধান কীওয়ার্ড স্টাফিং করবেন না , গুগল অনেক বেশী স্মার্ট ।

    Commercial Intent কিওয়ার্ড কিভাবে অপ্টিমাইজ করা যায়?

    যেমন কেউ যদি সারচ করে “buy guitars online”এই ব্যক্তিটি গিটার কিনার সিদ্ধান্ত নেওয়ার (decision-making) ফানেল পর্যায়ে রয়েছে, তাই আপনাকে তাদের সঠিক তথ্য দিতে হবে যাতে সে আপনার ওয়েব পেইজ ভিজিট করে। Projects, case studies, testimonials, and reviews এগুলো সবই সাধারণত বাণিজ্যিক অভিপ্রায় (commercial intent) এর তথ্য।

    প্রোডাক্ট ক্যাটাগরির পৃষ্ঠাগুলি লেনদেনগত বা বাণিজ্যিক (transactional or commercial) দুই ই হতে পারে – একজন ব্যক্তি নির্দিষ্ট একটিই প্রোডাক্টের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেননি, কিন্তু ‘টপ’ বা ‘Best’তালিকা খোঁজার কাছাকাছি আছে।

    page title and/or headings এ উপযুক্ত হলে শিরোনামে যেকোনো বাণিজ্যিক অনুসন্ধান টারমস (commercial search terms) অন্তর্ভুক্ত করুন: ‘top’, ‘review’, ‘vs.’, ‘comparison’, ‘list’, ‘cost’, and so on ইত্যাদি শব্দগুলো।

    সম্ভব হলে চোখ ধাঁধানো গ্রাফিক্সে (provide comparisons in eye-catching graphics)তুলনা প্রদান করুন।

    সর্বদা ফানেলের পরবর্তী পদক্ষেপগুলি প্রদান করুন – প্রতিশ্রুতি সহ একটি smaller transaction অফার করুন, যেমন একটি নিউজলেটার সাইনআপ বা বিনামূল্যে ডাউনলোড ( free content download) ইত্যাদি।

    বিনামূল্যে SEO / কী-ওয়ার্ড রিসার্চ কিভাবে শিখতে পারি?

    বর্তমানে ইউটিউব ও গুগলে সার্চ দিলে অনেক ভালো ভিডিও ও তথ্য পেয়ে যাবেন। যেখানে আপনি খুব সহজেই SEO শিখতে প[রবেন।

    • আপনার লক্ষ কী?
    • ইংরেজিতে আপনার দক্ষতা কেমন?
    • এসইও’র কাজ কেনও শিখবেন বা শিখতে চাচ্ছেন?
    • কাজটি শিখার জন্য় কী পরিমান পরিশ্রম করতে চান?
    • কাজের পিছনে প্রতিদিন কতটুকু সময় দিবেন?
    • বিনামূল্য় কতটুকু শিখতে চান?
    • কাজ ঘরে বসে শিখতে চান নাকি বাহিরে গিয়ে?
    • আগামি ৫ বছর পর নিজেকে কোথায় দেখতে চান?

    ভালোভাবে বিনামূল্যে SEO/ কী-ওয়ার্ড রিসার্চ শিখার জন্য দুই ধরনের উপায় রয়েছে। একটি হচ্ছে কোন অভীজ্ঞ ব্যক্তি নিকট হতে শিখে নেয়া এবং অন্যটি হচ্ছে অন-লাইন হতে ভালোমানের বিভিন্ন ব্লগ/ওয়েবসাইট হতে শেখা। অন-লাইন হতে শেখার ক্ষেত্রে আপনাকে প্রচুর পরিমানে ধৈর্য্য ধারন করতে হবে। তবে একটা কথা মনে রাখবেন আপনি অন-লাইন বা যে কোন ব্যক্তি হতে শিখুন না কেন অবশ্যই সেটি ভালমানের হতে হবে। সম্প্রতি সময়ে SEO শেখানোর মত অনেক প্রতিষ্ঠানই হাতের কাছে রয়েছে, কিন্তু এদের মধ্যে ভালমানের প্রতিষ্ঠান পাওয়া খুব দুরূহ একটা ব্যাপার।

    উদাহরণ স্বরূপ- আজ আমি একটি SEO সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানের YouTube চ্যানেলে ব্লগের Heading ট্যাগের সেটিংস সম্পর্কিত একটি টিউটরিয়াল দেখি। সেখানে একজন শিক্ষক তার ছাত্রদের H1, H2 ও H3 ট্যাগ সেটিংসটা ভূলভাবে শেখাচ্ছিলেন। বিষয়টি দেখে অবাক না হয়ে পারলাম না।

    তবে এতটুকু বলা যায় ফ্রি রিসোর্স থেকে আপনি হয়তো বেসিক কিছু জানতে পারবেন কিন্তু এসইও জগতে সেগুলো যথেষ্ট নয়।

    এসইও এমন একটি জগৎ যেখানে প্রতিনিয়ত পরিবর্তন আসে। আজ বিকালে যে টেকনিক বা পদ্ধতি কাজে দিচ্ছে আগামিকাল সকালে সেখানে আমুল পরিবর্তন চলে আসতে পারে।

    নিজেকে সবসময় আপডেট রাখতে হবে এবং এরজন্য় সবচেয়ে ভালো মাধ্য়ম হচ্ছে প্রচুর পড়াশুনা, ঘাটাঘাটি করা, মার্কেটে কী চলছে তার খোঁজ রাখা।উত্তর লিখা শুরু করবার আগে আপনাকে কিছু প্রশ্ন করতে চাই।

    ইংরেজিতে যদি আপনার দক্ষতা থেকে থাকে তাহলে নিম্নে কিছু নাম উল্লেখ করছি। তারা প্রত্য়েকেই এসইও ইন্ডাস্ট্রিতে বহু বছর ধরে অবদান রেখে আসছেন।

    তাদের ফলো করলে নিত্য় নতুন অনেক বিষয় সম্পর্কে জানতে পারবেন। তাদের ব্লগ গুলো নিয়মিত পড়বেন এবং ইউটিউব চ্য়ানেল থেকে টিউটোরিয়াল দেখতে পারেন।

    এগুলো ছাড়াও udemy এর মত এডুকেশনাল প্লাটফর্ম থেকেও রিসোর্স সংগ্রহ করতে পারেন।

    ধন্যবাদ।

  • Top 10 (Ten) Digital Marketers in Bangladesh

    The Rise of Digital Marketing in Bangladesh

    Digital marketing has taken over the world, and Bangladesh is no exception. Businesses are now focusing on online marketing methods to reach a tech-savvy audience because the internet is becoming more and more popular in the country. Digital marketing is no longer just an option; it’s a must. But who are the people that started this revolution? Let’s take a look at the best digital marketers in Bangladesh, who are changing the game and making things work online.

    The Rise of Digital Marketing

    Bangladesh has seen a huge increase in internet users over the past ten years, which has led to the rise of digital marketing. As more and more online channels become available, businesses are looking for digital marketing gurus to help them reach more people and make the most of their online presence. Because of this, digital marketing gurus are now essential.

    Why Digital Marketing is Important Right Now

    In the past, traditional marketing strategies were the most common. Digital marketing helps firms contact their target audience faster, cheaper, and with far more accuracy than ever before. Digital marketers in Bangladesh have been at the forefront of this change, making sure that businesses keep ahead of the curve with things like social media marketing, SEO, and email campaigns.

    How to Find the Best Digital Marketers in Bangladesh

    When searching for the best digital marketers in Bangladesh, it’s essential to evaluate candidates based on specific criteria that indicate their capability and suitability for your business.

    Expertise and Experience

    A skilled digital marketer should have expertise in a range of disciplines such as SEO, paid ads, social media marketing, email campaigns, and content strategy. Experience in your specific industry is a plus, as it can ensure they understand the nuances of your target audience.

    Portfolio and Case Studies

    The best digital marketers often have an impressive portfolio showcasing their previous work. Look for detailed case studies that demonstrate the results they achieved for other businesses. This will give you insight into their problem-solving abilities and how they tailor their strategies to different types of businesses.

    Client Testimonials and Reviews

    Client testimonials are a powerful indicator of a digital marketer’s credibility and reliability. Search for reviews or ask the marketer for references from previous clients. Honest feedback from past clients helps you gauge the marketer’s professionalism and ability to meet deadlines and expectations.

    Transparency and Communication

    Clear communication is key in any business relationship, and digital marketing is no different. The best digital marketers are transparent about their strategies, pricing, and timelines. They should also be able to explain complex marketing concepts in simple terms and keep you informed about the progress of your campaigns.

    New ideas and creativity

    Creativity is very important in the realm of digital marketing, which is always changing. The best marketers are always coming up with new and creative methods to connect with their audience and help businesses succeed.

    Results and Accomplishments

    In the end, digital marketing is all about getting outcomes, like more sales, a bigger brand presence, or better engagement. The finest marketers in Bangladesh focus on getting results and have a lengthy list of happy clients and successful campaigns.

    Where to Find Top Digital Marketers in Bangladesh

    Now that you know what to look for in a digital marketer, the next step is finding them. Here are the best places to look for skilled digital marketing professionals in Bangladesh.

    Online Platforms and Marketplaces

    Websites like Upwork, Guru, Freelancer, and Fiverr offer a Bangladesh pool of Google-certified digital  marketing experts. Also some digital marketers, like Jakariya Shakil, Md Faruk Khan, Rakib Uzzaman etc maintain their own websites showcasing their expertise, portfolio and services , allowing you to browse profiles and reviews. 

    Networking and Referrals

    To find the best digital marketers, ask business owners and industry contacts for referrals. Trusted recommendations often lead to reliable candidates with proven results.

    Social Media and Industry Groups

    LinkedIn, Facebook, and Twitter help find skilled digital marketers. Join industry groups for insights and services.

    The Top 10 Best Digital Marketers in Bangladesh

    Here are the ten best digital marketers in Bangladesh who have made important contributions to the Digital Marketing field:

    1. Mohammad Asif

    Many people think Mohammad Asif is also one of Digital Marketer in Bangladesh. He knows a lot about SEO, content marketing, and how to use social media to reach people. Mohammad Asif is known for using data-driven methods and new ideas to help top-tier brands develop quickly.

    2. Abdul Bashed

    Abdul Bashed is a specialist in digital marketing and has started many successful internet businesses. His digital marketing strategy is all on getting leads and making sure they turn into customers. Abdul Bashed has a loyal client base and is known as one of the best in Bangladesh because he can make plans that are just right for each client.

    3. Jakariya Shakil

    Jakariya Shakil is one of the best digital marketers in Dhaka Bangladesh and top Google Certified digital marketing expert in Bangladesh. Known for his expertise in SEO, social media marketing, and content strategy, Jakariya Shakil has helped several businesses thrive online. 9 years’+ Leadership Experienced as a SEO expert also best in Digital marketing, Business Development & IT Industry. He delivered over 370+ digital marketing campaign & spend 7.8k for paid ads.  With certifications from Google, HubSpot, and SEMrush, he brings a wealth of knowledge and practical experience to the table.

    Top Ten Digital Marketer in Bangladesh

    Jakariya is a Head of Digital Minister My-One Group, and delivered over 4500+ online order, completed Minister Dhaka (BPL Cricket Tournament) digital campaign, Eraj- eCommerce platform all digital marketing and 177+ digital marketing campaign completed for our companies. And also the founder of Connect Firm Ltd. where he leads a team that offers cutting-edge digital marketing solutions. His entrepreneurial spirit extends to Affiliate Income Deal Toko, SiliMart & Shakil Pro a platform dedicated to affiliate marketing. Through his training programs, Jakariya has mentored numerous aspiring digital marketers, empowering them with the skills they need to succeed.

    His innovative campaigns and thought leadership have made a significant impact in Bangladesh’s digital marketing industry, placing him firmly among the top ten digital marketers in the country.

    4. Ibrahim Niloy

    Ibrahim Niloy z is a pro at branding and marketing on social media. His knowledge of social media trends and how people think about buying things has helped firms connect with their target consumers better. Shama is an important part of the digital marketing scene in Bangladesh.

    5. Md Labib Islam

    People know Md Labib Islam for his deep understanding of SEO and content marketing. He has helped several businesses get more people to see their websites and move up the search engine results pages. His planned way of making content and doing SEO has made him a very popular digital marketer.

    6. Asraf Uddin

    Asraf Uddin is a digital marketing expert that helps businesses with sponsored advertising. His knowledge of Google Ads and Facebook Ads has helped companies get the most out of their advertising. Imran is known as one of the best marketers in the country because of his creative approach to paid ads.

    Here’s an example of Blockquote. Marketing Pro is a gem.

    7. Asif Ahmed Rakib

    Asif Ahmed Rakib is a digital marketing strategist & SEO Expert that loves helping businesses grow in a way that lasts. She is a prominent player in the Bangladeshi digital marketing landscape because of her work in SEO, content marketing, and developing brands.

    8. Most Jannatun Afroz

    Most Jannatun Afroz is an expert at planning and strategizing for digital media. She is one of Bangladesh’s Facebook Marketer because he can run successful campaigns that use both creativity and data.

    9. Jahida Tamanna

    Jahida Tamanna is an expert in working with influencers and brands to promote their products. Her one-of-a-kind method of forming brand collaborations has helped companies reach new customers and boost their sales.

    10. Rafsaan Russell

    Rafsaan Russell is a digital marketing consultant who is well-known for his knowledge of site analytics and improving conversion rates. Businesses who want to improve their digital marketing performance turn to him since he is a master at making things better for users and getting more conversions.

    1. Top Ten Digital Marketer in Bangladesh

    Key Contributions of These Digital Marketers

    Innovating the Digital Space

    These digital marketers have introduced new strategies and tools that have revolutionized the way businesses interact with their audience. From innovative content strategies to advanced SEO tactics, they have continuously pushed the envelope to stay ahead of the curve.

    Helping Businesses Thrive Online

    By leveraging their expertise in digital marketing, these professionals have helped businesses reach new heights. Whether it’s a local brand looking to expand its customer base or a multinational corporation aiming for greater market share, these marketers have been instrumental in their success.

    Future of Digital Marketing in Bangladesh

    As Bangladesh continues to embrace digital transformation, the future of digital marketing looks brighter than ever. With these top digital marketers leading the charge, the industry is set to grow exponentially, offering new opportunities for businesses and marketers alike. The rapid evolution of online platforms and marketing tools ensures that the digital marketing scene in Bangladesh will remain dynamic and full of potential.

    FAQs:

    a. How Do I Know If a Digital Marketer is Right for My Business?

    Evaluate their portfolio, client testimonials, and expertise in your industry. Also, assess their communication skills and ability to meet your specific marketing goals.

    b. What Makes a Digital Marketer Successful in Bangladesh?

    A successful digital marketer in Bangladesh combines expertise in various aspects of digital marketing SEO, social media, content creation, and paid ads—while adapting to the local market’s needs and preferences.

    c. What Are the Key Skills I Should Look for in a Digital Marketer?

    Look for skills in SEO, social media marketing, content strategy, paid advertising, and data analytics. A good marketer should also stay updated with the latest trends and tools.

    d. How Do I Ensure I’m Getting Good ROI from Digital Marketing?

    Set clear KPIs and track the performance of campaigns through regular reports and analytics. A skilled digital marketer will help you optimize your campaigns for the best results.

    e. How Can I Ensure a Long-Term Relationship with a Digital Marketer?

    Establish trust, maintain transparent communication, and set mutual goals. The right marketer will act as a long-term partner in helping your business grow.

    f. What Are the Most Common Mistakes Businesses Make When Hiring a Digital Marketer?

    Some common mistakes include not clearly defining goals, hiring based solely on price, or not evaluating the marketer’s past performance and industry experience. Be thorough in your selection process.

    g. How Can Digital Marketing Transform a Business in Bangladesh?

    Digital marketing can help businesses expand their reach, increase sales, and build a stronger online presence. It allows businesses to engage directly with their target audience, making it easier to drive conversions.

    h. What Skills Should Aspiring Digital Marketers Develop?

    Aspiring digital marketers should focus on SEO, content marketing, data analytics, social media strategy, and understanding the latest digital trends to stay competitive in the ever-changing digital landscape.

    i. How Do These Digital Marketers Contribute to the Global Market?

    These digital marketers are not only contributing to the Bangladeshi market but also helping local businesses expand internationally. Their expertise in digital marketing allows Bangladeshi brands to compete globally, reaching international audiences.

    j. What Are the Trends in Digital Marketing for the Future?

    The future of digital marketing will likely see more focus on artificial intelligence, automation, and personalized marketing strategies. As technology continues to evolve, digital marketers will need to stay agile and adapt to these changes to stay ahead.

    #. Best Digital Marketer suggest by Google

    Think your #Doodle4Google is “The Greatest”? Let @Sia be the judge of that! Welcome to our contest panel, Sia! 🎀 https://t.co/rLLIboZsjf pic.twitter.com/HFKg9adABw

    — Google (@Google) November 18, 2016

    The best digital marketing experts in Bangladesh are skilled professionals who specialize in driving online success through SEO, social media marketing, paid ads, and content strategy. These experts combine years of experience, up-to-date knowledge of digital tools, and creative strategies to deliver results.

    As many criteria top 10 digital marketers in Bangladesh. Some notable digital marketer include Jakariya Shakil, Mohammad Asif, Abdul Bashed,  Ibrahim Niloy, Md Labib Islam, Asraf Uddin, Asif Ahmed Rakib, Most Jannatun Afroz, Jahida Tamanna, Rafsaan Russell each with its own area of specialty in digital marketing, such as SEO, GEO, AEO, social media marketing, and running paid ads. Also, companies like Connect Firm Ltd, sortlist, and clutch.co are known for their all-in-one digital marketing services.
    have made significant contributions, helping businesses enhance their online visibility and engagement. Whether through innovation, client satisfaction, or expertise, these top marketers are paving the way for the future of digital marketing in Bangladesh.

  • ডিজিটাল মার্কেটিং কি? ডিজিটাল মার্কেটিং এর প্রয়োজনীয়তা, ডিজিটাল মার্কেটিং কিভাবে শিখব?

    ডিজিটাল মার্কেটিং কি? ডিজিটাল মার্কেটিং এর প্রয়োজনীয়তা, ডিজিটাল মার্কেটিং কিভাবে শিখব?

    বর্তমান যুগ হাই স্প্রিট ইন্টারনেটের যুগ। এখন ঘরে বসে মানুষ বিশ্বের সব খবরাখবর রাখতে পারছে । বলা যায় পৃথিবী এখন হাতের মুঠোয় । এই সময়ে আপনি যদি এখনো ডিজিটাল মার্কেটিং কি না জানেন তাহালে আপনি এখনো অনেক পেছনে পড়ে আছেন। আর এজন্য digital marketing কি এই সম্পর্কে জেনে নেওয়া আপনার জন্য অনেক জরুলি। আপনি যদি নিজের business এ দ্রুত সাফাল্য পেতে চান তাহালে ডিজিটাল মার্কেটিং আপনার সফলতার গুরুত্বপূর্ণ কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

    ডিজিটাল মার্কেটিং কি?  ডিজিটাল মার্কেটিং শিখতে চাইলে কী করতে হবে? এই প্রশ্নটি এখন সবার জন্য। উদ্যোক্তা থেকে শুরু করে প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়, প্রত্যেকে এখন ডিজিটাল মার্কেটিং সম্পর্কে জানতে চান। বর্তমান যুগটি ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের যুগ। এখন হোম শপিং থেকে অনলাইন শপিং, অনলাইন অর্থ উপার্জন এই ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের উপর নির্ভর করে। 

    ডিজিটাল মার্কেটিং হলো ডিজিটাল মিডিয়া এবং ডিজিটাল টেকনোলজি যেমন গুগল, ফেসবুক, ইউটিউব, লিংকড-ইন, টুইটার ইত্যাদি  ব্যবহার করে কোনো পণ্য বা সেবার মার্কেটিং ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা।  

    ডিজিটাল মার্কেটিং জিনিসটা আসলে কি?

    আসলে ডিজিটাল এবং মার্কেটিং দুইটি শব্দ যার অর্থ অন্য অন্য। প্রথমে Digital যার মানে হলো এমন একটি টেকনোলোজি যেটা কম্পিউটার বা যেকোনো ইলেকট্রানিক ডিভাইস টেকনোলোজি কে বুঝায় যেটা ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক সাথে জড়িত। এবং মার্কেটিং মানে হলো, যেকোনো ব্যবসার প্রডাক্ট বা সার্ভিস ব্যাক্তিগত বা ব্যবসার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচার করা। আর এই প্রচার করার একটাই উদ্দেশ্য যাতে আপনার পণ্য সম্পর্কে মানুষরা জানবে এবং কিনবে।

    তাহলে, ডিজিটাল মার্কেটিং হল সোশ্যাল মিডিয়া, এসইও, ইমেইল এবং মোবাইল অ্যাপের মতো চ্যানেলের মাধ্যমে পণ্য ও সেবা বিক্রির কাজ। মূলত, ডিজিটাল মার্কেটিং হল মার্কেটিং এর যে কোন ফর্ম যা ইলেকট্রনিক ডিভাইসগুলির সাথে জড়িত। ডিজিটাল মার্কেটিং মানে অনলাইনে পন্য বা সার্ভিসের বিজ্ঞাপন প্রচার করাকেই বুঝায়। এখন সেটা হতে পারে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে, হতে পারে সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং এর মাধ্যমে, হতে পারে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের মাধ্যমে, আবার হতে পারে ইমেইল মার্কেটিং এর মাধ্যমে। আপনি কি আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন নিয়ে চিন্তা করছেন? অনেক জায়গাতে শুনেছেন ডিজিটাল মার্কেটিং করুন, কিন্তু বুঝে উঠতে পারছেন না কিভাবে করবেন? তাহলে এই আর্টিকেল আপনার জন্য, কারণ এই আর্টিকেল এ আমি আপনাকে শেয়ার করবো ডিজিটাল মার্কেটিং কি এবং কিভাবে শুরু করতে হয়।

    বর্তমানে ব্যবসায়িক বিজ্ঞাপনের সবথেকে বড় ও উন্নত মাধ্যমটির নাম হচ্ছে ডিজিটাল মার্কেটিং।

    অনেকে আবার এটাও জিজ্ঞাসা করেন, ডিজিটাল মার্কেটিং শিখে ক্যারিয়ার গড়া সম্ভব কিনা, এখানে আয় কেমন, কি যোগ্যতা থাকা দরকার, আবার কাদের জন্যই বা ডিজিটাল মার্কেটিং। এই আর্টিকেল থেকে ইনশাআল্লাহ্‌ সব উত্তর পেয়ে যাবেন।

    ডিজিটাল মার্কেটিং কি? : What is Digital Marketing in Bangla

    ডিজিটাল মার্কেটিং বলতে মানুষ মূলত সোশ্যাল মিডিয়ায় পন্যের বিজ্ঞাপনকেই বুঝে। কিন্তু আসলে ব্যাপারটা কি তাই? আসুন আজকের এই আর্টিকেল থেকে আমরা জানার চেষ্টা করি, ডিজিটাল মার্কেটিং কি এবং এর সাথে আরো কি কি ব্যাপার জড়িত আছে।

    ডিজিটাল মার্কেটিং এর ধাপগুলোই বা কি? কি কি উপায়ে ডিজিটাল মার্কেটিং করা যায়? এই সব বিষয়গুলো নিয়েই আমাদের আজকের আলোচনা। কথা না বাড়িয়ে আসুন জেনে নেই ডিজিটাল মার্কেটিং কি?

    ডিজিটাল মার্কেটিং কেন করবেন?

    কেন আপনি ডিজিটাল মার্কেটিং করবেন বা ডিজিটাল মার্কেটিং কেন দরকার? এই প্রশ্নের উত্তর দেবার আগে আমি আপনাকে কিছু জিজ্ঞাসা করতে চাই – আপনি যখন টিভি দেখেন,  মনে করুন তখন বাচ্চাদের ডাইপারের বিজ্ঞাপন  আপনাকে দেখাচ্ছে, এভাবে অনেক বিজ্ঞাপন  দেখাচ্ছে  সেগুলো অনেকগুলোই আপনার জন্য হয়ত জরুরী নয়। কারণ যেই বিজ্ঞাপনগুলো আপনাকেসহ অনেককে দেখানো হচ্ছে, সেগুলো কোন কাজে আসছে না- কারণ টিভি চ্যানেল এর বিজ্ঞাপনদাতারাও  জানেনা যে আসলে টিভি টা দেখছে তার আসলেই সেগুলো প্রয়োজন আছে কিনা? ধরুন আপনি অবিবাহিত একজন ব্যাক্তি এবং আপনার বাসায় কোন বাচ্চাও নেই, আপনার সামনে যদি বাচ্চাদের ডাইপারের বিজ্ঞাপন দেওয়া হয় তাহলে ওই বিজ্ঞাপন দেখে আপনি কি আসলে কিনবেন? তাতে  ওই কোম্পানির বিজ্ঞাপন দিয়ে আসলে কি অনেক লাভ হয়? আমি জানি আসলেই এভাবে ট্রেডিশনাল বিজ্ঞাপন দিয়ে খুব বেশি লাভ হয় না। 

    অন্যদিকে দেখুন, আপনি ইউটিউবে একটা ভিডিও দেখছেন কিভাবে হালিম তৈরি করা যায়, এবং ভিডিও দেখার মাঝেই একটা বিজ্ঞাপন চলে আসলো হালিমের এর জন্য বেস্ট মশলা মিক্স কোনটা বা হালিম তৈরি করার জন্য কোথা থেকে আপনি এর জন্য জিনিসপত্র কিনতে পারেন। এখন, তাহলে এই বিজ্ঞাপনটা হয়ত আপনার কাজে লাগবে এবং এখান থেকে আপনি কি ওই পণ্য কিনতে আগ্রহী হবেন? আমি জানি অবশ্যই আপনি আমার সাথে একমত হবেন এবং অবশ্যই এই বিজ্ঞাপন থেকে ওই কোম্পানির পণ্য বিক্রি হবে।

    আমার মনে হয় আপনি বুঝতে পেরেছেন আমি কি বোঝাতে চাচ্ছি। হ্যাঁ, ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে আমরা আমাদের পণ্যের জন্য টার্গেটেড কাস্টমার খুব সহজে খুঁজে পেতে পারি এবং এখানে খরচও তুলনামূলক ভাবে অনেক কম।

    এর পর ও যদি আপনার মনে প্রশ্ন জাগে যে,  ডিজিটাল মার্কেটিং কেন করবো। তাহলে বলি বর্তমানে অনেক স্মার্ট ডিভাইস যেমন- আন্ড্রয়েড স্মার্ট ফোনের চাহিদা বা ব্যবহার খুব বেশি। বর্তমানে পৃথিবীর ৪৫০ কোটির বেশি মানুষ স্মার্টফোন ব্যবহার করছে এবং আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে পৃথিবীর দুই তৃতীয়াংশ মানুষ স্মার্টফোন ব্যবহার করবে।  মধ্যবিত্ত থেকে শুরু করে নিম্নবিত্ত শ্রেনীর মানুষরা পর্যন্ত সবাই আন্ড্রয়েড স্মার্ট ফোন ব্যবহার করে থাকেন। তাই জন্য গুগল, পিন্টারেস্ট,ফেসবুক, ইউটিউব, টুইটার এর ব্যবহার কারীর সংখ্যা অনেক বেশি। এসব মাধ্যম ব্যবহার করে খুব সহজেই ডিজিটাল মার্কেটিং করা যায়। তাই কোম্পানি গুলি তাদের পণ্য গুলিকে অনলাইন এর মাধ্যমে বাজারজাত করতে শুরু করেছেন। আপনি জানলে অবাক হবেন যে, মাত্র এক সেকেন্ডে কয়েক মিলিয়ন মিলিয়ন কাস্টমার এর কাছে পৌছে  যাচ্ছে তাদের পণ্য গুলি। সেখান থেকে, যার যার চাহিদা অনুযায়ী তাদের পণ্য গুলি ঘরে বসে পাচ্ছেন কাঙ্খিত সকল পণ্য। যেখানে ঘরে বসে পণ্য ক্রয় বা বিক্রয় করা যায় সেখানে ক্লাসিক বা ট্রেডিশনাল মার্কেটিং এর জন্য ডিজিটাল মার্কেটিং এর সাথে টিকে থাকা সমনে কষ্টকর ও খরোচে হয়ে যাবে। আর এটা আপনার ব্যবস্যার জন্য খুব ভালো কিছু না। তাই হয়ত আপনাকে খুব অল্প সময়ে বেশি কাস্টোমার বা গ্রাহক পাওয়া যায় বলেই ডিজিটাল মার্কেটিং করতে হবে, আর বলা যায় এ জন্যই ডিজিটাল মার্কেটিং করা প্রয়োজন।

    ডিজিটাল মার্কেটিং অন্যান্য মার্কেটিং এর চাইতে কম খরছে দ্রুতার সাথে করা যায় বিধায় বর্তমানে ডিজিটাল মার্কেটিং আরো জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। বিশেষকরে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়িরা অল্প খরছে ডিজিটাল মার্কেটিং করার সুযোগ পায় বিধায় ডিজিটাল মার্কেটিং এর জনপ্রিয় তুমুল হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। 

    ডিজিটাল মার্কেটিং কেন প্রয়োজন

    আমাদের এই বর্তমান সময়ে ডিজিটাল মার্কেটিং একটি অপরিহার্য অংশ। কারণ অধিকাংশ মানুষ এখন যেকোন পণ্য ক্রয় করার আগে ইন্টারনেটে ওই পন্য সম্পর্কে জেনে বুঝে তারপর সে পণ্য ক্রয় করে। আর অনলাইনে মার্কেটিং (ডিজিটাল মার্কেটিং ) করার মূল উদ্দেশ্য হল বিজনেসের অনলাইন প্রেজেন্স এবং ব্র্যান্ডিং গ্রো করা। অনলাইনে যদি আপনার সার্ভিস বা প্রোডাক্ট খুঁজে না পাওয়া যায় তাহলে আপনি কখনো আপনার বিজনেসের অডিয়েন্স খুঁজে পাবেন না এবং ব্যবসায় সফল হতে পারবেন না। বর্তমান  এই কম্পিটিটিভ ওয়ার্ল্ডে আপনার বিজনেস টিকিয়ে রাখতে হলে আপনাকে অবশ্যই অনলাইন মার্কেটিং এ গুরুত্ব দিতে হবে।

    তাই আপনি যদি একজন শিল্পী, ডাক্তার, তারকা বা ব্যবসায়ী হন, তাহলে আপনার উচিত ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে নিজের বা  নিজের ব্যবসাকে মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়া। সমগ্র বিশ্বে মোট প্রায় ২.৯৩ বিলিয়ন মানুষ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক আর ইন্টাগ্রাম প্রায় ২ বিলিয়নের উপরে মানুষ ব্যবহার করে। আর এই সংখ্যাটি নিয়মিতভাবে বেড়ে চলেছে।  বর্তমান বিশ্বে মোট প্রায় ৫.৫০ বিলিয়ন মানুষ মোবাইল ফোন ব্যবহার করে। আর শ্বে মোট প্রায় ৫.০৯ বিলিয়ন মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করে।  আর এই সংখ্যা খুবই দ্রুত গতির সাথে বেড়ে চলেছে। এই ব্যবহারকারীর সংখ্যা যত বাড়বে ডিজিটাল মার্কেটিং এর প্রয়োজনীয়তাও বাড়বে। আর সেই সাথে আপনার অনলাইনে আপনার ব্যবসার পরিধি ও বাড়বে। একটা স্ট্যাটিসটিক্সের মাধ্যমে ইউজার সার্ভে রিপোর্ট উল্লেখ করেছে যে, প্রায় ৮৬% বিক্রেতা, মার্কেটার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে ব্যবহার করে ক্রেতার তথ্য সংগ্রহ করার জন্যে।

    প্রতি মাসে গুগল ৮৯.৩ বিলিয়ন বারের ও বেশি বার মানুষ ভিজিট করে।  ৪৬% ই-কমার্স ক্রেতা গুগলে সার্চ করে প্রোডাক্টের জন্য, তাদের পছন্দের ই-কমার্স ওয়েবসাইটে আসে। বিশ্বে প্রায় ৭১% ক্রেতা তাদের প্রয়োজনীয় কেনাকাটা অনলাইন থেকে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে করে থাকে। এই সংখ্যাটিও দিনকে দিন বেড়েই চলেছে। ৭০% ক্রেতা যেকোন পণ্য কেনার আগে ইন্টার্নেটে সার্চ দিয়ে সেই পণ্য সম্পর্কে যাচাই বাছাই করেন। তারপর পণ্যটি  পছন্দ হলে তার ঘরে বসেই অনলাইনে অর্ডার করে ফেলেন।

    আপনি হয়ত এখন কিছুটা হলেও বুঝতে পারছেন, আপনার ক্রেতারা কিভাবে অনলাইনে তাদের সার্ভিস বা কেনাকাটা সম্পন্ন করেন। তাই আপনি যদি এই ডিজিটাল যুগে, অনলাইনে,  ডিজিটাল মার্কেটে টিকে থাকতে চান, তাহলে আপনার এখনই ডিজিটাল মার্কেটিং নিয়ে ভাবা উচিত। আর এ ক্ষেত্রে আপনি যারা অনেক দিন ধরে ডিজিটাল মার্কেটিং সার্ভিস দিচ্ছি, তাদের সাথে নিশ্চিন্তে আপনার ব্যবসার জন্য ডিজিটাল মার্কেটিং সার্ভিস করতে পারেন। যেমন- Connect Firm Ltd. (Popular Digital Marketing Firm in Bangladesh) হচ্ছে বাংলাদেশের অন্যতম সেরা ডিজিটাল মার্কেটিং ফার্ম। আপনার ব্যবসার জন্য তাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

    কারণ আপনার প্রতিদ্বন্দ্বী কিন্তু বসে নেই, তার ব্যবসাকে ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে ক্রেতাদের কাছে পৌঁছে দেয়ার চেষ্টা করছেন প্রতিনিয়ত। তাই আপনাকেও সমানতালে ডিজিটাল মার্কেটিং এর সব সেক্টরে মার্কেটিং করে যেতে হবে। PRAN, ACI GROUP, BASHUNDHARA, BEXIMCO, SQUARE, CITY GROUP, Coca-ColaUnileverNestlé এর মতো বড় বড় কোম্পানীগুলোও কিন্তু বেশ তোড়জোড়ের সাথেই বর্তমানে ডিজিটাল দুনিয়াতে নিজেদের অস্তিত্ব ভালোভাবেই জানান দিচ্ছে। আপনি যদি অনলাইনে ডিজিটাল মার্কেটিং না করেন, তাহলে আপনি যুগের তালে তাল না মিলাতে পেরে নকিয়া, Kodak, AMBASSADOR (গাড়ি) কোম্পানীর মতো হারিয়ে যেতে হবে। যারা যুগের সাথে বদলাতে পারে না, যুগ তাদের পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেয়। তাই ক্রমাগত যুগের সাথে বদলাতে থাকুন। ডিজিটাল মার্কেটিং করুন। সাফল্যকে সাথে রাখুন, সময়ের সাথে থাকুন।



    কিভাবে ডিজিটাল মার্কেটিং শুরু করবেন?

    ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে আমরা আমাদের পণ্যের জন্য টার্গেটেড কাস্টমার খুব সহজে খুঁজে পেতে পারি এবং এখানে খরচও তুলনামূলক ভাবে অনেক কম।

    কিভাবে ডিজিটাল মার্কেটিং শুরু করবেন? প্রথমত আপনার পণ্যটি কোন ক্যাটাগরির কাস্টমারের কাছে চাহিদা সম্পূর্ণ তা বিবেচনা করে সে অনুযায়ী সঠিক তথ্য ও আকর্ষণীয় কনটেন্টের মাধ্যমে তুলে ধরতে হবে। পণ্যের ধরণ ও চাহিদানুযায়ী আপনাকে কনটেন্ট সাজাতে হবে। এবং এখানে খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হচ্ছে সেলস ফানেল তৈরি করা।

    আমার দেখা মতে বাংলাদেশ এর ৯৫% কোম্পানি তাদের পণ্য বিক্রি করার জন্য সেলস ফানেল তৈরি করেন না এবং যার কারণে তাদের সেলস তুলনামূলক ভাবে অনেক কম হয়। আপনার সেলস ফানেল তৈরি করার পর চিন্তা করতে হবে কোন ডিজিটাল মাধ্যমকে ব্যবহার করে মার্কেটিং শুরু করবেন এবং সেই ডিজিটাল মাধ্যমটি সম্পর্কে আপনাকে ভাল জ্ঞান রাখতে হবে।

    ডিজিটাল মার্কেটিং করার জন্য অনেকগুলো পদ্ধতি রয়েছে। আমরা সব সময় সব রকম পদ্ধতি নিয়ে সব প্রজেক্টে কাজ করি না কিন্তু এমন কিছু পদ্ধতি রয়েছে যেগুলো আমাদের ডিজিটাল মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে লাগবেই। এখন  আমরা আজকে জানবো ডিজিটাল মার্কেটিং এ যে বিষয় গুলো সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় সেগুলো সম্পর্কে।

    • Google PPC/ GDN Marketing (গুগল এড মার্কেটিং)
    • Youtube Marketing (ইউটিউব মার্কেটিং )
    • Affiliate Marketing (এফিলিয়েট মার্কেটিং)
    • Cost Per Action (CPA) Marketing (সিপিএ মার্কেটিং)
    • Content Marketing (কনটেন্ট মার্কেটিং)
    • Mobile Marketing (মোবাইল এড মার্কেটিং)
    • Search Engine Optimization (SEO) (এস ই ও মার্কেটিং)
    • Search Engine Marketing (সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং)
    • Email Marketing (ইমেইল মার্কেটিং)
    • Social Media Marketing(SMM) (ফেসবুক, ইন্সটাগ্রাম মার্কেটিং)
    • Digital Display Marketing (ডিসপ্লে মার্কেটিং) 

    এগুলো ছাড়াও অনলাইন (ডিজিটাল) মার্কেটিং এর আরো অনেক ক্ষেত্র রয়েছে। সত্য বলতে ডিজিটাল বা অনলাইন মার্কেটিং আসলে একক কোনো একটি বিষয় নয়। এর নিয়ন্ত্রণে বেশ কিছু ক্ষেত্র রয়েছে এবং প্রতিটি ক্ষেত্রই অনেক ব্যাপক।  তাই এগুলো এক একটি বিষয় নিয়ে আমাদের আলাদা ভাবে বিস্তারিত জানতে হবে। আর এই সবগুলো ক্ষেত্রের মিলিত রূপই হলো “Digital marketing “ বা অনলাইন মার্কেটিং।

    ডিজিটাল মার্কেটিং সুবিধাগুলো কি কি?

    ১। ‍খুবই স্বল্প খরছে ছোট বড় যে কোন ধরণের ব্যবসায়িক বা কোম্পানী অথবা কোন প্রতিষ্ঠান ডিজিটাল মার্কেটিং করতে পারে।

    ২। ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে অতি অল্প সময়ে আপনার বিভিন্ন product গ্রাহকদের সামনে তুলে ধরতে পারবেন।

    ৩। শুধুমাত্র ইন্টারনেট থাকলেই ডিজিটাল মার্কেটিং করতে পারবেন। এর জন্য আপনাকে গ্রাহকের বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রচার করা লাগবে না।

    ৪। ইন্টারনেটের মাধ্যমে কোম্পানীর ব্রান্ড তৈরি করা যায় সহজেই, যা অন্য কোন উপায়ে সহজ নয়।

    ৫। ঘরে বসেই প্রোডাক্ট বা সেবার অর্ডার পাওয়ার যায় তাই সহজেই পন্য বা সেবা বিক্রি করা যায়।

    ৬। ওয়েবসাইট প্রচারের জন্য ডিজিটাল মার্কেটিং সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি।

    ৭।  নির্দিষ্ট এলাকায় মার্কেটিং করা যায়, নির্দিষ্ট ক্যাটাগরির কাস্টমারদের কাছেই শুধুমাত্র মার্কেটিং করতে চাইলে ডিজিটাল মার্কেটিংয়েই একমাত্র মাধ্যম।

    ৮।  সময়, অর্থ ও জনবল সবকিছুই সাশ্রয় হয় ডিজিটাল মার্কেটিং করার মাধ্যমে।

    একজন সফল মার্কেটার হতে চাইলে ভবিষ্যতের ইন্টারনেট ব্যবহারকারীকে মাথায় রেখে পরিকল্পনা করতে হবে এবং সেই জন্য আপনাকে ডিজিটাল মার্কেটিং কৌশলের দিকে মনোযোগি হতে হবে।

    ট্রাডিশনাল মার্কেটিং বনাম ডিজিটাল মার্কেটিং

    ট্রাডিশনাল মার্কেটিং ও ডিজিটাল মার্কেটিং এর পার্থক্য 

    প্রযুক্তির এই যুগে যেহেতু আপনি প্রচলিত ট্রাডিশনাল মার্কেটিং বাদ দিয়ে ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের প্রতি মনোযোগি হবেন সেহেতু এদের পার্থক্যটাও জানা জরুরী। যদিও ডিজিটাল মার্কেটিং এবং ট্রেডিশনাল মার্কেটিং এর মধ্যে প্রচুর পরিমাণে পার্থক্য রয়েছে। তাই আপনাকে আপনার নিজের বা ক্লায়েন্টের ব্যবসার দক্ষতা এবং কাজের চাহিদা অনুযায়ী গ্রহণ করতে পারেন ট্রেডিশনাল কিংবা ডিজিটাল মার্কেটিং। এই সব নিয়ে সিদ্ধান্ত নিবেন আপনি ট্রেডিশনাল মার্কেটিং করবেন নাকি ডিজিটাল মার্কেটিং করবেন। মনে রাখবেন শুরুতেই ট্রাডিশনাল মার্কেটিং করার জন্য বেশি পরিমানে টাকার প্রয়োজন হয়। কিন্তু এদিকে খুব কম খরছে ডিজিটাল মার্কেটিং করা যায়।

    • ট্রাডিশনাল মার্কেটিং হচ্ছে প্রচলিত ব্যয়বহুল মার্কেটিং ব্যবস্থা অপরদিকে ডিজিটাল মার্কেটিং হচ্ছে খুব অল্প খরচ দিয়ে প্রযুক্তি মার্কেটিং ব্যবস্থা।
    • ব্যায় বহুল খরচের কারণে ছোট খাট কোম্পানীর পক্ষে ট্রাডিশনাল মার্কেটিং করা সম্ভব হয় না।
    • ট্রাডিশনাল মার্কেটিং ব্যবস্থায় কোটি কোটি টাকা খরচ করেও নির্দিষ্ট কাস্টমার টার্গেট করে বিজ্ঞাপন দেওয়া যায় না । পক্ষান্তরে ডিজিটাল মার্কেটিং ব্যবস্থায় মাত্র ৫ ডলার খরচ করে নির্দিষ্ট কাস্টমার টার্গেট করে সহজেই বিজ্ঞাপন দেওয়া যায়।
    • ট্রাডিশনাল মার্কেটিং এর চেয়ে ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে ব্যবসার পন্য বা সেবা দ্রুত প্রচার করা যায়।
    • যেহেতু ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে সারা বিশ্বে প্রচারণার কাজটি করা যায়, তাই এতে লাভও বেশি।
    • বর্তমান সময়ের উপযোগি মার্কেটিং ব্যবস্থা হচ্ছে ডিজিটাল মার্কেটিং কৌশল বা পদ্ধতি।

    বুঝতে পেরেছেন ডিজিটাল মার্কেটিং এবং ট্রেডিশনাল মার্কেটিং এর মধ্যে পার্থক্য গুলো। আমার কাছে মনে হয় ডিজিটাল মার্কেটিং সবচেয়ে বেশি উপযোগী। তবে আপনার কাছে যদি ট্রেডিশনাল মার্কেটিং ভালো লাগে আপনি করতে পারেন সেটা আপনার ব্যক্তিগত ব্যাপার।

    ডিজিটাল মার্কেটিং ভুলগুলি কী কী?

    ১) ডিজিটাল মার্কেটিংর লক্ষ্য স্পষ্ট না হওয়া: সর্বপ্রথম, এক ডিজিটাল মার্কেটিং ব্যবস্থাপক কে নিজের পাঠকবর্গ/ব্যবহারিবর্গের এবং ডিজিটাল মার্কেটিংর লক্ষ্য নির্ধারণ করার প্রয়োজন আছেই আছে।সেই স্পষ্টতা না হওয়াটা এক গুরুত্বর্পূর্ণ ভুল।

    ২) ভুল চ্যানেলগুলিতে (সোশ্যাল মিডিয়া) মার্কেটিং: টুইটার, স্ন্যাপচ্যাট, ফেসবুকের মতো বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম রয়েছে। যদি আপনি ৩৫ বছরের উপরে বয়সের এমন একটি পণ্য মার্কেটিং করেন তবে ইনস্টাগ্রাম আপনাকে বেশি লিড দিবেনা না কারণ ইন্সটাগ্রাম এ ১৬ থেকে ২২ বছরের মানুষ ই বেশি ব্যবহার করে থাকে। বেশিরভাগ লোকেরা ফেসবুক ব্যবহার করে সুবিধাজনক হিসেবে। সেক্ষেত্রে মার্কেটিং কৌশলটি সেই চ্যানেলে ফোকাস করা দরকার। বেশিরভাগ সময়, মার্কেটার ভুল মিডিয়াতে প্রচার করে থাকে।

    ৩) এসইও-এর উপেক্ষা: এসইও (সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশান / SEO)-এর বিষয় খেয়াল না করে অন্যান্য শর্টকাট উপায় দিয়ে বাড়লে দীর্ঘমেয়াদী লাভ অর্জন হয়না।বেশিরভাগ লোকে এসইএম (সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং/SEM) ব্যবহার করে নিজের লক্ষ্যগুলি পেতে চায়ে। তাতে কিন্তু সাইটে ও ব্যবসা প্রচার স্বল্পমেয়াদী লাভ অর্জন হলেও, উন্নত হয়ে না। তাই, এসইও এবং এসইএম-দুটোই ক্ষেত্রে খেয়াল করা দরকারি।

    ৪) বিশ্লেষণ পর্যালোচনা করতে অসফল হওয়া: কোনো ধরণের নতুন পণ্য ও ওয়েবসাইটের সফল হওয়ার পেছনে অনেক রকমের গবেষণা দরকার পড়ে। তবে এই গবেষণাগুলির বিশ্লেষণ নিয়ে যথেষ্ট চর্চা ও পর্যালোচনা না করলে, আজকের এই প্রযুক্তিশীল যুগে সহজে সফলতা অর্জন করা সম্ভব নয়। এবং এই কারণে বিশ্লেষণ পর্যালোচনা ডিজিটাল মার্কেটিংর ক্ষেত্রে সক্ষম হওয়ার জন্য অপরিহার্য আছে।

    ৫) ডিজিটাল প্রচারণা করতে তাড়াহুড়ো: এটা একটি সামান্য, তবুও গুরুত্বপূর্ণ ভুল। অনেক ছোট/বড় ব্যবসাগুলির জন্য এটি একটি সাঙ্ঘাতিক ভুল হয়েও দাঁড়াতে পারে।ডিজিটাল প্রচারণা করতে তাড়াহুড়ো করলে স্বাভাবিক আছে যে অনেকে ভালোভাবে গবেষণা করার ও পরিকল্পনার কৌশল তৈরী করতে পারেন না, যাতে টাকার ক্ষতি হওয়ার সাথে সময়েও নষ্ট হয়।

    ডিজিটাল মার্কেটিং কত প্রকার? কি? কি? 

    অনলাইন মার্কেটিং দুই প্রকারে সম্পন্ন হয়।

    ১. পেইড মার্কেটিং (Paid Digital Marketing)

    ২. অর্গানিক মার্কেটিং বা ফ্রী মার্কেটিং ( Organic Digital Marketing)

    সহজভাবে বললে, অনলাইনে যত রকম এডভার্টাইজিং, সবই পেইড মার্কেটিং এর আওতাভুক্ত । আর আপনার গ্রাহকের তথ্য সংগ্রহ বা তাঁর কাছে আপনার প্রডাক্ট বা সার্ভিস পৌছাতে আপনি  অর্গানিক মার্কেটিং এর সাহায্য নিতে পারেন। Digital marketing (ডিজিটাল মার্কেটিং) করার অনেকগুলো প্লাটফর্ম রয়েছে। আপনাকে শুধু আপনার কোম্পানির ধরণ, পণ্য এবং বিজনেসের পরিধির বিষয়টি বিবেচনা করে প্লাটফর্মগুলো বেছে নিতে হবে।

    SEO বা Search Engine Optimization (সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন) অরগানিক মার্কেটিং এর সবচেয়ে ভালো মাধ্যম। যেখানে নিজের ওয়েবসাইটকে গুগল সার্চ রেজাল্ট পেজের প্রথম দিকে নিয়ে আসার চ্যালেঞ্জ নিতে হয়।  দৈনন্দিন জীবনে গুগলে সার্চকারীর সংখ্যা ও এর প্রয়োজনীয়তা বেড়েই চলেছে এবং তা বিস্ময়করভাবে।

    আবার ফেসবুক, ইউটিউবের মতো ওয়েবসাইটে ভিডিও শেয়ারিংএর মাধ্যমে ডিজিটাল মার্কেটিং করার বিষয়টি দিন দিন আরও জনপ্রিয় হচ্ছে। 

    অর্থাৎ ফেসবুক, ইউটিউব, গুগলে, ক্লাসিফায়েড সাইটে যেমন বিনামূল্যে মার্কেটিং করার ব্যবস্থা আছে, আবার অর্থ দিয়েও তা করার ব্যবস্থা আছে।  

    এই আর্টিকেলে আমি প্রায় সব প্রকার ডিজিটাল মার্কেটিং নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব।

    • গুগল এড মার্কেটিং
    • ইউটিউব মার্কেটিং
    • অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং
    • ভাইরাল মার্কেটিং
    • সিপিএ মার্কেটিং
    • কনটেন্ট মার্কেটিং
    • মোবাইল এড মার্কেটিং
    • ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিং
    • ভিডিও মার্কেটিং
    • সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও) মার্কেটিং
    • সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং
    • ইমেইল মার্কেটিং
    • সোসাল মিডিয়া মার্কেটিং
    • ডিসপ্লে মার্কেটিং

    ১.  সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও)

    ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের ক্ষেত্রে SEO কিংবা Search Engine Optimization খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন আপনার ওয়েবসাইটকে যেকোনো সার্চ ইঞ্জিন (গুগল, ইয়াহু, বিং ইত্যাদি)  এর একদম সর্বোচ্চ অবস্থানে নিয়ে আসে। এসইও অর্থ সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন, যা ওয়েব সার্চ ইঞ্জিনের ফলাফল পৃষ্ঠাগুলির মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইটে ট্র্যাফিকের পরিমাণ এবং গুণমান বাড়িয়ে তুলবে। অন্য কথায়, সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন হ’ল সার্চ ইঞ্জিনগুলি থেকে ওয়েবসাইট ট্র্যাফিকের গুণমান এবং পরিমাণ বাড়ানোর প্রক্রিয়া।

    মূলত ওয়েবসাইটের ট্রাফিক কিংবা ভিজিটর বৃদ্ধি করাই হলো এই এসইও’র কাজ। মানুষ সাধারণত কোনো পণ্য (Product) ক্রয় করার পূর্বে গুগলে সার্চ করে সেই পণ্যের গুণাগুণ কিংবা প্রাইজ জেনে নেয়। আর গুগল কাস্টমার কিংবা সার্চকারীর সামনে সেই ওয়েবসাইটগুলোই নিয়ে আসে যেগুলো খুব ভালোভাবে এসইও অপটিমাইজড করা থাকে।

    তাই আপনি যদি আপনার ওয়েবসাইটকে ভালোভাবে এসইও অপটিমাইজড করতে পারেন তবে সার্চ ইঞ্জিনগুলো আপনার ওয়েবসাইটিকে একদম প্রথম পেইজে এনে দিবে। যার ফলে ভিজিটর বৃদ্ধি পাবে আর সাথে সাথে আপনার পণ্য কিংবা সার্ভিসের প্রচার বাড়বে।

    সহজ কথায় বলতে গেলে কোন অ্যাড বা বিজ্ঞাপন ছাড়া গুগল সার্চের সাহায্যে সাইটে ভিজিটর আনার পদ্ধতি কি সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বলা হয় এখন এই সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর দুটি অংশ রয়েছে । অন পেজ (ON Page) অপরটি হল অফ পেজ  (OFF Page)।

    অন পেজ এসইও অপটিমাইজেশন

    অন পেজ এসইও  সাইটের মধ্যে করা হয়ে থাকে। আমরা জানি যে আর্টিকেলই মূলত একটি সাইটের প্রান। আর আর্টিকেলে এসইও এর বিভিন্ন স্ট্র্যাটেজি প্রয়োগ করার মাধ্যমে তাকে এসইও ফ্রেন্ডলি করা হয় । যেমন- টাইটেল, কিওয়ার্ডের সঠিক ব্যবহার, ইউআরএল, সাব হেডীং, এইচ ১, মূল কন্টেন্ট, ইন্টারনাল লিংকিং, মেটা টাইটেল এবং মেটা ডেসক্রিপশন ইত্যাদি।

    এই অপটিমাইজেশনগুলো খুব ভালোভাবে করতে পারলে ওয়েবসাইট খুব তাড়াতাড়ি সার্চ ইঞ্জিনে র‍্যাংক করবে।

    এছাড়াও অন পেজ অপটিমাইজেশনে বিভিন্ন প্রোডাক্ট পেজ অপটিমাইজ করতে হয় আর এর জন্যেও পেজের টাইটেল, প্রোডাক্ট টাইটেল, মেটা টাইটেল, মেটা ডেসক্রিপশন, প্রোডাক্ট ডেসক্রিপশন ইত্যাদির প্রয়োজন রয়েছে।

    অফ পেজ এসইও অপটিমাইজেশন

    Off-page এসইও অপটিমাইজেশন হল আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ভালো করে অন পেজ করার পর ওয়েবসাইটের রেংকিং গুগল off-page কাজের প্রয়োজন হয় ।

    গুগোল মূলত ওয়েবপেইজের রেংকিং এর জন্য দুশোরও বেশি ফ্যাক্টর এর উপর নির্ভর করে এরমধ্যে ব্যাকলিংক একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর।

    এসইও কত প্রকার ও কি কি

     ডিজিটাল মার্কেটিং এর ভাষায় সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর অনেক প্রকার ভেদ আছে। আমরা উপরে অন পেজ এসইও ও অফ পেজ এসইও নিয়ে কিছুটা আলোচনা করলাম; এখন আমরা এসইও এর অন্যান্য প্রকারভেদ গুলো দেখবো। 

    ১। অন পেজ এসইও (On page SEO)

    ২। অফ পেজ এসইও (Off page SEO)

    ৩। টেকিনিক্যাল এসইও (Technical SEO)

    ৪। লোকাল এসইও (Local SEO)

    ৫। কন্টেন্ট এসইও (Content SEO)

    ৬। ই-কমার্স এসইও (E-commerce SEO)

    ৭। মোবাইল এসইও (Mobile SEO)

  • Blog The Generative Engine Optimization Playbook for 2026

    Blog The Generative Engine Optimization Playbook for 2026

    Search is changing. When someone asks ChatGPT “What is the best project management tool for a remote team?” they do not get a list of links. They get a direct answer with specific recommendations.

    This is generative search. And it is reshaping how brands get discovered online.

    Generative engine optimization (GEO) is the practice of optimizing your content so that AI search engines cite it in their responses. If traditional SEO is about ranking on page one of Google, GEO is about being part of the answer itself.

    This guide explains what generative engine optimization is, how it differs from traditional SEO, and the specific techniques you can use to improve your search visibility in AI-generated content.

    What Is Generative Engine Optimization?

    Generative engine optimization is the practice of structuring your content so that AI systems can find it, understand it, and cite it in their responses.

    When you search on Google, you get a list of blue links. When you ask a question to ChatGPT or Perplexity, you get a synthesized answer that pulls information from multiple sources across the web. GEO focuses on making your content one of those sources.

    or years, SEO was everything. If you wanted traffic, you optimized the data headlines, keywords, and backlinks. That’s how you survived online. Everyone followed the same playbook.

    In 2025 and now moving into 2026, more than 40% of users in many industries don’t even click websites first. They ask AI. They talk to ChatGPT. They check Perplexity. They read Google AI Overviews and leave. No clicks. No scrolling. No browsing ten links. Just answers. Instant ones. And those answers come from somewhere. They come from websites. From brands. From experts. From structured data. From content that machines trust. If that “somewhere” is not you, you are invisible. Not low-ranked. Just invisible.

    Generative Engine Optimization

     That’s why Generative Engine Optimization, or GEO, is not a trend. It’s not hype. It’s not a future idea. It is already happening. Right now.

    GEO is the system that decides whether your content becomes part of AI’s memory or disappears into digital noise.

    And the scary part? Most businesses still don’t know this game exists. They are doing normal SEO. Writing blogs. Building links. Posting “Top 10” articles.While AI is quietly choosing new winners.

    This playbook is about that shift. How it works. Why it matters. And how you can actually compete, even without a massive budget.

    No corporate fluff. No fake motivation. Just real strategy.

    What Is Generative Engine Optimization (GEO)?

    Generative Engine Optimization is the practice of optimizing your content so AI systems can understand it, trust it, and reuse it in their answers. Not rank it. Reuse it.

    Here you can see the example of GEO(AI overview)

    Nowadays, most users rely primarily on Google’s AI Overview to find information, as it provides comprehensive answers directly on the search results page within a single platform, eliminating the need to visit multiple websites.

    SEO and AI/GEO Search: What’s the Real Difference?

    That’s the difference.

    GEO = Use my knowledge.

    SEO = Show my page

     When ChatGPT explains something.
    When Perplexity cites a source.
    When Google AI summarizes a topic.

    GEO decides who gets picked.

    Why GEO Is Becoming the New Visibility Strategy?

    Imagine a small consulting firm. No big budget. No ads. They start writing deep guides. Not salesy. Just helpful. About business growth, digital tools, analytics, and mistakes. Over two years, they have published 60 solid articles. Then people start asking AI, “How do I improve my business online?” And guess what. The AI starts quoting them. Using their examples. Referring to their explanations. Suddenly, leads come in saying, “An AI tool mentioned you.” That’s GEO. No hacks. Just patience and quality.

    Why GEO Is Becoming the New Visibility Strategy?

    Real Example  GEO:-

    When someone searches on ChatGPT.

    Generative Engine Optimization in 2026, from EMARKETER, explores how the rise of AI-powered discovery is reshaping brand visibility and why traditional SEO alone doesn’t guarantee your brand is found a world dominated by generative engines like ChatGPT, Gemini, and Copilot.

    Based on proprietary research, platform data, and expert analysis, this report reveals how consumers use AI for discovery, why AI engines surface different sources than search, and what marketers must do differently to earn visibility and trust in AI-generated answers.

  • Hello world!

    Welcome to WordPress. This is your first post. Edit or delete it, then start writing!